বৃহস্পতিবার   ০২ এপ্রিল ২০২০   চৈত্র ১৯ ১৪২৬   ০৮ শা'বান ১৪৪১

বরগুনার আলো
ব্রেকিং:
প্রতি উপজেলা থেকে নমুনা সংগ্রহ করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর মানুষের পাশে না দাঁড়িয়ে সমালোচনা করছে বিএনপি : কাদের দেশে আক্রান্তদের মধ্যে এ পর্যন্ত ২৬ জন সুস্থ : স্বাস্থ্যমন্ত্রী সেনাবাহিনী কতদিন মাঠে থাকবে সরকার বিবেচনা করবে: সেনাপ্রধান করোনায় খাদ্য ঘাটতি হবে না : কৃষিমন্ত্রী ভিডিও কনফারেন্সে বক্তব্য রাখ‌ছেন প্রধানমন্ত্রী আজ সকালে ৬৪ জেলার কর্মকর্তাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর কনফারেন্স পিপিই যেন নষ্ট না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী করোনা মোকাবিলায় সরকার জনগণের পাশে আছে -প্রধানমন্ত্রী ছুটিতে কর্মস্থল ছাড়া যাবে না : সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন করোনা সংকটকালে জনগণের পাশে থাকবে আ.লীগ: কাদের আমি করোনায় আক্রান্ত হইনি : স্বাস্থ্যমন্ত্রী বাংলাদেশে ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত নেই : আইইডিসিআর পদ্মা সেতু‌তে বসলো ২৭তম স্প্যান, দৃশ্যমান হলো ৪ হাজার ৫০ মিটার সব পোশাক কারখানা বন্ধের নির্দেশ পবিত্র শবে বরাত ৯ এপ্রিল অতি প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে যাবেন না : প্রধানমন্ত্রী জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী মুক্তি পেলেন খালেদা জিয়া সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী
৩৫

ব্যক্তিত্ব বিকাশে শিশুদের সঙ্গে চালাকি নয়

বরগুনার আলো

প্রকাশিত: ১৭ মার্চ ২০২০  

 


শিশুর বেড়ে ওঠা নিয়ে অভিভাবকদের থাকে নানা ধরনের চিন্তা। যেমন আজকাল শিশুরা ফোনে বা ট্যাবে গেম খেলে অনেক সময় পার করে। তার পরিবর্তে খোলা মাঠে গিয়ে খেলার প্রতি তাদের আগ্রহ কম। 

মায়েরা এটা নিয়ে হয়ত শিশুর হাত থেকে ফোনটি নিয়ে নিচ্ছেন, তাকে বকা দিচ্ছেন। তাদের মনযোগ অন্যদিকে নিতে মিথ্যা বলছেন বা কোনো চালাকি করছেন। 

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ টুঙ্গিপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। স্বাধীনতার মহানায়ক বঙ্গবন্ধুর জন্মদিনটি জাতীয় শিশু দিবস হিসেবে উদযাপিত হয়। 

বিশেষ এই দিনটিতে জেনে নিন, শিশুদের ব্যক্তিত্বের সঠিক বিকাশের জন্য যা করতে হবে: 

শিশুর সব কাজেই বড়রা যদি বাধা দেন, নিষেধ করেন, বিশেষ করে সরাসরি ‘না’ বলে দেন, তবে তা শিশুর মানসিক বিকাশে প্রভাব ফেলে। 

প্রতিনিয়ত কত ‘না’ বলতে হয়। সবচেয়ে বেশি বলতে হয় বাবা-মাকে। বাচ্চাদের আবদার মেটানো না গেলেই ‘না’র ব্যবহার জরুরি হয়ে পড়ে। এসময় বাচ্চাদের অনেক গুছিয়ে ‘না’ বলতে হবে। সন্তানের মুখের ওপর ‘না’ বলাটাও মায়েদের জন্যও একটা চাপ হয়ে থাকে। 

শিশু পড়তে বা মাঠে খেলার চেয়ে ফোন নিয়েই বসে থাকছে বা টিভি দেখছে। এ অবস্থায় আপনার ‍সুরটাই নরম করতে হবে। বলুন নিশ্চয়ই গেম খেলতে দেবেন তবে এখনই না। আগে একটু পড়া শেষ করো তারপর। এভাবেও বলা যায়, তুমি যদি আজ বন্ধুদের সঙ্গে আধাঘণ্টা বাইরে খেলতে যাও তবে তোমাকে পছন্দের গেম খেলতে দেওয়া হবে। 

গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে, শিশুদের সঙ্গে চালাকি করা যাবে না। তাদের কোনো কথা দিলে সেই কথা রাখতে হবে। না হলে কিন্তু শিশুরা আস্থা হারিয়ে ফেলবে ও তারাও মিথ্যা বলতে শুরু করবে।  

তার ভালো কাজের প্রশংসা করুন। ছোট ছোট বিষয়ে শিশুকে সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব দিন। এতে তার ব্যক্তিত্ব গঠনে সহায়ক হবে। 

নিজের নিরাপত্তা সম্পর্কে সচেতন করে ছোটবেলা থেকেই গড়ে তুলুন সন্তানকে। তাকে দেশ ও মানুষকে ভালোবাসতেও শেখাতে হবে ছোট থেকেই। 

বরগুনার আলো
এই বিভাগের আরো খবর