শনিবার   ১৮ জানুয়ারি ২০২০   মাঘ ৪ ১৪২৬   ২২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১

বরগুনার আলো
ব্রেকিং:
বিপিএলে প্রথম শিরোপার স্বাদ পেলো রাজশাহী আদালতে মজনুর স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সাউন্ড সিস্টেমে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা যাবে ১ ফেব্রুয়ারি থেকে এসএসসি শুরু প্রথম আলোর সম্পাদকসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা আমরা ক্রসফায়ারকে সাপোর্ট করতে পারি না : ওবায়দুল কাদের পোশাক রপ্তানিকে ছাড়িয়ে যাবে আইসিটি : জয় বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্ব শুরু কাল বিশ্ব ইজতেমার ২য় পর্বে ময়দানে আসতে শুরু করেছেন মুসল্লিরা অন্ধকার ভেদ করে আলোর পথে বাংলাদেশ: সংসদে প্রধানমন্ত্রী রিফাত হত্যা : দুই আসামি জামিনে মুক্ত দুর্নীতি মামলা : বিএনপি প্রার্থী ইশরাকের বিচার শুরু কাদেরের বাইপাস পরবর্তী স্বাস্থ্যের উন্নতি, দেশে ফিরছেন রাতেই  এসডিজি অর্জনে বাংলাদেশ সঠিক পথে রয়েছে : প্রধানমন্ত্রী আবুধাবি থেকে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী সরকারের জনপ্রিয়তা অনেক বেড়েছে: আইআরআই ওমানের সুলতানের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোকবার্তা আবুধাবি থেকে দেশের পথে প্রধানমন্ত্রী পদ্মাসেতুতে বসলো ২১তম স্প্যান,দৃশ্যমান হলো ৩ হাজার ১৫০ মিটার রিট খারিজ, নির্ধারিত তারিখেই হচ্ছে ঢাকার দুই সিটি নির্বাচন
১০৫

ভয়ঙ্কর খাদ্য সংকটের মুখোমুখি হতে যাচ্ছে বিশ্ব

প্রকাশিত: ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৯  

আবহাওয়া পরিবর্তন ও বিশ্ব উষ্ণায়ন এই মুহূর্তে পুরো বিশ্বের জন্য একটি বড় সমস্যা। আবহাওয়া পরিবর্তন আগামী দিনগুলোতে খাদ্য সুরক্ষার ক্ষেত্রে ভয়ঙ্কর প্রভাব ফেলতে পারে।

জাতিসংঘের একটি নতুন প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে আগামী ২০৫০ সালের মধ্যে পৃথিবীতে খাদ্য উৎপাদনের হার অনেকটাই কমে যাবে। পরিসংখ্যান বলছে, খাদ্যের চাহিদা প্রায় ৫০ শতাংশ বেড়ে যাবে তখন। আর উৎপাদন কমে যাবে প্রায় ৩০ শতাংশ।

জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব বান কি মুন পরিচালিত ‘দ্য গ্লোবাল কমিশন অন অ্যাডাপ্টেশন’ (জিসিএ) জানিয়েছে, আগামী দিনে ভয়ঙ্কর খাদ্য সংকটের মুখোমুখি হতে চলেছে পুরো বিশ্ব।

ওই সংস্থার আওতায় রয়েছে ১৯টি দেশ। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পুরো পৃথিবী জুড়ে চাষাবাদের বহু জমির উর্বরতা নষ্ট হয়ে যাবে। জমিগুলো উৎপাদন ক্ষমতা হারাবে। তৈরি হবে মরুভূমি। খাদ্য সংকটের ফলে দেখা দেবে বৈষম্য। ফলে বিভিন্ন প্রজাতি অবলুপ্তির দিকে এগিয়ে যাবে।

জাতিসংঘের কর্মকর্তা ইব্রাহিম থিয় এই প্রতিবেদন প্রকাশের সময় বলেন, ২০৫০ সালে ১০০ কোটি মানুষের খাদ্যের চাহিদার জন্য আরও ৫০ শতাংশ বেশি খাদ্যের উৎপাদন প্রয়োজন। যেহেতু আমরা আবহাওয়া পরিবর্তন রুখতে ব্যর্থ হচ্ছি, সেক্ষেত্রে কৃষি বিষয়ক গবেষণাকে আরো উচ্চ পর্যায়ে নিয়ে যেতে হবে আমাদের। বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও আর্থিক সাহায্যের মাধ্যমে কৃষকদের পাশে দাঁড়াতে হবে। কারণ আবহাওয়া পরিবর্তনের ফলে তারাই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

এই বিভাগের আরো খবর