বৃহস্পতিবার   ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০   ফাল্গুন ১৫ ১৪২৬   ০৩ রজব ১৪৪১

বরগুনার আলো
ব্রেকিং:
খালেদা জিয়ার জামিন আবেদন খারিজ বঙ্গবন্ধু অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ দিয়েছেন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মশা যেন ভোট খেয়ে না ফেলে, নতুন মেয়রদের প্রধানমন্ত্রী তাপস-আতিককে শপথ পড়ালেন প্রধানমন্ত্রী আমার কাছে রিপোর্ট আসছে, কাউকে ছাড়ব না : প্রধানমন্ত্রী দ্বিতীয় কিস্তির ২৭ কোটি ৬০ লাখ টাকা বিটিআরসিকে দিল রবি মাধ্যমিক পর্যন্ত বিজ্ঞান বাধ্যতামূলকের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ওপর নজরদারি বাড়াতে বললেন প্রধানমন্ত্রী বরগুনায় ওয়ারেন্ট ভুক্ত দুই আসামী গ্রেপ্তার আজকের স্বর্ণপদক প্রাপ্তরা ২০৪১ এর বাংলাদেশ গড়ার কারিগর যে কোন অর্জনের পেছনে দৃঢ় মনোবল এবং আত্মবিশ্বাস গুরুত্বপূর্ণ ‘প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক’ পেলেন ১৭২ শিক্ষার্থী আজ ১৭২ শিক্ষার্থী প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক পাচ্ছেন অশান্ত দিল্লিতে কারফিউ, নিহত ১৭ পিকে হালদারসহ ২০ জনের ব্যাংক হিসাব জব্দের আদেশ বহাল ৭ মার্চ জাতীয় দিবস ঘোষণা করে হাইকোর্টের রায় ১৪ দিনেই ভালো হচ্ছেন করোনা রোগী : আইইডিসিআর মুশফিক-নাঈমে ইনিংস ব্যবধানে দূর্দান্ত জয় টাইগারদের পিলখানা ট্র্যাজেডি দিবস আজ রিফাত হত্যা মামলার আসামি সিফাতের বাবা গ্রেফতার
৬১

‘শেখের বেটির উছিলায় শেষ বয়সে শান্তিতে ঘুমাইতে পারছি’

বরগুনার আলো

প্রকাশিত: ২৮ জানুয়ারি ২০২০  

শেখের বেটির উছিলায় মুই শেষ বয়সে পোলা-বউ ও নাতনি লইয়্যা শান্তিতে ঘুমাইতে পারছি। মুই হারা জীবন ভাঙ্গা নারার ঘরে রইছি। বইন্ন্যা আর দেউইতে মোর জীবন কাটছে। এ্যাহন শেখের বেটি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মোরে থাহার লইগ্যা একটা ইডের ঘর দেছে। হেই ঘরে মুই পোলা-বউ ও তিনডা নানতি লইয়্যা থাহি। এ্যাহন আর মোর দেওইয়্যার ডর নাই। শীতে আর কষ্ট হরতে অয়না। মুই শেখের বেটির জন্য দোয়া হরি যেন আল্লায় হ্যারে অনেক বচ্ছর বাচাইয়্যা রাহে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ত্রাণ তহবিল থেকে ঘর পেয়ে আনন্দে আত্মহারা হয়ে এ কথা বলেছেন, আমতলী উপজেলার চাওড়া ইউনিয়নের পাতাকাটা গ্রামের ১২০ বছর বয়সী বৃদ্ধা সেরাতুন নেছা। তিনি আরও বলেন, মোগো চেয়ারম্যান বাদল ব্যাডার লইগ্যাও মুই দোয়া হরি।

হে মোরে ভাতা দেছে, হ্যারপর ঘরের নাম দেছে।প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস সূত্রে জানা গেছে, শেখ হাসিনার ত্রাণ তহবিল থেকে আমতলীতে সাতাত্তর লাখ ৪০ হাজার টাকা ব্যয়ে টিআর কাবিখা প্রকল্পের আওতায় দুর্যোগ সহনীয় ৩০টি গৃহনির্মাণ করা হয়েছে। সাতটি ইউনিয়নের ৩০টি হতদরিদ্রদের পরিবারের মাঝে এ ঘরগুলো দেয়া হয়। প্রতিটি গৃহনির্মাণে ব্যয় করা হয়েছে দুই লাখ ৫৮ হাজার টাকা। পাকা টিনশেডের এ ঘরে রয়েছে দুটি থাকার ঘর, রান্নাঘর ও স্বাস্থ্যসম্মত টয়লেট। একটি ছোট পরিবারের জন্য উপযুক্ত থাকার ঘর। প্রধানমন্ত্রীর ভাল উদ্যোগের ফলে উপজেলার ৩০টি হতদরিদ্র পরিবার মাথা গোজার ঠাঁই পেয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে উপজেলার সমুদয় হতদরিদ্র পরিবারগুলোকে এ গৃহনির্মাণের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন সচেতন নাগরিক। সোমবার উপজেলার আঠারোগাছিয়া, কুকুয়া ও চাওড়া ইউনিয়নে সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, হতদরিদ্র মানুষগুলো প্রধানমন্ত্রীর দেয়া ঘর পেয়ে খুবই আনন্দিত। তারা তাদের পরিবার পরিজন নিয়ে সুখে শান্তিতে বসবাস করছে। চাওড়া ইউনিয়নের পাতাকাটা গ্রামের বুদ্ধি প্রতিবন্ধী হতদরিদ্র মোঃ মোবারক হোসেন বলেন, মোগো চেয়ারম্যান মোর মায়রে একটা ঘর দেছে। মুই মোর মায়রে লইয়্যা হেই ঘরে থাহি। আঠারোগাছিয়া ইউনিয়নের পশ্চিম সোনাখালী গ্রামের দরিদ্র লতিফ চৌকিদার ও নাশির দর্জি বলেন, শেখ হাসিনার দেয়া দুর্যোগ সহনীয় ঘরে খুব সুখে শান্তিতেই বসবাস করছি।

বরগুনার আলো
এই বিভাগের আরো খবর