সোমবার   ২১ অক্টোবর ২০১৯   কার্তিক ৫ ১৪২৬   ২১ সফর ১৪৪১

বরগুনার আলো
ব্রেকিং:
আনসার আল ইসলামের চার সদস্য গ্রেফতার প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীকে ধৈর্য্যের আহ্বান জানিয়েছেন আঞ্চলিক সহযোগিতাসহ বিভিন্ন ইস্যুতে ইইউ-বাংলাদেশ সভা আজ সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনা: নিহতদের স্বজনদের যোগাযোগের আহ্বান কাউন্সিলর রাজীব ১৪ দিনের রিমান্ডে সোনাদিয়া দ্বীপে শিল্পকারখানা না করতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ রুশ ভাষায় প্রকাশিত বই প্রধানমন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর যুবলীগের সম্মেলন কমিটির আহ্বায়ক চয়ন, সদস্য সচিব হারুন ওমর বহিষ্কার, যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তাপস বোরহানউদ্দিনে সংঘর্ষের ঘটনায় তদন্ত কমিটি মাছের খাদ্যে শূকরের উপাদান আছে কিনা পরীক্ষার নির্দেশ স্পিকারের সঙ্গে পাঁচ মার্কিন সিনেটরের সাক্ষাৎ বৃদ্ধাশ্রম নয়, মা-বাবার জায়গা হোক হৃদয়ের মণিকোঠায় মিঠাপানিতে রুপালি ইলিশ ভারতের বিপক্ষে বিশ্ব একাদশে সাকিব-তামিম! হিন্দু ছেলের আইডি হ্যাক, ফেসবুকের কাছে তথ্য চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ডিআইজি বজলুরকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ সৈকতঘেরা জাকার্তায় প্রকৃতির অপার সৌন্দর্য নেপাল ভ্রমণের খুঁটিনাটি জাপান সম্রাটের অভিষেকে যোগ দিতে ঢাকা ছেড়েছেন রাষ্ট্রপতি
৪০

শিগগিরই বন্দর-ট্রেনে যুক্ত হচ্ছে ত্রিপুরা-বাংলাদেশ

প্রকাশিত: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯  

ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের রাজধানী আগরতলা থেকে বাংলাদেশের আখাউড়া পর্যন্ত রেললাইন সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে ভারত ও বাংলাদেশ সরকার। আগরতলা রেলওয়ে স্টেশন থেকে সাড়ে পাঁচ কিলোমিটার দূরে নিশ্চিন্তপুরের আন্তর্জাতিক সীমান্ত পর্যন্ত ভারতীয় অংশের রেলপথ নির্মাণের কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে। তবে, সীমান্ত থেকে বাংলাদেশের আখাউড়া রেলস্টেশন পর্যন্ত রেলপথ নির্মাণের কাজের গতি তুলনামূলক কম বলে জানিয়েছেন ত্রিপুরার পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী প্রনজিত সিংহ রায়।

রোববার (১৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় আগরতলা রবীন্দ্র শতবার্ষিকী ভবনে বাংলাদেশ সহকারী হাই-কমিশনের উদ্যোগে আয়োজিত প্রথম বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উৎসবে অতিথি হিসেবে যোগ দিয়ে এ কথা বলেণ তিনি। এসময় মঞ্চে উপস্থিত বাংলাদেশের তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদকে আহ্বান জানান, বাংলাদেশ সরকারও যেন কাজটি দ্রুত সম্পন্ন করে আগরতলা-আখাউড়ার মধ্যে সরাসরি ট্রেন চলাচলের ব্যবস্থা করে। জবাবে বাংলাদেশের তথ্যমন্ত্রী জানান, তিনি অবশ্যই সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কাছে একথা জানাবেন। 

প্রনজিত সিংহ রায় বলেন, ত্রিপুরার দক্ষিণাঞ্চলীয় সাব্রুম শহর হয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের মধ্যে সরাসরি পণ্য পরিবহন শুরু হলে ভারত-বাংলাদেশ দু’দেশই অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হবে।

অনুষ্ঠানে বক্তব্যকালে বাংলাদেশের তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলে, চট্টগ্রাম একটি প্রাকৃতিক সমুদ্রবন্দর। একে যখন জাহাজ দাঁড় করানোর উপযোগী করা হয়েছিল, তখন বাংলাদেশের পাশাপাশি ভারতের আসাম রাজ্যে পণ্য পরিবহনের কথা চিন্তা করেই নির্মাণ করা হয়েছিল। কিন্তু, পরবর্তীকালে রাজনৈতিক কারণে ভারত এটি ব্যবহার করতে পারেনি। তবে, আগামী কিছুদিনের মধ্যেই আগরতলা থেকে সাব্রুম হয়ে চট্টগ্রামের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপিত হলে ত্রিপুরা চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবহারের সুযোগ পাবে।

এই বিভাগের আরো খবর