শনিবার   ২৩ নভেম্বর ২০১৯   অগ্রাহায়ণ ৮ ১৪২৬   ২৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪১

বরগুনার আলো
ব্রেকিং:
সরকার আলেমদের সঙ্গে নিয়ে দেশের উন্নয়ন করতে চায়: ধর্ম প্রতিমন্ত্রী নরসিংদীর এমপি বুবলীকে আওয়ামী লীগ থেকে বহিষ্কার চালের বাজার অস্থিতিশীল করলে কাউকে ছাড় নয়: খাদ্যমন্ত্রী ভারত মুক্তিযুদ্ধের সময় পাশে ছিল তা ভুলিনি: প্রধানমন্ত্রী চিকিৎসকদের নৈতিক শিক্ষা খুবই প্রয়োজন: পরিকল্পনামন্ত্রী সামাজিক মাধ্যমে গুজব বন্ধে বিধিমালা হচ্ছে- তথ্যমন্ত্রী শুক্রবারের মধ্যে যান চলাচল স্বাভাবিক হবে: কাদের ঘণ্টা বাজিয়ে খেলার উদ্বোধন করলেন শেখ হাসিনা একুশ শতকের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সশস্ত্র বাহিনীকে গড়ে তোলা হবে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে সশস্ত্র বাহিনীকে কাজ করার আহ্বান সড়ক পরিবহন আইনের অসঙ্গতি দূর করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ‘বিএনপি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব সৃষ্টি করছে’- কাদের অনার্স ২য় বর্ষের ২৫ নভেম্বরের পরীক্ষা স্থগিত কোন অপপ্রচারে কান না দিতে জনগণের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান ‘গোলাপি’ যাত্রা রাঙ্গাতে কাল মাঠে নামছে বাংলাদেশ সারাবিশ্বে বাংলাদেশ এখন সম্মানের দেশ: প্রধানমন্ত্রী সশস্ত্র বাহিনী দিবসের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী আজ সন্ধ্যায় আ. লীগের অভ্যর্থনা উপকমিটির সভা ইউনেস্কোর সাধারণ অধিবেশনে অংশ নিলেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী শিখা অনির্বাণে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
৭৭

মিনায় হাজিরা

প্রকাশিত: ৯ আগস্ট ২০১৯  

হাজিরা এখন মিনায় অবস্থান করছেন। মিনায় যাত্রার মধ্য দিয়ে হজের মূল কাজ শুরু হয়, যা শেষ হবে ১২ জিলহজ তারিখে।

গত বৃহস্পতিবার এশার নামাজের পর থেকে মক্কায় অবস্থানরত হজযাত্রীরা নিজ নিজ কামরা কিংবা মসজিদে হারাম থেকে হজের ইহরাম বেধে মিনার উদ্দেশে যাত্রা করে। 

যারা মক্কায় ছিলেন না কিংবা সৌদি আরবের হজযাত্রী, তারা সরাসরি মিনা চলে যাবেন। রাতে যারা মিনা পৌঁছতে পারেবন না, তারা সকালে মিনা যাবেন। সৌদির হাজিদের ব্যবস্থাপক মুয়াল্লিম হাজিদের মিনায় যাওয়ার গাড়ির ব্যবস্থা করেন। অনেকে আবার নিজ উদ্যোগে কিংবা পায়ে হেঁটে মিনা যাবেন।

বিগত কয়েকবছরের তুলনায় হজযাত্রীর সংখ্যা অনেক বেশি। তাই পথে যথেষ্ট ভিড় রয়েছে। তবে ট্রাফিক পুলিশ রাস্তায় তৎপর। হাজিদের নিরাপত্তায় বিভিন্ন বাহিনী কাজ করছে। মোবাইলে ম্যাসেজ দিয়ে, বিভিন্ন ভাষায় প্রচারপত্র বিতরণ করে হাজিদের নানা বিষয়ে পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।

মক্কা থেকে মিনার দূরত্ব প্রায় ৮ কিলোমিটার। হজপালনকারীদের জন্য মিনায় অবস্থান করা সুন্নত। মিনায় হাজিরা ৮ জিলহজ জোহর থেকে ৯ জিলহজ ফজরসহ মোট পাঁচ ওয়াক্ত আদায় করবেন। মিনাতে হাজিদের রাত কাটানোর জন্য আলাদা আলাদা তাঁবু রয়েছে। লোক সংকুলান না হওয়া বেশ কিছু তাঁবুতে দ্বিতল খাটের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

মিনাকে তাঁবুর শহর বলা হয়। এটা মক্কা প্রদেশের অন্তর্ভুক্ত ও মক্কার পার্শ্ববর্তী একটি এলাকা। মক্কা থেকে আরাফাতের ময়দানের দিকে যাওয়ার মহাসড়কের পাশে মিনার অবস্থান। মিনার আয়তন প্রায় ২০ বর্গকিলোমিটার।

হজপালনের অংশ হিসেবে হজপালনকারীদের মিনায় অবস্থান করতে হয়। হজপালনকারীদের জন্য মিনায় প্রায় ১ লাখ অস্থায়ী তাঁবু স্থাপন করা হয়েছে। এসব তাঁবুতে হজযাত্রীরা অবস্থান করে হজের বিভিন্ন আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করবেন। প্রত্যেক তাঁবুর আলাদা নম্বর দেয়া রয়েছে।

স্থাপিত তাঁবুর সবই শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত। মিনায় হজপালনকারীরা ৮ জিলহজ রাত থেকে আরাফাতের ময়দানে চলে যাবেন ৯ জিলহজ। ৯ জিলহজ আরাফাতের ময়দানে অবস্থান শেষে মুজদালিফায় গিয়ে রাতযাপন করবেন। মুজদালিফায় খোলা আকাশের নিচে রাতযাপন শেষে ১০ জিলহজ তারিখে এখান থেকে ছোট ছোট কঙ্কর সংগ্রহ করে পুনরায় মিনায় গিয়ে বড় শয়তানকে (জামারায়ে উকবা) কঙ্কর নিক্ষেপ করে কোরবানি শেষে মাথা মুণ্ডিয়ে হালাল (ইহরাম খুলবেন) হবেন।

এর পর মক্কায় এসে তাওয়াফে জিয়ারত (তাওয়াফ ও সায়ি) শেষে আবার মিনায় যেয়ে (ছোট, মধ্যম ও বড়) শয়তানকে কঙ্কর নিক্ষেপ করতে হবে হাজিদের। এটা হজের ওয়াজিব আমল।

মিনায় অবস্থান, কোরবানি, শয়তানের প্রতীকী স্তম্ভে পাথর নিক্ষেপের জন্য মিনায় এই কয়দিন খুব ভিড় থাকে। মিনায় বাদশাহর বাড়ি, রয়েল গেস্ট হাউজ, মসজিদ, হাসপাতাল ও বিভিন্ন অফিস রয়েছে। মিনায় রেলস্টেশন আছে ৩টি।

মিনার সীমানা হলো- পূর্ব ও পশ্চিম দিক থেকে মুহাসসার উপত্যকা ও জামরা ‘আকাবা ও মধ্যবর্তী’ স্থান। আর উত্তর ও দক্ষিণ দিক থেকে দু’পাশের সুউচ্চ দু’টি পাহাড়।

সাধারণত হাজিরা মক্কা থেকে মিনায় সড়কপথে যান। তবে ট্রেনে যাওয়ারও ব্যবস্থা আছে। কিন্তু এ জন্য আগে থেকে ব্যবস্থা করে রাখতে হয়।

এই বিভাগের আরো খবর