মঙ্গলবার   ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯   আশ্বিন ২ ১৪২৬   ১৭ মুহররম ১৪৪১

বরগুনার আলো
ব্রেকিং:
দুই মাসে এডিপি বাস্তবায়নের হার বেড়েছে ৪.৪৮ শতাংশ উদ্বোধনের দিনেই পদ্মাসেতুতে ট্রেন চলবে: রেলমন্ত্রী ৮ হাজার ৯৬৮ কোটি ৮ লাখ টাকার প্রকল্প একনেকে অনুমোদন ভারতীয় কোস্টগার্ড ডিজির সঙ্গে রীভা গাঙ্গুলির বৈঠক ইসির চুরি যাওয়া ল্যাপটপ উদ্ধার, আটক ৩ আজ মহান শিক্ষা দিবস প্রধানমন্ত্রী ‘রাজহংস’ উদ্বোধন করবেন আজ রোহিঙ্গা ভোটার: ইসি কর্মচারীসহ আটক ৩ রিফাত-মিন্নির নতুন ভিডিও, বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য ‘বিজ্ঞান-প্রযুক্তির বিকাশ ছাড়া দেশ উন্নয়ন করা সম্ভব নয়’ রোহিঙ্গা ভোটার খতিয়ে দেখতে চট্টগ্রামে কবিতা খানম আগামী ১০মাসের রোডম্যাপ তৈরি ও তার বাস্তবায়ন করবো - জয় ও লেখক ডেঙ্গুতে সরকারি হিসেবে ৬৮ জনের মৃত্যু আ. লীগের সম্পাদকমণ্ডলীর সভা ১৮ সেপ্টেম্বর বঙ্গবন্ধুর নাতনি টিউলিপের জন্মদিন আজ আজ থেকে ট্রাকে পেঁয়াজ বিক্রি করবে টিসিবি বিশ্ব ওজন দিবস আজ শিগগিরই বন্দর-ট্রেনে যুক্ত হচ্ছে ত্রিপুরা-বাংলাদেশ দিল্লিতে শেখ হাসিনা-মোদি বৈঠক ৫ অক্টোবর সারাদেশে ৭৫ প্রতিষ্ঠানকে পাঁচ লক্ষাধিক টাকা জরিমানা

যে দূর্গ থেকে কেউ ফেরে না!

প্রকাশিত: ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৯  

 

ভয় পাওয়ার ইচ্ছে আছে? অনেকদিন ধরে ভৌতিক কিছু দেখার জন্য ঘুরে বেড়াচ্ছেন? আপনার জন্য এই অভিজ্ঞতা নিয়ে আসতে পারে এমন একটি জায়গার কথাই বলব আপনাকে। বলছিলাম ভারতের ভাঙ্গার ফোর্ট বা ভাঙ্গার দূর্গের কথা। 

ভারতের এবং পৃথিবীর অন্যান্য ভয়ঙ্কর ভুতুড়ে আর অভিশপ্ত স্থানের মধ্যে যদি কয়েকটি স্থানের নাম থেকে থাকে তাহলে ভাঙ্গার ফোর্ট এই তালিকার প্রথমে রয়েছে। ভারতের আলওয়ার জেলায় অবস্থিত এই দূর্গের অভিশপ্ত হয়ে ওঠার পেছনে রয়েছে বেশ কিছু কারণ। মুখে মুখে অনেকগুলো গল্পও বানিয়েছে মানুষ এই দূর্গটিকে ঘিরে। গল্পগুলো সত্যি, নাকি শুধুই গল্প- সেটা অবশ্য ভেবে দেখার ব্যাপার। 

১৫৭৩ সালে নির্মাণ করা হয় এই দূর্গটি। বর্তমানে প্রায় ভেঙে পড়া অবস্থায় আছে এটি। এই দূর্গটির অভিশপ্ত হওয়ার পেছনে যে গল্পগুলো আছে সেগুলোর মধ্যে সবচাইতে বেশি প্রচলিত গল্পটি হলো রাজা মধু সিং-এর গল্প। 

