শনিবার   ২৫ জানুয়ারি ২০২০   মাঘ ১২ ১৪২৬   ২৯ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১

বরগুনার আলো
ব্রেকিং:
নাসিরুদ্দিন শাহ ও অনুপম খেরের বাকযুদ্ধ আকাশ থেকে মোবাইলে পদ্মাসেতুর ছবি তুললেন প্রধানমন্ত্রী চীনের রহস্যময় ভাইরাস বাদুড় ও সাপ হয়ে মানবদেহে! `শেখ হাসিনার যোগ্য নেতৃত্বের কারণে পরিচয় দিতে গর্ববোধ করি` এত গুণ পুদিনা পাতার? হাঁসের মাংসের কালিয়া দেশ গঠনে ক্যাডেটদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে-সেনাপ্রধান মুজিববর্ষ ঘিরে বিদেশিদের মধ্যেও আগ্রহ বাড়ছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে পাখি মেলা শিক্ষার অন্যতম উদ্দেশ্য মানবসম্পদ তৈরি: শিক্ষা সচিব মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের লক্ষ্যেই আ’লীগ কাজ করে যাবে-শেখ হাসিনা সোলেইমানি হত্যার নিন্দা জানানোয় কসোভোতে নারীর কারাদণ্ড বরিশাল বোর্ডে এসএসসিতে অনিয়মিত পরীক্ষার্থী ২১ শতাংশ টুঙ্গিপাড়া যাত্রায় টোল পরিশোধ করলো আওয়ামী লীগ বিক্ষোভে জনসমুদ্র বাগদাদ, স্লোগানে কাঁপছে রাজপথ বিএনপি ভোট কারচুপির রাজত্ব সৃষ্টি করেছিল বলেই ইভিএম আনা হয়েছে বরগুনায় জেলেদের জালে ধরা পড়লো ৪শ কেজি ওজনের শাপলাপাতা মাছ বৈশ্বিক স্বাস্থ্যে এখনো ঝুঁকি নয় করোনা ভাইরাস: ডব্লিউএইচও সাকিবকে ছাড়িয়ে নতুন রেকর্ড গড়লেন তামিম বাবার কবরের পাশে বসে প্রধানমন্ত্রীর কোরআন তেলাওয়াত

শিক্ষক নিয়োগের ই-রিকুইজিশন শুরু আজ

বরগুনার আলো

প্রকাশিত: ১৪ জানুয়ারি ২০২০  

শিক্ষক নিয়োগের জন্য শূন্যপদের তথ্য সংগ্রহ বা ই-রিকুইজিশন প্রক্রিয়া শুরু আজ। চলবে ২৩ জানুয়ারি পর্যন্ত। এতথ্য জানিয়েছেন এনটিআরসিএ চেয়ারম্যান এস এম আশফাক হুসেন।

এর আগে এ বিষয়ে ৩টি চিঠি ও আদেশ জারি করেছে এনটিআরসিএ। চিঠিতে কার কি করণীয় তা বিস্তারিত বলা হয়েছে। বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এন্ট্রি লেভেলে শিক্ষক নিয়োগের লক্ষ্যে প্রার্থী বাছাইয়ের কাজ করে এনটিআরসিএ। বাছাই করা প্রার্থীদের আর কোনও পরীক্ষা দিতে হয় না।

এদিকে শূন্যপদের ভুল তথ্যের ভোগান্তিতে রুখতে শূন্যপদের তথ্য সংগ্রহ বা ই-রিকুইজিশন প্রক্রিয়ায় ব্যাপক পরিবর্তন আনা হচ্ছে।

সম্প্রতি এনটিআরসিএ চেয়ারম্যান এস এম আশফাক হুসেন বলেছেন, ই-রিকুইজিশন বা শূন্যপদের তথ্য সংগ্রহ প্রক্রিয়ায় ব্যাপক পরিবর্তন আনা হচ্ছে। আগে মহিলা কোটা কম্পিউটার নির্ধারণ করতো। এ নিয়ে অনেক প্রার্থী জটিলতায় পরেছেন। তাই, এ বছর প্রতিষ্ঠান প্রধানদের সুস্পষ্টভাবে শূন্যপদটি মহিলা কোটা বা মেধাভিত্তিক সে বিষয়টি প্রতিষ্ঠান প্রধানরা ঘোষণা করবেন। এছাড়া এ বছর প্রতিষ্ঠান প্রধানরা সুস্পষ্টভাবে শূন্য পদের তথ্য দিতে পারবেন। ভুল তথ্যে যাতে কেউ ভোগান্তিতে না পরে সে বিষয়টি মাথায় রেখেই তথ্য সংগ্রহ প্রক্রিয়ায় পরিবর্তন আনা হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, আগে প্রতিষ্ঠান প্রধানদের দেয়া তথ্য তদারকির দায়িত্ব ছিল উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের। কিন্তু যখন পদগুলোতে প্রার্থী সুপারিশ করা হয় ও ভুল তথ্যের কারণে জটিলতা সৃষ্টি হয় তখন প্রতিষ্ঠান প্রধান ও উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তারা বলছেন এ তথ্য তারা পাঠাননি। এ জটিলতা নিরসনেরও উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এবার উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা নয় জেলা শিক্ষ কর্মকর্তাদের শূন্যপদের তথ্য তদারকির দায়িত্ব দেয়া হবে।

‘এছাড়া জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা শুধু সফটওয়ারেই তথ্য পাঠাবেন তা নয়। একই সাথে রিপোর্ট আকারে এসব তথ্য আনা হবে। যাতে কর্মকর্তারা অস্বীকার না করতে পারেন। জেলা শিক্ষা কর্মকর্তারা স্বাক্ষর করে রিপোর্ট পাঠাবেন যাতে পরে জটিলতা সৃষ্টি না হয়।’

এনটিআরসিএ চেয়ারম্যান বলেছেন, শূন্যপদের তথ্য সংগ্রহ বা ই-রিকুইজিশন প্রক্রিয়া পরিচালনায় প্রতিষ্ঠান প্রধান ও জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের বিস্তারিত করণীয় উল্লেখ করে নির্দেশিকা প্রকাশ করা হবে।

বরগুনার আলো
এই বিভাগের আরো খবর