বুধবার   ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯   আশ্বিন ৩ ১৪২৬   ১৮ মুহররম ১৪৪১

বরগুনার আলো
ব্রেকিং:
রিফাত হত্যা : পলাতক ৯ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা রোহিঙ্গা সংকট : ত্রিপক্ষীয় বৈঠকে বসছে চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ আমাদের কাজই হচ্ছে জনগণকে সেবা দেয়া : প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গা ইস্যুতে চীন বাংলাদেশের পক্ষে: মোমেন আজ গাজীপুর যাবেন প্রধানমন্ত্রী পরিবেশ দূষণ: ৪ প্রতিষ্ঠানকে কোটি টাকা জরিমানা স্বর্ণজয়ী রোমান সানার মায়ের চিকিৎসার দায়িত্ব নিলেন প্রধানমন্ত্রী আরো দু’টি বোয়িং বিমান কেনার ইঙ্গিত দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারাবন্দির তথ্য ডাটাবেজে থাকবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অপ্রতিরোধ্য গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে দেশ: প্রধানমন্ত্রী অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ‘রাজহংস’ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী গরিবের ঘরবাড়ি গ্রাম যেন ভাঙা না হয়: প্রধানমন্ত্রী দুই মাসে এডিপি বাস্তবায়নের হার বেড়েছে ৪.৪৮ শতাংশ উদ্বোধনের দিনেই পদ্মাসেতুতে ট্রেন চলবে: রেলমন্ত্রী ৮ হাজার ৯৬৮ কোটি ৮ লাখ টাকার প্রকল্প একনেকে অনুমোদন ভারতীয় কোস্টগার্ড ডিজির সঙ্গে রীভা গাঙ্গুলির বৈঠক ইসির চুরি যাওয়া ল্যাপটপ উদ্ধার, আটক ৩ আজ মহান শিক্ষা দিবস প্রধানমন্ত্রী ‘রাজহংস’ উদ্বোধন করবেন আজ রোহিঙ্গা ভোটার: ইসি কর্মচারীসহ আটক ৩

রোহিঙ্গাদের অপরাধ ঠেকাতে রেশন বন্ধের সুপারিশ

প্রকাশিত: ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৯  

সন্ত্রাসী কার্যক্রমে জড়িত রোহিঙ্গাদের রেশন সুবিধা বন্ধ করে দেয়ার সুপারিশ করেছে পুলিশ। এ নিয়ে শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনারের কার্যালয়ে চিঠি দেয়া হয়েছে। তবে, মানবিক কারণে রেশন বন্ধের প্রস্তাব বাস্তবায়ন করা খুবই কঠিন বলে মনে করছে জেলা প্রশাসন।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে দেখা যায় জীবন ধারণের জন্য প্রয়োজনীয় নিত্যপণ্য সংগ্রহের জন্য রোহিঙ্গা শরণার্থীদের দীর্ঘ সারি। কক্সবাজারের উখিয়ার ঊনিশটি ত্রাণকেন্দ্র থেকে বিনামূল্যে রেশন বিতরণ করছে বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি।

প্রতিমাসে একবার ৩০ কেজি আতব চাল, ৯ কেজি মশুর ডাল ও ৩ লিটার সয়াবিন তেল পায় এক থেকে তিন সদস্যের রোহিঙ্গা পরিবার। পরিবার চার থেকে সাত সদস্যের হলে একই পরিমাণ রেশন মেলে মাসে দুইবার। আট থেকে দশ সদস্যের পরিবার মাসে তিনবার পায় একই পরিমাণ রেশন। আর, এগারো বা তারচেয়ে বেশি সদস্যের পরিবার মাসে দুইবার করে ৬০ কেজি আতব চাল, ১৮ কেজি মশুর ডাল ও ৯ লিটার সয়াবিন তেল পায়।

এর বাইরে, প্রতি মাসে ৭৭০ টাকা পান বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির স্মার্টকার্ডধারী প্রত্যেক রোহিঙ্গা। এ টাকা দিয়ে কমমূল্যে পেঁয়াজ, মরিচ, রসুন, লবণ, চিনি, ডিম, আলু, তাজা শাক, শুটকি, আপেল, কমলা, মাল্টাসহ ২৮ ধরনের পণ্য কিনতে পারেন তারা। এছাড়া, বিনামূল্যে সাবান, টুথ পেস্ট, টুথ ব্রাশ, জুতা, গ্যাসের চুলা ও এলপি গ্যাসের সিলিন্ডার পেয়ে থাকে রোহিঙ্গারা।

সন্ত্রাসী কার্যক্রমে জড়িত রোহিঙ্গারাও প্রতিমাসে রেশন সুবিধা ভোগ করছে। এই পরিস্থিতিতে অপরাধ নিয়ন্ত্রণে অভিযুক্তদের রেশন বন্ধ করার সুপারিশ করেছে পুলিশ। কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইকবাল হোসাইন বলেন, 'যে সমস্ত রোহিঙ্গারা অপরাধে জড়িয়ে পড়েছে ও যাদের বিরুদ্ধে আমরা অভিযোগপত্র দাখিল করেছি, তাদের গ্রেপ্তারের সহযোগীতার জন্য যেন রেশন বন্ধ করা হয়। কিংবা রেশন যখন উত্তোলন করতে যায় যেন পুলিশকে জানানো হয়, তাহলে আমরা তাদের আইনের আওতায় দ্রুত নিয়ে আসতে পারি।'

 

তবে, মানবিক কারণে এ সুপারিশ বাস্তবায়ন করা মুশকিল হবে বলে মনে করে জেলা প্রশাসন। কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক কামাল হোসেন বলেন, 'বন্ধ করা কঠিন কারণ তাদের পরিবারের লোকজনও তো তাদের সঙ্গে রয়েছে। সেই পরিবারকে তো অভুক্ত রাখার সুযোগ নেই। তবে, সুনির্দিষ্টভাবে যদি কেউ তার পরিবারসহ অপরাধে জড়িয়ে যায় তাহলে এই ব্যাপারটি বিবেচনার বিষয়টি আসবে।'

রেশন বন্ধ করা নিয়ে শিগগিরই আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী, জেলা প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনায় বসার কথা রয়েছে শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনারের।

এই বিভাগের আরো খবর