• শনিবার   ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২০ ||

  • আশ্বিন ৪ ১৪২৭

  • || ০১ সফর ১৪৪২

বরগুনার আলো
ব্রেকিং:
নারায়ণগঞ্জের মসজিদে বিস্ফোরণে মৃত্যু বেড়ে ৩৩ আহমদ শফী কওমি শিক্ষার আধুনিকায়নে ভূমিকা রেখেছেন: প্রধানমন্ত্রী না.গঞ্জে মসজিদে বিস্ফোরণে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩২ করোনায় ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ৩৬, শনাক্ত ১৫৯৩ সরকার ওজোনস্তর রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে: পরিবেশ মন্ত্রী শামুকের পাশাপাশি ঝিনুকও সংরক্ষণ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী করোনায় ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ৪৩, শনাক্ত ১৭২৪ পাটকল শ্রমিকদের পাওনা পরিশোধের কার্যক্রম শুরু তুরস্কে বাংলাদেশ চ্যান্সারি ভবন উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী করোনায় ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ২৬, শনাক্ত ১৮১২ এবার দুদকের মামলায় ওসি প্রদীপ গ্রেপ্তার প্রধানমন্ত্রী কাল আঙ্কারায় বাংলাদেশ চ্যান্সেরির উদ্বোধন করবেন প্রতিবেশীদের সাথে বাংলাদেশের আস্থার সম্পর্ক: ওবায়দুল কাদের ইউএনও’র ওপর হামলা: মালি রবিউল ৬ দিনের রিমান্ডে ২০২২ সালের মধ্যে ঢাকা-কক্সবাজার সরাসরি ট্রেন চলবে: রেলমন্ত্রী করোনায় ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ৩৪, শনাক্ত ১২৮২ শিক্ষার্থীদের আমরা এক হাজার করে টাকা দেব: প্রধানমন্ত্রী সিনহা হত্যা: জবানবন্দি শেষে কারাগারে চার পুলিশ করোনায় ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ৩৬, শনাক্ত ১৮৯২ বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ মোস্তফা কামালের মা আর নেই
২৮০

ভাদ্রের ভ্যাপসা গরমে সুস্থ থাকবেন যেভাবে

বরগুনার আলো

প্রকাশিত: ২ সেপ্টেম্বর ২০১৯  

বর্তমানে ভাদ্রের ভ্যাপসা গরমে সুস্থ সবল মানুষও নাজেহাল। ভেবে দেখুন শিশু, গর্ভবতী মহিলা, বয়স্ক মানুষ ও বিভিন্ন রোগে আক্রান্তদের অবস্থা কী? কাজেই এমন গরমে শুধু এসির উপর ভরসা না করে এর প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে৷ নইলে বার বার অসুস্থ হয়ে পড়তে পারেন৷

ভাদ্রের ভ্যাপসা গরমে কি ধরনের অসুস্থতা হতে পারে সে সম্পর্কে ধারণা নেওয়া যাক-

* এমন গরমে অতিরিক্ত কাজ, খেলা বা ব্যায়াম করলে পেশিতে তীব্র ব্যথা হতে পারে৷ একে বলে হিট ক্র্যাম্প৷

* ঘাম ও চড়া রোদের কারণে র‌্যাশ বেরোতে পারে চামড়ায়৷

* রান্নারান্না সেরেই এসি চালিয়ে বিশ্রাম নিলে, বাইরে থেকে এসে ঘাম না শুকিয়ে ঠাণ্ডা পানি খেলে বা ঠাণ্ডা ঘরে বসে পড়ার মতো অনিয়ম করলে জ্বর, সর্দি ও কাশি এড়ানো খুবই কঠিন৷

* ভাদ্রের রোদের দিন হিট এক্সারসানে খুব বেশি ঘাম হয়৷ রোগী ক্লান্ত ও দুর্বল হয়ে পড়েন৷ দ্রুত শ্বাস পড়ে৷ তাড়াতাড়ি ব্যবস্থা না নিলে এখান থেকে হিট স্ট্রোক হওয়ার আশঙ্কা প্রবল৷

