• শনিবার   ০৬ জুন ২০২০ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ২২ ১৪২৭

  • || ১৪ শাওয়াল ১৪৪১

বরগুনার আলো
ব্রেকিং:
৩ হাজার মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট নিয়োগে অনুমোদন দিলেন প্রধানমন্ত্রী মানুষকে সুরক্ষিত করতে প্রাণপণে চেষ্টা করছি: প্রধানমন্ত্রী করোনায় মৃত্যুর মিছিলে আরও ৩৫ জন, নতুন শনাক্ত ২৪২৩ গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় ৩৭ মৃত্যু, শনাক্ত আরও ২৬৯৫ আজ থেকে চলবে আরও ৯ জোড়া ট্রেন হাসপাতাল থেকে রোগী ফেরানো শাস্তিযোগ্য অপরাধ: তথ্যমন্ত্রী যেকোনো প্রতিবন্ধকতা মোকাবিলা করে এগিয়ে যেতে পারব: প্রধানমন্ত্রী সময় যত কঠিনই হোক দুর্নীতি ঘটলেই আইনি ব্যবস্থা: দুদক চেয়ারম্যান জেলা হাসপাতালগুলোতে আইসিইউ ইউনিট স্থাপনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর করোনা বিশ্ব বদলে দিলেও বিএনপিকে বদলাতে পারেনি: কাদের করোনায় ২৪ ঘণ্টায় ৩৭ মৃত্যু, শনাক্ত ২৯১১ সীমিত আকারে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার নির্দেশনা খাদ্য উৎপাদন আরও বাড়াতে সব ধরনের প্রচেষ্টা চলছে: কৃষিমন্ত্রী সারা দেশকে লাল, সবুজ ও হলুদ জোনে ভাগ করা হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ২৩৮১ জনের করোনা শনাক্ত পুরোপুরি স্বাস্থ্যবিধি মেনে ট্রেন চলছে: রেলমন্ত্রী দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ২৫৪৫ জনের করোনা শনাক্ত, মৃত্যু ৪০ জন বাস ভাড়া যৌক্তিক সমন্বয়, প্রজ্ঞাপন আজই: ওবায়দুল কাদের এখনই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলবো না: প্রধানমন্ত্রী ভিডিও কনফারেন্সে এসএসসির ফল প্রকাশ করলেন প্রধানমন্ত্রী
৮৭

রফতানি আয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে পাট

বরগুনার আলো

প্রকাশিত: ১০ মে ২০২০  

চলতি ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রথম দশ মাসে (জুলাই-এপ্রিল) পাট ও পাটজাত পণ্য রফতানি করে বাংলাদেশ ৭৯ কোটি ১৩ লাখ মার্কিন ডলার আয় করেছে। এটি গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ১৪ শতাংশ এবং লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১৭ শতাংশ বেশি।

এর ফলে বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো রফতানি বাণিজ্যে চামড়াকে ছাড়িয়ে দ্বিতীয় স্থান দখল করে নিলো সোনালি আঁশ নামে খ্যাত পাট ও পাটজাতপণ্য। রফতানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি)‘র সর্বশেষ হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ চিত্র উঠে এসেছে।

ইপিবি সূত্র জানায়, বাংলাদেশ ২০১৮-১৯ অর্থবছরে পাট খাত থেকে ৮১ কোটি ৬৩ লাখ ডলার আয় করে। যা ছিল ২০১৭-১৮ অর্থবছরের চেয়ে ২০ শতাংশ কম।

২০১৭-১৮ অর্থবছরে পাট ও পাটপণ্য রফতানি করে এক হাজার ২৬ কোটি ডলার আয় হয়। প্রথমবারের মতো তখন পাট রফতানির পরিমাণ ১ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছিল।

এর আগে ২০১৬-১৭ অর্থবছরে ৯৬ কোটি ২০ লাখ ডলার এবং ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ৯২ কোটি ডলার আয় হয়।

সূত্র জানায়, চলতি ২০১৯-২০ অর্থবছরের পাট খাত থেকে রফতানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয় ৮২ কোটি ৪০ লাখ ডলার। তবে অর্থবছর শেষে সরকারের লক্ষমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমানে বিশ্ব বাজারে পাট ও পাটজাত পণ্যের দাম আগের চেয়ে ২০ থেকে ২৫ শতাংশ বেড়েছে। এর মধ্যে কাঁচা পাটের দাম বেড়েছে ৩০ শতাংশেরও বেশি। তাদের মতে, পরিবেশবাদীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্বব্যাপী পলিথিনের ব্যবহার কমা যাওয়ায় পাট ও পাটজাত পণ্যের চাহিদা বেড়েছে।

তাদের মতে, পাটের ব্যবহার বাড়াতে ২০১০ সালে সরকার একটি আইন করে। আইন অনুযায়ী ধান, গম, চাল, ভুট্টা, সার ও চিনি- এই ছয় পণ্য সংরক্ষণ, সরবরাহ ও মোড়কীকরণে পাটের বস্তা ব্যবহার বাধ্যতামূলক। আর এ কারণে পণ্যটির ব্যবহার বেড়েছে। তবে সব ক্ষেত্রে তা বাধ্যতামূলক করা সম্ভব হলে এর চাহিদা আরও বাড়ত।

উল্লেখ্য, বর্তমানে দেশে রাষ্ট্রায়ত্ত খাতে ২২টি এবং বেসরকারি খাতে প্রায় ২০০ পাটকল রয়েছে। এইসব পাটকল থেকে বর্তমানে বিশ্বের ৫০টি দেশে পাট রফতানি করা হচ্ছে।

দেশগুলো হলো আলজেরিয়া, অস্ট্রিয়া, বেলজিয়াম, বেনিন, ব্রাজিল, তুরস্ক, আফগানিস্তান, বুলগেরিয়া, কানাডা, চিলি, চীন, কঙ্গো, কোস্টারিকা, মিসর, ইতালি, ইন্দোনেশিয়া, ইথিওপিয়া, গাম্বিয়া, জার্মানি, গোয়েতেমালা, হাইতি, জাপান, জর্ডান, কোরিয়া, লিবিয়া, মালয়েশিয়া, পাকিস্তান, মেক্সিকো, ভারত, আয়ারল্যান্ড, ইরান।

বরগুনার আলো
অর্থনীতি বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর