• শুক্রবার   ১০ এপ্রিল ২০২০ ||

  • চৈত্র ২৬ ১৪২৬

  • || ১৬ শা'বান ১৪৪১

বরগুনার আলো
ব্রেকিং:
আমতলী আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক বঙ্গবন্ধুর খুনি মাজেদের প্রাণভিক্ষার আবেদন খারিজ নিয়োগ পেলেন নতুন আইজিপি বেনজীর, র‌্যাব মহাপরিচালক মামুন মাজেদের মৃত্যু পরোয়ানা জারি যারা সাহায্য চাইতে পারবে না তাদের তালিকা করতে বললেন প্রধানমন্ত্রী দেশে করোনায় আরও ৫ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত বেড়ে ১৬৪ কারাগারে বঙ্গবন্ধুর পলাতক খুনি ক্যাপ্টেন মাজেদ বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত খুনি ক্যাপ্টেন মাজেদ আদালতে বঙ্গবন্ধু হত্যা: আত্মস্বীকৃত খুনি ক্যাপ্টেন মাজেদ গ্রেফতার চিকিৎসকরা কেন চিকিৎসা দেবে না, এটা খুব দুঃখজনক : প্রধানমন্ত্রী দীর্ঘদিন জেলখাটা আসামিদের মুক্তির নীতিমালা করার নির্দেশ রমজানে সরকারি অফিস ৯টা থেকে সাড়ে ৩টা প্রণোদনা প্যাকেজ বাস্তবায়ন হলে অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াবে: অর্থমন্ত্রী করোনা: ৭৩ হাজার কোটি টাকার আর্থিক সহায়তা প্যাকেজ ঘোষণা বেসরকারি হাসপাতাল চিকিৎসা না দিলেই ব্যবস্থা: স্বাস্থ্যমন্ত্রী প্রতি উপজেলা থেকে নমুনা সংগ্রহ করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর মানুষের পাশে না দাঁড়িয়ে সমালোচনা করছে বিএনপি : কাদের দেশে আক্রান্তদের মধ্যে এ পর্যন্ত ২৬ জন সুস্থ : স্বাস্থ্যমন্ত্রী সেনাবাহিনী কতদিন মাঠে থাকবে সরকার বিবেচনা করবে: সেনাপ্রধান করোনায় খাদ্য ঘাটতি হবে না : কৃষিমন্ত্রী
১৪৬

ভুল মাস্ক ব্যবহারে যেভাবে ছড়াচ্ছে করোনাভাইরাস

বরগুনার আলো

প্রকাশিত: ২৪ মার্চ ২০২০  

করোনাভাইরাস প্রতিরোধে মাস্ক ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক। তবে সবাই কি মাস্ক সঠিকভাবে ব্যবহার করছি? অথবা আপনার ব্যবহৃত মাস্কটি আদৌ আপনাকে সুরক্ষা দিচ্ছে কিনা জানেন? অথচ অনেকেই মাস্ক ব্যবহার করতে হবে বলে যাচাই বাছাই ছাড়া মাস্ক কিনে ব্যবহার করছেন। এর থেকে করোনার ঝুঁকি আরো বাড়ছে বলে মন্তব্য বিশেষজ্ঞদের।

কী ধরনের মাস্ক ব্যবহার করছে জনসাধারণ?

বর্তমানে রাস্তায় বের হলে বেশিরভাগ মানুষের মুখেই যেসব মাস্ক দেখা যাচ্ছে, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে- এন৯৫ মাস্ক, তিন স্তর বিশিষ্ট ডিসপোজাল সার্জিক্যাল মাস্ক, গেঞ্জি কাপড় ও স্পঞ্জের মাস্ক, কাপড়ের তৈরি মাস্ক, ওড়না বা রুমাল বেঁধে মাস্কের মতো ব্যবহার।

এতে কি কোনো লাভ হচ্ছে?

ভারতীয় বিভিন্ন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা সোজা কথায় বলেছেন মাস্কের মাধ্যমে তেমন কোনো কাজ হবে না। এই বিষয়টির সঙ্গে একমত পোষণ করেছেন মেডিসিন ও সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞ অমিতাভ নন্দী, বক্ষরোগ বিশেষজ্ঞ সুমিত সেনগুপ্ত, ভায়ারোলজিস্ট সুশ্রুত বন্দ্যোপাধ্যায়। তাদের মতে, এই ধরনের ভাইরাস কখননো মাস্ক দিয়ে ঠেকানো সম্ভব নয়।

তবে কি মাস্ক পরা মানা!

অবশ্যই মাস্ক পরতে হবে। তবে কারা পরবেন, আর কে পরবেন না, সে বিষয়ে বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন-

>এন৯৫ মাস্ক একমাত্র তখনই প্রয়োজন যখন কেউ সরাসরি রোগীর কাছে থাকেন। এক্ষেত্রে চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীরা তা ব্যবহার করবেন। এমনকি যারা রোগীর এক মিটারের মধ্যে থাকবেন তারা এটি ব্যবহার করবেন।

>সার্জিক্যাল বা অন্য ধরনের মাস্ক করোনা ঠেকাতে কোনো কাজে দেয় না। তবে যাদের সর্দি-কাশি হচ্ছে, তারা এই সার্জিক্যাল মাস্ক পরুন। সেটা নিজের জন্য নয়, অন্যের শরীরে রোগ না ছড়ানোর সচেতনতা থেকে।

>এছাড়া অন্যান্য বিভিন্ন ধরনের মাস্ক বিশেষভাবে কার্যকরী নয় করোনাভাইরাস ঠেকাতে। বার বার মাস্কে হাত দিলে তা আরো বিপদ ডেকে আনে।

মাস্ক যখন বিপদের কারণ হয়ে দাঁড়ায়

>এন৯৫ মাস্কের মাধ্যমে ৯৫ শতাংশ ভাইরাস মরে। তবে এই মাস্ক সবসময় পরে থাকা যায় না। একটানা ১০ মিনিট পরে থাকলেও নানা সমস্যা হয়। নাক-কানে চাপ পড়ে। কানে ব্যথা হয়। একটা সময়ের পর দমবন্ধ লাগে। তাই এই মাস্ক পরলে বারবার তা নামিয়ে রাখতে বাধ্য হন মানুষ। কখনো নাকে-মুখে হাত দিয়ে তা ঠিক করতে হয়। এতেই ক্ষতি বাড়ে।  

>আর অন্যান্য মাস্ক এক্ষেত্রে খুব একটা কাজে লাগে না। তাছাড়া যেখানে সেখানে দমবন্ধ ভাবসহ গরম লাগলেও অনেকে হাত দিয়ে মাস্ক খুলে ফেলছেন। এতেও বিপদ বাড়ছে।

>মাস্ক পরার পর মাঝেমধ্যেই তা ঠিক করতে অনেকেই নাকে বা কানে হাত দিচ্ছেন। এতে হাতের জীবাণু মাস্ক থেকে অতঃপর শরীরে প্রবেশ করছে। মাস্কের উপরিভাগের জীবাণু মিশছে হাতে। ফলে কাজের কাজ তো হচ্ছেই না বরং বিপদ আরো বাড়ছে।

বরগুনার আলো
লাইফস্টাইল বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর