শনিবার   ১৮ জানুয়ারি ২০২০   মাঘ ৪ ১৪২৬   ২২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১

বরগুনার আলো
ব্রেকিং:
বিপিএলে প্রথম শিরোপার স্বাদ পেলো রাজশাহী আদালতে মজনুর স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সাউন্ড সিস্টেমে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা যাবে ১ ফেব্রুয়ারি থেকে এসএসসি শুরু প্রথম আলোর সম্পাদকসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা আমরা ক্রসফায়ারকে সাপোর্ট করতে পারি না : ওবায়দুল কাদের পোশাক রপ্তানিকে ছাড়িয়ে যাবে আইসিটি : জয় বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্ব শুরু কাল বিশ্ব ইজতেমার ২য় পর্বে ময়দানে আসতে শুরু করেছেন মুসল্লিরা অন্ধকার ভেদ করে আলোর পথে বাংলাদেশ: সংসদে প্রধানমন্ত্রী রিফাত হত্যা : দুই আসামি জামিনে মুক্ত দুর্নীতি মামলা : বিএনপি প্রার্থী ইশরাকের বিচার শুরু কাদেরের বাইপাস পরবর্তী স্বাস্থ্যের উন্নতি, দেশে ফিরছেন রাতেই  এসডিজি অর্জনে বাংলাদেশ সঠিক পথে রয়েছে : প্রধানমন্ত্রী আবুধাবি থেকে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী সরকারের জনপ্রিয়তা অনেক বেড়েছে: আইআরআই ওমানের সুলতানের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোকবার্তা আবুধাবি থেকে দেশের পথে প্রধানমন্ত্রী পদ্মাসেতুতে বসলো ২১তম স্প্যান,দৃশ্যমান হলো ৩ হাজার ১৫০ মিটার রিট খারিজ, নির্ধারিত তারিখেই হচ্ছে ঢাকার দুই সিটি নির্বাচন
৯৯

যেসব অভ্যাস দাঁত সুস্থ রাখে

প্রকাশিত: ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৯  

নিজের দাঁতগুলো সুন্দর চকচকে হবে এ আশা সবারই। কিন্তু তা কি আর সবার ক্ষেত্রে হয়? অতিরিক্ত মিষ্টি, আইসক্রিম, কেক, পেস্ট্রি, চকোলেট খেয়ে ছোটরা যেমন নষ্ট করে তেমনি বড়রা ফাস্ট ও জাঙ্ক ফুড এবং ধূমপানে নষ্ট করে ফেলে নিজের অতি প্রয়োজনীয় দাঁতকে।

দাঁতের ফাঁকে খাদ্যের কণা ঢুকে থাকাটা স্বাভাবিক। কিন্তু খাবারের এই কণাগুলো দাঁতের ফাঁকে একটি আঠালো স্তর তৈরি করে যা থেকে ক্ষতিগ্রস্ত হয় দাঁত। ঠিকঠাক যত্ন না নিলে এই ক্ষতি ক্রমেই বাড়তে থাকে।

দন্ত বিশেষজ্ঞদের মতে, মুখে দুর্গন্ধ, দাঁতে ব্যথা, মাড়ি থেকে রক্তপাত, মাঝে মাঝেই দাঁত নড়ে যাওয়া, দাঁতের ফাঁকে পাথর জমে যাওয়া এসব লক্ষণে বোঝা যায় দাঁতের আয়ু কমতে শুরু করেছে। দৈনন্দিন জীবনে কিছু খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন আর যত্ন নিলেই এই সমস্যা আয়ত্তে আনা সম্ভব।

তারা আরও বলেন, দাঁতের ক্ষতি কিছুটা বেশি হয়ে গেলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন দ্রুত। অনেক সময় দাঁতের ছোটখাট সমস্যা আমরা অবহেলা করি, আর এর থেকেই দাঁতের সমস্যা মারাত্মক রূপ ধারণ করে।

এবার জেনে নেওয়া যাক কোন কোন অভ্যাস সুস্থ দাঁতের বন্ধু-

* নিয়মিত দু’বার ব্রাশ করলে একটি ব্রাশ তিন সপ্তাহের পর ভালো কাজ দেয় না। তাই তিন সপ্তাহ অন্তর অন্তর বদলে ফেলুন আপনার টুথ ব্রাশটি।

* ব্রাশ করার সময় খুব বেশি চাপ দিয়ে যেমন নয়, তেমনি খুব আলগা ভাবেও নয়। নরম অথচ দাঁতের ফাঁকে পৌঁছতে পারে এমন ব্রাশ ব্যবহার করুন।

* খাবার গ্রহণের পর অবশ্যই ভাল করে মুখের ভেতরের অংশ ধুয়ে নিতে হবে। এমনকি মিষ্টি, ঠাণ্ডা পানীয় ও চকোলেট খাওয়ার পরও ভাল করে মুখ ধোয়ার অভ্যাস করান শিশুদেরকেও।

* অতিরিক্ত চা-কফি ও ধূমপান বন্ধ করুন। এসব থেকে দাগ পড়ে দাঁতের সৌন্দর্য্য নষ্ট করে। আর তামাকের দাগ সহজে ওঠেও না। তাই দূরে থাকুন ধূমপান থেকে।

* বাজারচলতি পেস্ট নয়, দাঁতের অবস্থা বুঝে পেস্ট ব্যবহার করুন। এর জন্য পরামর্শ নিন চিকিৎসকের।

* দাঁতের গঠনগত কোন ত্রুটি বা সমস্যা থাকলে প্রথম থেকে সতর্ক হউন। শিশুদের দাঁতে কম বয়সেই কোন সমস্যা ধরা পড়লে তার জন্যও দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থা করুন।

* লবঙ্গ দাঁতের জন্য খুবই ভাল। তাই মাঝে মধ্যেই মুখে রাখতে পারেন লবঙ্গ।