মনে করা হয় দূর্গটির নির্মাতা রাজা মধু সিং প্রথমেই দূর্গের পাশে বসা মুনি বালু নাথের কাছে যান দূর্গ নির্মাণের অনুমতি চেয়ে। বালু নাথ এক শর্তেই এ ব্যাপারে রাজি হন। তিনি বলেন কোনোভাবেই যেন দূর্গের ছায়া মুনির ওপরে না পড়ে। পরবর্তীতে এই দূর্গের ছায়া মুনির ওপরে পড়ে গেলে বালু নাথ ক্ষেপে যান এবং নিজের ক্ষমতাবলে দূর্গটি ধ্বংস করে দেন। 

তবে স্থানীয় কিছু গুজবও আছে এই দূর্গকে ঘিরে। বলা হয় যে, রত্নাবতী নামে এক রাজকুমারী বাস করতেন এই দূর্গে। তাকে অনেকেই ভালোবাসতেন। ভালোবাসতেন সিঙ্ঘিয়া নামের একজন তান্ত্রিকও। একটা সময় রাজকুমারীর ভালোবাসা পাওয়ার জন্য মন্ত্র পড়া তেল নিয়ে যান তান্ত্রিক।

রাজকুমারী পুরো ব্যাপারটি বুঝতে পেরে এই তেল মাটিতে ফেলে দেন। ফলে তান্ত্রিক সিঙ্ঘিয়া পাথর হয়ে যান এবং তার আগে অভিশাপ দিয়ে যান যে, এই ভাঙ্গার দূর্গে কোনো সন্তান আসবে না। একটা সময় রাজবাড়ী বিরান হয়ে যায়। রাজকুমারীও মৃত্যুবরণ করেন। স্থানীয় মানুষের ধারণা, রাজকুমারী অন্য কোথাও জন্ম নিয়েছেন। তিনি আবার ফিরে আসবেন এই দূর্গে। 

গল্পগুলোর মধ্যে কোনটা সত্যি আর কোনটা মিথ্যে তা নিয়ে দ্বিধা থাকলেও, সবচাইতে বড় ব্যাপারটি হলো এই দূর্গকে ঘিরে থাকা মানুষের ভয়। প্রচণ্ড ভয় পায় মানুষ এই দূর্গে প্রবেশ করতে। আর তার পেছনে রয়েছে দূর্গের ভেতরে হওয়া ভুতুড়ে ব্যপারগুলো। 

এই দূর্গে অনেকেই সাহস প্রমাণ করার জন্য থাকতে গিয়েছেন। কিন্তু এদের কেউ আর ফিরে আসেননি। শুধু তাই নয়। দূর্গ থেকে রাতের বেলা চুড়ির শব্দ, কান্নার আওয়াজ ভেসে আসে প্রায় সময়। আর এই সবকিছু মিলেই পুরো দূর্গটিকে অভিশপ্ত ও ভুতুড়ে বলে মনে করছেন সবাই। 

এক ব্যক্তি দূর্গের পাশ দিয়ে চলে আসার সময় হুট করে এক আগুন্তকের দেখা পান। পরবর্তীতে এই আগুন্তক একদম হাওয়ায় মিলিয়ে গিয়েছিলেন। হুট করে এভাবে দেখা দিয়ে অদৃশ্য হয়ে যাওয়া মানুষের সংখ্যা এই দূর্গের পাশে একেবারেই কম নয়। 

কী ভাবছেন? এই সবটাই কল্পনা? অনেকগুলো দিন ধরে চলে আসছে ভাঙ্গার ফোর্টকে নিয়ে এমন কাহিনী। সেই কাহিনীগুলো একে একে ডালপালাও ছড়িয়েছে অনেকটা। তাই, সাহস থাকলে হয়তো প্রথম কেউ হিসেবে এই দূর্গে রাত কাটিয়ে আসতে পারেন আপনিও!