* হিট সিনকোপ নামের সমস্যায় রোগী হঠাৎ অজ্ঞান হয়ে যেতে পারেন।

* হিট স্ট্রোকে তাপ নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা কম থাকায় হঠাৎ শরীরের তাপ বেড়ে যেতে পারে৷ তা ১০৫ ডিগ্রির উপরও হতে পারে৷ এটা কিন্তু জ্বর নয়৷ এর সঙ্গে ঘাম হয় না বলে শরীরের তাপ বেরোতে পারে না৷ এর ফলে বিপদ বাড়ে৷

* ভাদ্রে সারাদিন খুব ভ্যাপসা গরমের পর সন্ধ্যার দিকে ঝড়বৃষ্টি এলে হঠাৎ ৭–৮ ডিগ্রি তাপমাত্রা কমে যায়। অ্যাজমা রোগীদের এই সময় যত্নে রাখুন। তাপমাত্রার ওঠানামায় এদের অ্যাটাক হতে পারে৷

এসব বিপদ ঠেকাতে যা করবেন 

* প্রসাব হলুদ হলে বা প্রসাবের পরিমাণ কমে গেলে পানি খাওয়ার পরিমাণ বাড়ান৷ পানি খাওয়ায় বিধি-নিষেধ থাকলে ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

* ডিহাইড্রেশন এড়াতে কফি ও কোমল পানীয় খাওয়া কমান৷ হালকা খাবার খান, পেট একটু খালি রাখুন৷ বেশি খেয়ে রোদে বেরুবেন না আবার খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে শুয়েও পড়বেন না৷

* চড়া রোদ এড়ানো সম্ভব না হলে বেরুনোর আগে এক গ্লাস পানি খান৷ প্রেসার-সুগার না থাকলে লবণ-চিনির পানি বা ও্যর স্যালাইন খেতে পারেন৷ ডাবের পানি, টাটকা ফলের রস বা ঘোলও খেতে পারেন৷

* রোদে বেরুলে ছাতা, টুপি, সানগ্লাস ও হালকা সুতির পোশাক পরুন।

* রোদে বা গরমের মধ্যে অনেকক্ষণ টানা কাজ করবেন না৷ কাজের ফাঁকে ঠাণ্ডা জায়গায় বসে বিশ্রাম নিয়ে আবার কাজে ফিরুন৷

* হাঁপানি রোগীরা অবস্থা বুঝে এই সময় ইনহেলারের একটা পাফ নিন৷ বা যদি মনে হয় কষ্ট শুরু হতে পারে চিকিৎসকের পরামর্শ মতো ওষুধের ডোজ বাড়াতে পারেন।

* পেশিতে ব্যথা হলে অপেক্ষাকৃত ঠান্ডা জায়গায় গিয়ে ব্যথা না কমা পর্যন্ত বিশ্রাম নিন৷ ও্যর স্যালাইন খেতে পারেন।

* হিট এক্সারশন হলে গরম থেকে সরে গিয়ে বিশ্রাম নিন৷ কষ্ট না কমা পর্যন্ত স্যালাইন পানি বা ডাবের পানিও খেতে পারেন৷ কষ্ট কমতে শুরু করার পর হাত-মুখ ধুয়ে ফ্যান বা এসি চালিয়ে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিন৷

* অজ্ঞান হয়ে গেলে খুব তাড়াতাড়ি তাকে গরম থেকে সরিয়ে ঠান্ডা পানি দিয়ে বার বার শরীর মুছে এবং মাথা ধোয়াতে থাকুন৷ ফ্যান বা এসি চালিয়ে দিন৷ স্বাভাবিক ঠাণ্ডা পানিতে গোসলও করাতে পারেন৷ পানি শূন্যতা পূরণের জন্য ডাবের পানি কিংবা ও্যর স্যালাইন খাওয়ান। বেশি জটিল মনে হলে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন।

বরগুনার আলো
লাইফস্টাইল বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর