মঙ্গলবার   ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০   ফাল্গুন ৬ ১৪২৬   ২৩ জমাদিউস সানি ১৪৪১

বরগুনার আলো
ব্রেকিং:
টাকা না থাকলে এত উন্নয়ন কাজ করছি কীভাবে : প্রধানমন্ত্রী সব ব্যথা চেপে রেখে দেশের জন্য কাজ করছি : প্রধানমন্ত্রী ট্রেনে খোলা খাবার বিক্রি ও প্লাস্টিকের কাপ নিষিদ্ধ হচ্ছে মজুদ গ্যাসে চলবে ২০৩০ সাল পর্যন্ত : খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী গুজব-অপপ্রচার রোধে কাজ করছে উচ্চ পর্যায়ের কমিটি : তথ্যমন্ত্রী সব কারখানায় ব্রেস্ট ফিডিং কর্নার স্থাপনের নির্দেশ আজ বাংলাদেশ-নেপাল পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক সরকার-জনগণের মধ্যে সম্পর্ক জোরদার করতে সাংসদের রাষ্ট্রপতির আহ্বান দেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বিরাজ করছে : নাসিম ব্যাংকের জঙ্গি অর্থায়ন নজরদারিতে রয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ৪০০ মেট্রিক টন মধু রফতানির অর্ডার পেয়েছে বাংলাদেশ : কৃষিমন্ত্রী নয় বছরে সাড়ে ৯৭ হাজার কর্মকর্তা নিয়োগ : জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী দেশে মোবাইল টাওয়ার রেডিয়েশনের মাত্রা ক্ষতিকর নয় : বিটিআরসি সন্ধ্যায় বঙ্গভবনে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী খালেদার প্যারোলে মুক্তির কোনো আবেদন পাইনি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী উহান ফেরত শিক্ষার্থীরা নজরদারিতেই থাকবেন : আইইডিসিআর রোহিঙ্গা ইস্যুতে ইন্দোনেশিয়ার সহায়তা চাইলেন ড. মোমেন ইউএনও’দের মাধ্যমে রাজাকারের তালিকা করা হবে : মোজাম্মেল হক মানবপাচারে অভিযুক্ত এমপির বিষয়ে দুদককে তদন্তের আহ্বান কাদেরের হত্যা মামলায় ৯ জনের যাবজ্জীবন
১১

‘মানুষ মাটির তৈরি’র ব্যাখ্যা

বরগুনার আলো

প্রকাশিত: ২৭ জানুয়ারি ২০২০  

‘মানুষ মাটির তৈরি’—এ কথা সর্বতোভাবে হজরত আদম (আ.) সম্পর্কে প্রযোজ্য। তাঁর সৃষ্টির পর তাঁর সন্তানদের জন্ম হয়েছে তাঁর ঔরস থেকে। সেটা হয়েছে, নারী ও পুরুষের বিশেষ ক্রিয়ার মাধ্যমে। কোরআন বিষয়টাকে আরো সরাসরি বলেছে—‘মানুষকে সৃষ্টি করা হয়েছে সবেগে স্খলিত পানি (বীর্য) থেকে।’ (সুরা : তারিক, আয়াত : ৬)

আদি পিতা আদম (আ.) ও তাঁর সন্তানদের জন্ম প্রক্রিয়ার এ পার্থক্য বুঝতে না পারার কারণে কোনো কোনো অবিশ্বাসী অহেতুক কোরআনের বক্তব্যের ওপর আপত্তি করে। সুতরাং কোরআন যেখানে বলেছে, ‘মানুষ মাটির তৈরি’—কথাটা নিজ স্থানে সত্য। আবার যেখানে বলা হয়েছে, ‘মানুষকে সৃষ্টি করা হয়েছে বীর্য থেকে’—এ কথাও নিজ স্থানে সত্য। উভয়ের মধ্যে পার্থক্য ও বৈপরীত্য নেই।

তবে পবিত্র কোরআনের আলোচ্য আয়াত থেকে একটি মৌলিক সত্য জানা যায়। বিষয়টি হলো, মানুষের মূল উপাদান মাটি থেকে প্রস্তুত হয়েছে। এ উপাদান প্রস্তুত করতে তাতে সুনিশ্চিতভাবে পানি ঢোকানো হয়েছে। কোরআনের এ বক্তব্য অকাট্য ও চিরস্থায়ী। আজ অবধি কোনো মতবাদের সঙ্গে এ বক্তব্যের সংঘাত হয়নি, ভবিষ্যতেও হবে না।

কোরআন বলছে, মানুষের সৃষ্টি একটি অলৌকিক ঘটনা। মহান আল্লাহ কাদামাটি দিয়ে প্রথম মানব সৃষ্টি করেছেন। তারপর তিনি এই কাদার কাঠামোকে রুহ বা আত্মা দান করেছেন। ইরশাদ হয়েছে, ‘স্মরণ করো, তোমার প্রতিপালক ফেরেশতাদের বলেছিলেন, আমি মানুষ সৃষ্টি করছি কাদামাটি থেকে। যখন আমি তাকে সুষম করব এবং তাতে আমার রুহ সঞ্চার করব, তখন তোমরা তার প্রতি সিজদাবনত হয়ো।’ (সুরা : সাদ, আয়াত : ৭২-৭৩)

কোরআনের এ বক্তব্য আদি পিতা আদম (আ.)-এর গঠন প্রক্রিয়া সম্পর্কে। তবে পিতার এই জন্ম-উপাদান বংশ পরম্পরায় ধারণ করেছে সন্তানরা। তাই বর্তমানে যখন মানষের শরীর পরীক্ষা করা হয়, তখন দেখা যায়, মাটির অনেক উপাদান মানবদেহে বিদ্যমান। জীবিত পেশিতে আধুনিক গবেষণায় দেখা গেছে, প্রায় ৯৫ শতাংশ কার্বন, হাইড্রোজেন, অক্সিজেন, নাইট্রোজেন, ফসফরাস ও সালফারসহ সব মিলিয়ে প্রায় ২৬টি উপাদান পাওয়া যায়। কোরআনের অন্য আয়াতে আরো পরিষ্কারভাবে বলা হয়েছে, ‘আমি তো মানুষ সৃষ্টি করেছি মাটির উপাদান (মাটি জাতীয় উপকরণ) থেকে।’ (সুরা : মুমিনুন, আয়াত : ১২)

আমরা দেখি, আধুনিক বিজ্ঞানের পাওয়া এ তথ্য পবিত্র কোরআনে ১৪০০ বছর আগে প্রকাশ করা হয়েছে।

বরগুনার আলো
এই বিভাগের আরো খবর