• বৃহস্পতিবার   ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২১ ||

  • ফাল্গুন ১২ ১৪২৭

  • || ১৩ রজব ১৪৪২

বরগুনার আলো
ব্রেকিং:
সাত কলেজের পরীক্ষা চলবে: শিক্ষা মন্ত্রণালয় কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালে সাধারণ মানুষও চিকিৎসা পাবেন: আইজিপি জনগণ ভালোবেসে আমাদের সরকার গঠনের সু্যোগ দিয়েছে: কাদের সাত কলেজের বিষয়ে সিদ্ধান্ত সন্ধ্যায় বিএনপির অনেক নেতা গোপনে টিকা নিয়েছেন : তথ্যমন্ত্রী ‘পাটের উৎপাদন বাড়াতে বীজ সরবরাহ নিশ্চিত করা হচ্ছে’ দেশে করোনায় ১৮ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ৩৯৯ কমিশন বাণিজ্যের ধারা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে: সেতুমন্ত্রী জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ধরনের পরীক্ষা স্থগিত ভবিষ্যতে বাংলাদেশেও তৈরি হবে যুদ্ধবিমান: প্রধানমন্ত্রী দেশে করোনায় ৭ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ৩৬৬ বিশ্ববিদ্যালয়গুলো খুলছে ২৪ মে: শিক্ষামন্ত্রী হল খুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত ৫-৬ দিনের মধ্যেই: মন্ত্রিপরিষদ সচিব এক মাসের মধ্যে চালের বাজার স্বাভাবিক হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী করোনায় ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ৫, শনাক্ত ৩৫০ এটিএম শামসুজ্জামান আর নেই এখন ঘরে ঘরে মানুষ ডিজিটাল সেবার সুবিধা পাচ্ছে: বাণিজ্যমন্ত্রী সামিসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে করা মামলার আদেশ ২৩ ফেব্রুয়ারি করোনায় ২৪ ঘণ্টায় ১৫ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ৩৯১ খাদ্যে ভেজালকারীদের কঠোর হাতে দমন করা হবে: প্রধানমন্ত্রী

মর্গে মৃত নারীদের ধর্ষণ: সেই মুন্না চারদিনের রিমান্ডে

বরগুনার আলো

প্রকাশিত: ২৬ জানুয়ারি ২০২১  

মর্গে রাখা নারীদের ধর্ষণের অভিযোগে করা পৃথক দুই মামলায় গ্রেফতার মুন্না ভগতের দুইদিন করে মোট চারদিনের রিমান্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। 

গতকাল সোমবার ঢাকা মহানগর হাকিম দেবব্রত বিশ্বাস শুনানি শেষে এই আদেশ দেন। মঙ্গলবার সংশ্লিষ্ট আদালতের সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা (জিআরও) এএসআই ফারুক হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। 

মামলার সুষ্টু ও নিরপেক্ষ তদন্তের স্বার্থে এবং প্রকৃত রহস্য উদঘাটন ও ধর্ষণের ঘটনায় মূল হোতাকে  শনাক্ত করার জন্য মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা তেজগাঁও থানার এসআই মোহাম্মদ শাহরিয়ার আলম পৃথক দুই মামলায় আসামি মুন্নার সাতদিন করে মোট ১৪ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন। এরপর আদালত শুনানি শেষে দুই মামলায় দুইদিন করে মোট চারদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। 

এর আগে গত ১০ ডিসেম্বর তেজগাঁও থানার এসআই মো. আল আমিন বাদী হয়ে একটি মামলা করেন। এরপর গত ২৫ ডিসেম্বর তেজগাঁও থানার এসআই সনজিৎ কুমার ঘোষ বাদী মুন্নার বিরুদ্ধে আরেকটি মামলা করেন।

এদিকে গত ২০ নভেম্বর সিআইডির করা মামলায় আসামি মুন্না আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। এদিন মুন্না স্বেচ্ছায় জবানবন্দি দিতে সম্মত হওয়ায় মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আসামির জবানবন্দি রেকর্ড করার আবেদন করেন। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে 
ঢাকা মহানগর হাকিম মো. মামুনুর রশিদের আদালত ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় তার জবানবন্দি রেকর্ড করেন। এরপর  তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

গত ১৯ নভেম্বর সিআইডির ইন্সপেক্টর জেহাদ হোসেন বাদী হয়ে শেরেবাংলা নগর থানায় মামলাটি দায়ের করেন। 

মামলার সূত্রে জানা যায়, মুন্না ভগত সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের মর্গে ডোম জতন কুমার লালের সহযোগী হিসেবে কাজ করতো। দুই-তিন বছর ধরে সে মর্গে থাকা মৃত নারীদের ধর্ষণ করে আসছিল। এরকম একটি অভিযোগ পেয়ে মুন্নার বিষয়ে অনুসন্ধান শুরু করে সিআইডি। প্রাথমিক অনুসন্ধানে ঘটনার সত্যতা পাওয়ায় মুন্নাকে গ্রেফতার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মুন্না মৃত নারীদের ধর্ষণের কথা স্বীকার করে।

মামলার বাদী সিআইডির ইন্সপেক্টর জেহাদ হোসেন জানান, মুন্না চার বছর ধরে সোহরাওয়ার্দী হাসপাতাল মর্গের লাশকাটা ঘরে কাজ করে। ঢাকায় তার থাকার জায়গা নেই। সে মর্গেই থাকে। লাশকাটা ঘরেই ঘুমায়। যেসব মৃত তরুণীকে সে ধর্ষণ করেছে তাদের বয়স অনূর্ধ্ব ২০। ভালো লাশের দিকেই তার নজর ছিল। আত্মহত্যাজনিত কারণে যাদের মৃত্যু হয়েছে তাদেরই সে ধর্ষণ করেছে। সড়ক দুর্ঘটনা বা অন্যান্য কারণে মৃত্যুর পর যেসব লাশ বিকৃত হয়ে যায় তাদের দিকে মুন্নার নজর ছিল না।

বরগুনার আলো