শনিবার   ১৮ জানুয়ারি ২০২০   মাঘ ৪ ১৪২৬   ২২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১

বরগুনার আলো
ব্রেকিং:
বিপিএলে প্রথম শিরোপার স্বাদ পেলো রাজশাহী আদালতে মজনুর স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সাউন্ড সিস্টেমে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা যাবে ১ ফেব্রুয়ারি থেকে এসএসসি শুরু প্রথম আলোর সম্পাদকসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা আমরা ক্রসফায়ারকে সাপোর্ট করতে পারি না : ওবায়দুল কাদের পোশাক রপ্তানিকে ছাড়িয়ে যাবে আইসিটি : জয় বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্ব শুরু কাল বিশ্ব ইজতেমার ২য় পর্বে ময়দানে আসতে শুরু করেছেন মুসল্লিরা অন্ধকার ভেদ করে আলোর পথে বাংলাদেশ: সংসদে প্রধানমন্ত্রী রিফাত হত্যা : দুই আসামি জামিনে মুক্ত দুর্নীতি মামলা : বিএনপি প্রার্থী ইশরাকের বিচার শুরু কাদেরের বাইপাস পরবর্তী স্বাস্থ্যের উন্নতি, দেশে ফিরছেন রাতেই  এসডিজি অর্জনে বাংলাদেশ সঠিক পথে রয়েছে : প্রধানমন্ত্রী আবুধাবি থেকে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী সরকারের জনপ্রিয়তা অনেক বেড়েছে: আইআরআই ওমানের সুলতানের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোকবার্তা আবুধাবি থেকে দেশের পথে প্রধানমন্ত্রী পদ্মাসেতুতে বসলো ২১তম স্প্যান,দৃশ্যমান হলো ৩ হাজার ১৫০ মিটার রিট খারিজ, নির্ধারিত তারিখেই হচ্ছে ঢাকার দুই সিটি নির্বাচন
১৪২

মনের চোখ দিয়েই অন্ধ পর্যটকের ১৩০ দেশ ভ্রমণ!

প্রকাশিত: ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯  

মানুষের ইচ্ছা শক্তিই তাকে আরো বেশি আত্মবিশ্বাসী করে তুলে। আর তার বাস্তব উদাহরণ ব্রিটিশ নাগরিক টনি জাইলস। অন্ধ হওয়ার পরেও নিজের ইচ্ছে শক্তি কারণে ভ্রমণ করেছেন ১৩০ টি দেশ। শুধু এখানেই শেষ নয়, বিশ্বের সবগুলো দেশ ঘুরে দেখার স্বপ্ন পোষণ করেন অন্ধ এই পর্যটক। নিজের এই শারীরিক প্রতিবন্ধকতা তাকে যেন ভ্রমণের নেশা থেকে একটুও দূরে সরাতে পারে নি। 

তবে যে ব্যক্তি চোখে দেখেন না আবার কানেও শোনে না সে কিভাবে এতগুলো দেশ ভ্রমণ করেন? এমন প্রশ্ন স্বভাবতই সবার মনে উঁকি দেয়। আর এই প্রশ্নের জবাব দিলেন স্বয়ং টনি জাইলস। 

তিনি বলেন, আমি মানুষের কথা শুনি, পাহাড়ে উঠি, সবকিছু আমি আমার স্পর্শ এবং পায়ের মাধ্যমে অনুভব করি। ওভাবেই আমি এক একটি দেশ দেখি।

গত ২০ বছরে বিভিন্ন দেশ ঘুরে বেড়িয়েছেন জাইলস। আর এসময় তার এক গ্রিক তরুণীর সঙ্গে দেখা হয়। যিনি নিজেও অন্ধ এবং জাইলসের এখন ভাল বান্ধবী। গত বছর বান্ধবীর সঙ্গে রাশিয়া ঘুরে বেড়িয়েছিলেন তিনি। বিশ্বের বৃহত্তম এই দেশটির এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে ট্রেন দিয়ে ঘুরে বেড়িয়েছেন তারা। 

জাইলসের ভ্রমণের এই টাকা আসে তার বাবার পেনশনের টাকা থেকেই। যার কারণে আগে থেকেই ভ্রমণের পরিকল্পনা করতে হয় তার। তার প্লেনের টিকেট কাটার জন্য তার মা তাকে সাহায্য করেন বলে বিবিসে জানান বিশেষভাবে সক্ষম এই মানুষটি। কেননা অধিকাংশ এয়ারলাইন্স কোম্পানিতেই অন্ধদের জন্য যথেষ্ট সুবিধা নেই।

এছাড়া বিভন্ন দেশে তাকে থাকার জন্য যারা সাহায্য করেন তাদের সঙ্গে আগেই কথা বলে নেন জাইলস। এ বিষয়ে তিনি জানান, আমি কোনো বই বা ট্র্যাভেল গাইড দেখে ঠিক করতে পারি না যে একটি দেশের কোথায় কোথায় আমি যাবো। ঐ তথ্যগুলো ভ্রমণের আগেই জানতে হয় আমার। তাই আমি আগে থেকেই আমার ভ্রমণের পরিকল্পনা করে ফেলি। 

এছাড়া সব অঞ্চলের স্থানীয় খাবার খাওয়াও তার ভ্রমণের অন্যতম লক্ষ্য থাকে। জাইলস অনেক দর্শনীয় জায়গায় গিয়েছেন এবং অনেক জায়গার ছবিও তুলেছেন। সেসব ছবি জাইলস নিজে হয়তো উপভোগ করতে পারেন না, তবে তার ওয়েবসাইটগুলোতে দর্শকরা সেসব ছবি দেখে বিশ্বের নানা জায়গা সম্পর্কে জানতে পারেন।

অনেকসময় মানুষ তার ভ্রমণের নেশা দেখে অবাক হয়ে যায়। কিন্তু তারা তো জানে না, একজন অন্ধ ব্যক্তিও পৃথিবীর রূপ-রস-গন্ধ উপভোগ করতে পারে, যদি তার একটা মনের চোখ তৈরি হয়। আর জাইলসের সেই মনের চোখটা আছে, যা দিয়ে তিনি গোটা দুনিয়া ঘুরে দেখতে চান।

এই বিভাগের আরো খবর