রোববার   ১৫ ডিসেম্বর ২০১৯   অগ্রাহায়ণ ৩০ ১৪২৬   ১৭ রবিউস সানি ১৪৪১

বরগুনার আলো
ব্রেকিং:
বন্দে আলী মিয়ার জন্ম ‘২ ঘণ্টার মধ্যে উড়ে যাবে সালমান খানের গ্যালাক্সি অ্যাপার্টমেন্ট!’ গরুর খামারে কম্বল দান করলেই মিলবে বন্দুকের লাইসেন্স! আজ প্রকাশ হবে রাজাকারদের তালিকা সোশ্যাল মিডিয়া বিশেষজ্ঞ খুঁজছেন ব্রিটেনের রানি শামীমের ৩৬৫ কোটি টাকা, খালেদের ৩৪, সম্রাটের ‘তেমন নেই’ মাকাসিদুশ শরিয়া তত্ত্বের প্রয়োগ ও অপপ্রয়োগ লড়েছেন মোসাদ্দেক, জিতেছে ঢাকা প্রজন্ম থেকে প্রজন্মকে সচেতন থাকতে হবে: প্রধানমন্ত্রী মোশতাক, জিয়ার মতো মীরজাফররা আর যেন ক্ষমতায় না আসে-প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনকে প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন বরগুনায় শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত বুদ্ধিজীবী দিবসে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস আজ বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীরের শাহাদতবার্ষিকী আজ বিশ্বের প্রভাবশালী ১০০ নারীর তালিকায় শেখ হাসিনা আজকের নবীন কর্মকর্তারাই হবেন ৪১ সালের সৈনিক : প্রধানমন্ত্রী ঘুষ-দুর্নীতির বিরুদ্ধে সজাগ থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর বয়স্ক বাবা-মাকে না দেখলে জেল
৮৮

রোহিঙ্গা ইস্যুতে ফ্রান্সের অব্যাহত সমর্থন চাইলেন রাষ্ট্রপতি

প্রকাশিত: ৮ আগস্ট ২০১৯  

রাখাইনে রোহিঙ্গাদের ‘জাতিগত নিধনের’ বিরুদ্ধে ফ্রান্সের শক্ত অবস্থানের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। একইসঙ্গে বাংলাদেশে ঠাঁই নেয়া রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে দেশটির অব্যাহত সমর্থন প্রত্যাশা করেছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার বিকেলে বঙ্গভবনে বাংলাদেশে নিযুক্ত ফ্রান্সের আবাসিক রাষ্ট্রদূত জেঁ-মারিন স্কুহ রাষ্ট্রপতির কাছে পরিচয়পত্র প্রদানের সময় তিনি এ কথা বলেন।

বৈঠকের পর রাষ্ট্রপতির প্রেস সেক্রেটারি জয়নাল আবেদীন বলেন, রাষ্ট্রদূতকে অভ্যর্থনা জানিয়ে রাষ্ট্রপতি আশা প্রকাশ করেন, ফ্রান্স রোহিঙ্গাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসনের জন্য মিয়ানমারের অভ্যন্তরে অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টির জন্য দেশটির উপর চাপ বাড়াবে।

বৈঠকে রাষ্ট্রপতি বলেন, বাংলাদেশ ও ফ্রান্সের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক অত্যন্ত চমৎকার। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাসনামলে সত্তরের দশক থেকে দু’দেশের মধ্যে সম্পর্ক বিরাজমান রয়েছে। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের পর ইউরোপের অন্যতম দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়ার জন্য ফ্রান্সের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন রাষ্ট্রপতি।

তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় আঁন্দ্রে মার্লো মতো শীর্ষস্থানীয় বুদ্ধিজীবীর সমর্থন ও যুদ্ধ বিধ্বস্ত বাংলাদেশ গঠনে ফ্রান্সের সমর্থনের প্রশংসা করেন।

বাংলাদেশের মুক্ত বিনিয়োগ নীতির কথা উল্লেখ করে প্রেসিডেন্ট হামিদ আগামী দিনে এ দেশে ফ্রান্সের আরো বিনিয়োগ প্রত্যাশা করেন। 

চলমান উন্নয়ন কর্মকাণ্ড সম্পর্কে রাষ্ট্রপতি বলেন, এরই মধ্যেই এ দেশ উন্নয়নশীল দেশের কাতারে পৌঁছেছে এবং আগামীতে এ দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে ফ্রান্সের সমর্থন কামনা করেন।

ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত বলেন, দিনে দিনে দু’দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগের সম্পর্ক বাড়ছে। তিনি আশা করেন আগামী দিনগুলোতে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ অব্যাহত থাকবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- রাষ্ট্রপতি সংশ্লিষ্ট সচিব ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তারা।

এর আগে, রাষ্ট্রদূত বঙ্গভবনে এসে পৌঁছালে আনুষ্ঠানিকতার অংশ হিসেবে রাষ্ট্রপতির গার্ড রেজিমেন্ট (পিজিআর)-এর একটি চৌকস অশ্বারোহী দল তাকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করে।

এই বিভাগের আরো খবর