বুধবার   ২৯ জানুয়ারি ২০২০   মাঘ ১৬ ১৪২৬   ০৩ জমাদিউস সানি ১৪৪১

বরগুনার আলো
ব্রেকিং:
২০২৪ সালে উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পাবে বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী জীবাশ্ম জ্বালানি নিজেদের উন্নয়নে ব্যবহৃত হবে: প্রধানমন্ত্রী বিডিএফে আজ উপস্থাপন অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা সিজিসির সংযোজন ও সংশোধন অনুমোদন ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে চলবে ইলেক্ট্রিক ট্রেন: সংসদে রেলমন্ত্রী প্রাথমিকে নতুন শিক্ষকদের যোগদান যথাসময়ে সোলেইমানি হত্যার নীল নকশাকারী বিমান দুর্ঘটনায় নিহত এক বিদ্যালয়ে একবারই ভর্তি ফি, হচ্ছে নীতিমালা শুরু হলো ৪৪তম কলকাতা আন্তর্জাতিক বইমেলা মৌলভীবাজারে অগ্নিকাণ্ডে একই পরিবারের ৫ জন নিহত একনেকে ৯ প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী করোনা ভাইরাস: সর্বত্র সতর্ক থাকার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর আমেরিকা ও ইসরায়েলের কমান্ডাররাও পালানোর পথ খুঁজে পাবে না সাকিবকে ওজন কমাতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী মুজিববর্ষে সব সরকারি কলেজে বসবে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য শিল্প-বৈদেশিক বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের নামজারি ৭ দিনে মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে যেসব খাবার নেহা-আদিত্যর বিয়ে ১৪ ফেব্রুয়ারি সোয়া ৯ কোটি টাকা আত্মসাতে তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা আড়ংয়ের ট্রায়াল রুমে গোপনে ভিডিও,গ্রেপ্তার -১
১৮

মাছ দিয়ে পদ পাওয়া যাচ্ছে সিংড়া বিএনপিতে, কমিটি নিয়ে অসন্তোষ চরমে!

বরগুনার আলো

প্রকাশিত: ৮ ডিসেম্বর ২০১৯  


একই দিনে নাটোরের সিংড়া উপজেলা ও পৌর বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি দুবার অনুমোদন দিয়েছে জেলা বিএনপি। এদিকে কমিটিতে পদ দেওয়া নিয়ে হাস্যকর একটি অভিযোগ করছেন তৃণমূল নেতারা। তারা বলছেন, জেলা পর্যায়ের নেতাদের চলন বিলের মাছ দিয়ে পদ বাগিয়ে নিয়েছেন উপজেলা ও পৌর বিএনপির নেতারা।

তৃণমূলের অভিযোগ, দলের অনেক ত্যাগী ও নির্যাতিত নেতা-কর্মীকে কমিটিতে স্থান দেয়া হয়নি। কমিটি নিয়ে কর্মীদের মধ্যে অসন্তোষ রয়েই গেছে। এ নিয়ে অসন্তোষ চরমে উঠেছে।

জানা যায়, গত ২৪ নভেম্বর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আমিনুল হক ও সদস্য সচিব রহিম নেওয়াজ স্বাক্ষরিত উপজেলা ও পৌর আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়। প্রথমে ৫১ সদস্য বিশিষ্ট উপজেলা ও ৪৫ সদস্য বিশিষ্ট পৌর বিএনপির কমিটি গঠন করা হয়। পরে ওই কমিটি দু’টি যথাক্রমে ৬৭ ও ৬১ সদস্য বিশিষ্ট করা হয়। নতুন কমিটির আহ্বায়ক, যুগ্ম আহ্বায়ক ও সদস্য সচিবকে সব ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড কমিটি গঠন করতে নির্দেশও দেয় নাটোর জেলা বিএনপির কমিটি। অথচ উপজেলা ও পৌর কমিটি গঠনের সময় জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়কের স্বাক্ষর নেওয়া হয়নি।

উপজেলা বিএনপির সাবেক প্রকাশনা সম্পাদক আনিসুর রহমান ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, একই ব্যক্তিকে উপজেলা ও পৌর উভয় কমিটিতে রাখা হয়েছে। আবার একাধিক কমিটিতে একই ব্যক্তি পদও পেয়েছেন। অথচ নির্যাতিত হওয়ার পরও তার নামটি কোনো কমিটিতেই রাখা হয়নি। এখানে নেতাদের অসততা রয়েছে।

সোহেল রানা নামে এক তৃণমূল নেতা অভিযোগ করে বলেন, কেউ কেউ জেলা বিএনপির নেতাদের চলন বিলের মাছ দিয়ে খুশি করে পদ বাগিয়ে নিয়েছেন। এ বিষয়ে যথেষ্ট প্রমাণও আছে। প্রতিদিন ভালোমন্দ নিয়ে নেতাদের বাড়িতে ধরনা দিয়ে পদ বাগিয়ে নিয়েছেন অনেক হাইব্রিড নেতা। সবাই বিক্রি হয়ে গেছে মাছের কাছে।

বরগুনার আলো
এই বিভাগের আরো খবর