• শনিবার   ৩১ অক্টোবর ২০২০ ||

  • কার্তিক ১৫ ১৪২৭

  • || ১৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

বরগুনার আলো
ব্রেকিং:
কারিগরি-জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষা হবে : শিক্ষামন্ত্রী করোনায় ২৪ ঘণ্টায় ২৫ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ১৬৮১ ১২ বছরে ৪৫০ কিলোমিটার মহাসড়ক ৪ লেনে উন্নীত: কাদের রায়হান হত্যা: এএসআই আশেক এলাহী গ্রেফতার করোনার কারণে ২০২১ সালে হবে না বই উৎসব: শিক্ষামন্ত্রী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি বাড়ল ১৪ নভেম্বর পর্যন্ত ব্লকচেইন আগামী প্রযুক্তির নিরাপদ ভিত্তি: পলক করোনায় ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ২৩, শনাক্ত ১৪৯৩ স্কুল বাস সার্ভিসে নারী চালক সম্পৃক্ত করা জরুরি: সেতুমন্ত্রী দেশের মানুষের ভরসা ও বিশ্বাসের প্রতীক সেনাবাহিনী: প্রধানমন্ত্রী ৩ দিনের রিমান্ডে ইরফান ও সহযোগী জাহিদ প্রকল্পের বিরুদ্ধে মামলা হলে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা: প্রধানমন্ত্রী রিফাত হত্যা: অপ্রাপ্তবয়স্ক ৬ জনের ১০ বছরের কারাদণ্ড হাজী সেলিমের ছেলের ১ বছরের কারাদণ্ড করোনায় ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ১৫, শনাক্ত ১৪৩৬ সাংসদ হাজী সেলিমের ছেলে ইরফান গ্রেপ্তার কেউ অপরাধ করলে তাকে আইনের মুখোমুখি হতে হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ষড়যন্ত্রকারীরাই গণতন্ত্রের মুখোশপড়া ফেরিওয়ালা: কাদের মিল মালিক, পাইকার ও ফড়িয়ারা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত: কৃষিমন্ত্রী করোনায় ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ২৩, শনাক্ত ১৩০৮

ভূমিহীনদের ২ শতাংশ জমি দেয়া হবে: ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী

বরগুনার আলো

প্রকাশিত: ১৩ অক্টোবর ২০২০  

যাদের ভূমি নেই তাদের ২ শতাংশ জমি দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান। আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস-২০২০ উপলক্ষে সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান। 

প্রতিমন্ত্রী জানান, চলতি অর্থবছরে ১৭ হাজার ৫০০ পরিবারকে দুর্যোগ সহনীয় ঘর দিয়েছে মন্ত্রণালয়। প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা দিয়েছেন- বাংলাদেশের কোনো মানুষ গৃহহীন থাকবে না। সে উপলক্ষে একটি তালিকাও করা হয়েছে। সেখানে ৮ লাখ ৮৩ হাজার ৩৩টি পরিবারের তালিকা করা হয়েছে। যাদের ভূমি নেই তাদের ২ শতাংশ জমি দেয়া হবে এবং পাকা ঘর করে দেয়া হবে। আর যাদের ভূমি আছে কিন্তু ঘর নেই, তাদের ঘর করে দেয়া হবে।

তিনি বলেন, এরইমধ্যে ৫৯ হাজার ঘর নির্মাণে অর্থ বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। ঘর তৈরির কাজ খুব শিগগিরই শুরু হবে। যারা ঘর পেয়েছেন তাদের মধ্যে থেকে তিন জনের অভিজ্ঞতা শুনবেন প্রধানমন্ত্রী। 

চলতি অর্থবছরে ২২০টি ঘূর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্র ও ৪২৩টি বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র করা হয়েছে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, এছাড়া ৫৫০টি মুজিব কিল্লা নির্মাণ চলমান আছে। ৬৪ জেলায় ৬৬টি ত্রাণ গুদাম নির্মাণ করছি। কাজ প্রায় শেষের দিকে। এগুলো হয়ে গেলে ত্রাণ সহায়তা আরো দ্রুত আমরা মানুষের কাছে নিয়ে যেতে পারবো। 

তিনি বলেন, দুর্যোগ কবলিত এলাকায় মানুষকে উদ্ধার, গবাদিপশু উদ্ধার, ত্রাণসামগ্রী বিতরণের জন্য আমরা প্রতিবন্ধীবান্ধব ৬০টি মাল্টিপারপাস রেসকিউ বোট তৈরির কাজ শুরু করেছি। এক মিটার গভীরতায়ও এই বোটগুলো চলতে পারে। 

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় সুশাসনের ওপর এবার গুরুত্ব দেয়া হয়েছে জানিয়ে ডা. মো. এনামুর রহমান বলেন, এই সুশাসন শুধু সরকারিভাবে নয়। সবাই মিলেই দেশটাকে এগিয়ে নিতে হবে। আর এই সুশাসনের মাধ্যমে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনাও একটি টেকসই ব্যবস্থাপনা হবে। তার ওপর ভিত্তি করে টেকসই বাংলাদেশ হবে।

বরগুনার আলো