• বুধবার   ০৩ জুন ২০২০ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ২০ ১৪২৭

  • || ১১ শাওয়াল ১৪৪১

বরগুনার আলো
ব্রেকিং:
গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় ৩৭ মৃত্যু, শনাক্ত আরও ২৬৯৫ আজ থেকে চলবে আরও ৯ জোড়া ট্রেন হাসপাতাল থেকে রোগী ফেরানো শাস্তিযোগ্য অপরাধ: তথ্যমন্ত্রী যেকোনো প্রতিবন্ধকতা মোকাবিলা করে এগিয়ে যেতে পারব: প্রধানমন্ত্রী সময় যত কঠিনই হোক দুর্নীতি ঘটলেই আইনি ব্যবস্থা: দুদক চেয়ারম্যান জেলা হাসপাতালগুলোতে আইসিইউ ইউনিট স্থাপনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর করোনা বিশ্ব বদলে দিলেও বিএনপিকে বদলাতে পারেনি: কাদের করোনায় ২৪ ঘণ্টায় ৩৭ মৃত্যু, শনাক্ত ২৯১১ সীমিত আকারে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার নির্দেশনা খাদ্য উৎপাদন আরও বাড়াতে সব ধরনের প্রচেষ্টা চলছে: কৃষিমন্ত্রী সারা দেশকে লাল, সবুজ ও হলুদ জোনে ভাগ করা হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ২৩৮১ জনের করোনা শনাক্ত পুরোপুরি স্বাস্থ্যবিধি মেনে ট্রেন চলছে: রেলমন্ত্রী দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ২৫৪৫ জনের করোনা শনাক্ত, মৃত্যু ৪০ জন বাস ভাড়া যৌক্তিক সমন্বয়, প্রজ্ঞাপন আজই: ওবায়দুল কাদের এখনই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলবো না: প্রধানমন্ত্রী ভিডিও কনফারেন্সে এসএসসির ফল প্রকাশ করলেন প্রধানমন্ত্রী আগামীকাল ১২টার পরিবর্তে ১১টায় প্রকাশ হবে এসএসসির ফল করোনায় ২৪ ঘণ্টায় ২৮ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ১৭৬৪ পদ্মাসেতুর সাড়ে ৪ কি.মি. দৃশ্যমান, বসল ৩০তম স্প্যান
৬৩১

মনোনয়ন বাণিজ্যের ২’শ কোটি টাকা জাইমা রহমানের ব্যাংক একাউন্টে

বরগুনার আলো

প্রকাশিত: ১ জুলাই ২০১৯  

সুইজারল্যান্ডের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী, গত এক বছরে বাংলাদেশ থেকে এক হাজার তিনশ কোটি টাকা বিভিন্ন অ্যাকাউন্টে জমা হয়েছে। তবে প্রাথমিক অনুসন্ধানে দেখা যাচ্ছে ওই টাকা হুন্ডির মাধ্যমে প্রথমে গেছে সিঙ্গাপুরে। সিঙ্গাপুর হয়ে পরবর্তীতে গেছে সুইস ব্যাংকে।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, সুইস ব্যাংকে তারেক রহমানের মেয়ে জাইমা রহমানের ২টি অ্যাকাউন্ট রয়েছে। গত বছরের ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত এই দুই অ্যাকাউন্টে বাংলাদেশি টাকায় অন্তত ২’শ কোটি টাকা জমা হয়েছে। এছাড়া তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জোবায়দা রহমানের নামে রয়েছে আরও ২টি অ্যাকাউন্ট। সেগুলোতে জমা পড়েছে ১৭৫ কোটি টাকা। তারেকের প্রয়াত ভাই কোকোর স্ত্রী শর্মীলা রহমান সিঁথির একটি অ্যাকাউন্টে জমা পড়েছে ১২৫ কোটি টাকা।

ধারণা করা হচ্ছে যে, একাদশ জাতীয় নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন বাণিজ্যের টাকাই সুইস ব্যাংকে জিয়া পরিবারের অ্যাকাউন্টগুলোতে জমা পড়েছে। প্রাপ্ত তথ্যে দেখা যায়, গত বছরের বিভিন্ন সময় শুধু জিয়া পরিবারের ৩ সদস্যের নামেই প্রায় ৫শ কোটি টাকা জমা পড়েছে। টাকাগুলো জমা পড়েছে জুলাই থেকে ডিসেম্বর মাসের মধ্যে। এতে করে বুঝতে অসুবিধা হয় না যে, মনোনয়ন বাণিজ্য করেই এতগুলো টাকা ব্যাংক অ্যাকাউন্টগুলোতে জমানো হয়েছে।

শুধু জিয়া পরিবারের ৩ সদস্যই নয়, সুইজারল্যান্ডের বিভিন্ন ব্যাংকে অ্যাকাউন্ট আছে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টু এবং তার পুত্র তাবিথ আউয়ালের। আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীরও একটি অ্যাকাউন্ট পাওয়া গেছে দেশটির একটি ব্যাংকে। এছাড়া অ্যাকাউন্ট আছে, বিএনপির অন্যতম নেতা মোরশেদ খান এবং তার ছেলে ফয়সাল খানের নামেও। সব মিলে সুইজারল্যান্ডের কয়েকটি ব্যাংকে শুধু বিএনপি নেতৃবৃন্দের নামেই আছে প্রায় হাজার কোটি টাকার মতো।

এছাড়া শান্তিতে নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনুসের গ্রামীণ সোশ্যাল বিজনেস (সামাজিক ব্যবসা) এর নামেও সুইস ব্যাংকে ২টি অ্যাকাউন্ট রয়েছে। ওখানে তার একটা স্থায়ী আমানত আছে। নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়ে যে অর্থ তিনি পেয়েছিলেন তার পুরোটাই তিনি সেখানে জমা রেখেছেন বলে ধারণা করা হয়। ওই টাকা তিনি দেশে আনেননি। এছাড়াও ড. ইউনুস বিভিন্ন দেশে যে সামাজিক যোগাযোগ ব্যবসা করছেন এবং বক্তৃতা দিচ্ছেন সেই টাকা সুইস ব্যাংকেই তিনি জমা রাখছেন বলে জানা যায়।

দায়িত্বশীল সূত্রগুলো বলছে, লন্ডনে কঠোর নজরদারি থাকার কারণে তারেক রহমানের পরিবার টাকা লেনদেনের নিরাপদ জায়গা হিসেবে সুইজারল্যান্ডকে বেছে নিয়েছে। কারণ এখানে গোপনীয়তা রক্ষা করা হয় এবং টাকা যিনি রাখেন তাকে সুরক্ষা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। ব্রিটেনে থাকার কারণে এবং অবৈধ লেনদেনের কানেকশন থাকার কারণে তারেক রহমান অর্থ ঠিকই তুলতে পারেন। এই অর্থগুলো দিয়েই তিনি লন্ডনে বিলাসবহুল জীবনযাপন করছেন বলে একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র নিশ্চিত করেছে।

বরগুনার আলো
রাজনীতি বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর