বুধবার   ২০ নভেম্বর ২০১৯   অগ্রাহায়ণ ৬ ১৪২৬   ২২ রবিউল আউয়াল ১৪৪১

বরগুনার আলো
ব্রেকিং:
শাহজালালে পৌঁছেছে পাকিস্তানের ৮২ টন পেঁয়াজ ক্রিকেটের সঙ্গে টেনিসও এগিয়ে যাচ্ছে : প্রধানমন্ত্রী রিফাত হত্যা : চার্জ গঠন ২৮ নভেম্বর চালের দাম বাড়ানোর চেষ্টা করলে কঠোর ব্যবস্থা: খাদ্যমন্ত্রী র‌্যাব-৮ এর অভিযানে শীর্ষ সন্ত্রাসী গ্রেফতার ৭ ডিসেম্বর বিচারবিভাগীয় সম্মেলনে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী বরিশাল বোর্ডে এসএসসিতে বৃত্তি পাচ্ছেন ১৪১৭ শিক্ষার্থী কবি সুফিয়া কামালের মৃত্যুবার্ষিকী আজ জাতীয় অর্থনীতিতে নারীর অবদান সবচেয়ে বেশি: পলক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ট্রাক মালিকদের ফের বৈঠক আজ চক্রান্তকারীদের আইনের আওতায় আনা হবে: ওবায়দুল কাদের দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী লবণের দাম বাড়ালে জেল-জরিমানা : বাণিজ্যমন্ত্রী লবণ নিয়ে গুজবে কান দিবেন না: শিল্প মন্ত্রণালয় ২০২১ সালের মধ্যে ১০০০ উদ্যোক্তা তৈরিতে সহায়তা দেবে সরকার পদ্মাসেতুর প্রায় আড়াই কিলোমিটার দৃশ্যমান সেনা কল্যাণ সংস্থার চারটি স্থাপনা উদ্বোধন মালিতে জঙ্গি হামলায় ২৪ সেনা নিহত কন্যা সন্তানের জনক হলেন তামিম কেন্দ্রীয় ১৪ দলের সভা আজ
১৬৩

শেখ হাসিনা সরকারের কৃষি উন্নয়ন

প্রকাশিত: ১৪ নভেম্বর ২০১৮  

এখন যেখানেই চোখ রাখি সেখানেই শ্যামল-সবুজ বাংলা দেখতে পাই। ক্ষেত ভরা ধানের হাসি দেখে হাসি ফুটেছে কৃষকের মুখেও। আমাদের হারিয়ে যাওয়া গ্রাম-বাংলা আবারো ফিরে এসেছে। সবুজ শ্যামলা এই বাংলার একসময়ের গোলাভরা ধান, গোয়াল ভরা গরু হারিয়ে গিয়েছিল। এদেশের মানুষ দেখেছে ক্ষুধা দারিদ্র। ভাতের অভাবে অনাহারে অর্ধাহারে কতলোক মরেছে তার সঠিক পরিসংখ্যানও নেই। ‘হামাক একমুঠো ভাত দিয়ে জীবন বাচান’ মনে পড়ে যায় উত্তরবঙ্গের মঙ্গাপিড়ীত মানুষের আর্তনাদ। আজ সেসব দিন শুধুই দুঃসহ স্মৃতি। আমাদের উত্তরণ হয়েছে। আমার হাসু বুবুর হাত ধরেই বাংলাদেশ আজ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ। এর আগে একটি লেখায় আমি নারীর ক্ষমতায়নে শেখ হাসিনার অবদান তুলে ধরেছিলাম। এই লেখাটিতে আমি সবুজ বাংলাদেশ ক্ষুধা-দারিদ্রমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে কৃষিক্ষেত্রে জননেত্রী শেখ হাসিনার অবদানের কথা তুলে ধরবো।

স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধুর ’সবুজ বিপ্লব’। যুদ্ধবিদ্ধস্ত বাংলাদেশকে বাঁচাতে বঙ্গবন্ধুর প্রথম ও প্রধান উদ্যোগ। প্রথমেই তিনি কৃষির উপর গুরুত্ব দেন। কারণ কৃষক ও কৃষি না বাঁচলে বাংলাদেশ বাঁচবে না। তাঁর সুযোগ্য উত্তরসূরি হিসেবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীও বঙ্গবন্ধুর আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে কৃষি উন্ন্য়নের দিকে গুরুত্ব আারোপ করেন।

বাংলাদেশ কৃষি প্রধান দেশ। কৃষিকে আবর্তন করে এদেশের অর্থনীতি আবর্তিত হয়। অথচ ১৯৯৬ সালের আগে এদেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়নি। প্রথমবার ক্ষমতায় আসার পর জননেত্রী শেখ হাসিনা সরকার কৃষিক্ষেত্রে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়। যার কারণে ঐ পাঁচ বছরে বাংলাদেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করে। পরের দুই মেয়াদে বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর তারা কৃষিক্ষেত্রকে অবহেলিত করে রাখে। এই কারণে দেশে আবারও খাদ্য সঙ্কট দেখা দেয় এবং খাদ্য আমদানি করে দেশের চাহিদা পূরণ করতে হয়। অন্যদিকে পর্যাপ্ত সুযোগ সুবিধা না পাওয়ায় কৃষকরা দুর্দশাগ্রস্ত হয়ে পড়ে। সেসময়ে কৃষকদের কোন দাবি-দাওয়া তৎকালীন বিএনপি সরকার আমলে নেয়নি। ২০০৯ সালে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করলে কৃষিক্ষেত্রের উপর আবারো গুরুত্ব দেয়া হয়। ফলে খুব শীঘ্রই বাংলাদেশ আবারো খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করে। বর্তমানে বাংলাদেশ খাদ্য রপ্তানিও করছে, যা আমাদের দেশ কে গৌরবউজ্জল করেছে। বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, কৃষি বাঁচলে দেশ বাঁচবে। গণতন্ত্রের মানসকন্যা শেখ হাসিনা তাঁর পিতার মতই তৃণমূল পর্যায়ের মানুষের সুবিধা-অসুবিধার কথা জানেন, বুঝতে পারেন। সেজন্য তিনি কৃষিক্ষেত্রে উন্নয়নের জন্য নানা রকমের মৌলিক উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। কৃষি উৎপাদন বাড়াতে কৃষকদের সুযোগ সুবিধা বহুগুণ বৃদ্ধি করেছেন। শেখ হাসিনা সরকারের আমলে কৃষকদের মুখে হাসি ফুটেছে, স্বনির্ভরতা বেড়েছে এবং দেশও অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ হয়েছে। এক সময় আমরা ভুলেই গিয়েছিলাম মাছে-ভাতে বাঙালি। আজ আমরা নতুন করে মাছে-ভাতে বাঙালি হতে পেরেছি।

ধান, গম, পাট, সবজি উৎপাদনে বাংলাদেশ আজকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে খ্যাতি অর্জন করেছে। ধান উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বের চতুর্থ। এখন আর কেউ ভাতের অভাবে না খেয়ে মরে না। আন্তর্জাতিক পরিম-লে সবজি উৎপাদনে বাংলাদেশ ৩য় অবস্থানে রয়েছে। প্রতিবছরই মাছ উৎপাদন বেড়েছে। পুকুর-খাল ভরাট বন্ধে কঠোর অবস্থান নেয়া এবং নদীর নাব্যতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে নদী খনন দেশের মৎস্য উৎপাদন বাড়ানো হয়েছে। জাতীয় মাছ ইলিশ রক্ষা কার্যক্রমেও সরকার ঐতিহাসিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। তাই পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ইলিশ উৎপাদন কমলেও বাংলাদেশে ইলিশের উৎপাদন কয়েকগুণ বেড়েছে। আওয়ামী লীগ সরকারের টানা দুই মেয়াদে ইলিশ উৎপাদন অকল্পনীয় হারে বেড়েছে। সরকারি পরিসংখ্যানে ২০০৮-০৯ অর্থবছরে ইলিশের মোট উৎপাদন ছিল ২ লক্ষ ৯৮ হাজার মেট্টিক টন। গত বছর ইলিশের উৎপাদন ছিল প্রায় ৫ লক্ষ মেট্টিক টন। এর বর্তমান বাজারমূল্য ২৫ হাজার কোটি টাকা প্রায়। ২০১৭-২০১৮ সালে ইলিশের উৎপাদন ৫ লক্ষ মেট্টিক টন ছাড়িয়ে যাবে। গত ৯ বছরে এদেশে ইলিশের উৎপাদন বেড়েছে ৬৬ শতাংশ। পেটেন্ট, ডিজাইন ও ডেনমার্ক অধিদপ্তর প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নীরিক্ষা ও সকল কার্যক্রম শেষে বাংলাদেশের জাতীয় মাছ ইলিশের ভৌগলিক নিবন্ধন জিআই সনদ প্রদান করেছে। বর্তমানে আমাদের জিডিপির ১ শতাংশের বেশি আসে ইলিশ থেকে। বাংলাদেশের ইলিশ আজ সারা বিশ্বে। আমরা যখন সুদূর আমেরিকা, ইউরোপ হতে শুরু করে মধ্যপ্রাচ্য এমন কি প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারতে দেখি চাঁদপুরের ইলিশ পাওয়া যাচ্ছে, তখন আমাদের মনপ্রান আনন্দে ভরে উঠে। বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার মৎস্যচাষীদের সকল প্রকার সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করেছে। তাদের ঋণপ্রাপ্তি সহজ করা হয়েছে। তাদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করেছে সরকার। সবকিছু মিলিয়ে আজকের বিশ্বে বাংলাদেশ মাছ উৎপাদনে ৩য় স্থানে রয়েছে। বাংলাদেশ মাংস উৎপাদনেও স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়েছে। সরকার পশুপালনের উপর গুরুত্ব দিয়ে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করেছে। অনেক বেকার পশুপালন করে বেকারত্ব ঘুচিয়েছে। এখন আত্মকর্মসংস্থানের জন্য পশু-পাখি পালন একটি জনপ্রিয় ক্ষেত্র। আবার নারীরাও এতে বিশেষ উপকৃত হচ্ছেন। তারা বাড়ির আঙিনায় হাঁস-মুরগি পালন করে নিজেরা স্বাবলম্বী হচ্ছেন। পশুপাখি পালনের কারণে মানুষের আমিষের চাহিদা পূরণ হচ্ছে। দুধ-ডি মের উৎপাদন  পূর্বের চেয়ে বৃদ্ধি পেয়েছে।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কৃষকদের জন্য সহজে ব্যাংক একাউন্ট খোলার সুযোগ করে দিয়েছেন। এখন মাত্র দশ টাকা দিয়ে কৃষকরা ব্যাংকে একাউন্ট খুলতে পারছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কৃষকরা যেন সহজ শর্তে ঋণের সুবিধা পায় তা নিশ্চিত করেছেন। প্রতিবছরই কৃষকদের ঋণে সুদের হার কমিয়েছে সরকার। ২০১৫ সালে কৃষি ঋণে সুদের হার ছিল ১৩%। বর্তমানে সরকারের আন্তরিকতায় ৯% সুদে কৃষিকাজের জন্য ঋণ সুবিধা পাচ্ছে কৃষকরা। গতবছর বাংলাদেশ ব্যাংকের সিদ্ধান্ত মোতাবেক কৃষিকাজের জন্যে ২০ হাজার ৪০০ কোটি টাকা ঋণ বরাদ্দ রাখে ব্যাংকগুলো। ২০১৬-১৭ অর্থবছরে প্রায় ৩০ লক্ষ কৃষক কৃষিকাজের জন্য ব্যাংক থেকে ঋণ সুবিধা পেয়েছে।

২০১৭-১৮ অর্থবছরের বাজেটে কৃষিক্ষেত্রে মোট বরাদ্দ রাখা হয়েছে ২৬ হাজার ২৫৯ কোটি টাকা। এর আগের অর্থবছরে কৃষিতে মোট বরাদ্দ ছিল ২১ হাজার ৩৭ কোটি টাকা। অর্থাৎ সরকার প্রতিবছর সার্বিকভাবে কৃষিক্ষেত্রের বরাদ্দ বৃদ্ধি করেছে। বরাদ্দ বৃদ্ধির পাশাপাশি সরকার কৃষকদের উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি নীতি গ্রহণ করেছে। সরকারের নেয়া নীতিগুলোর মধ্যে পশু সম্পদ উন্নয়ন নীতি, মৎস্য নীতি, কৃষি উপকরণ নীতি, কৃষি সম্প্রসারণ নীতি, জাতীয় কৃষি নীতি উল্লেখযোগ্য।

কৃষি উৎপাদনে জননেত্রী শেখ হাসিনা সরকারের বড় একটি উদ্যোগ হচ্ছে বছরে এক জমিতে চার ফসল ভিত্তিক ফসলধারা। রোপা আমন-সরিষা-মুগডাল-রোপা আউশ ধান ফসল ধারায় অন্তর্ভুক্ত। শস্যের নিবিড়তা বৃদ্ধির জন্য বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে কৃষকদের উদ্ধুদ্ধ করণ এবং জমির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করাই হচ্ছে ফসল ধারার উদ্দেশ্য। এক সময় কৃষকরা বছরে একটি, আবার কোন এলাকায় দুই ফসল উৎপাদন করতেন। বাকী সময়ে জমিগুলো পতিত অবস্থায় পড়ে থাকত। কিন্তু বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের পরিকল্পিত উদ্যোগ গ্রহণ করে সারাদেশে কৃষকদের মাঝে মাঠ দিবস ও কর্মশালার মাধ্যমে ৪ ফসল উৎপাদনে উদ্ধুদ্ধ করে। এর ফলে ২০১৫ সাল থেকে শুরু করে ২০১৮ সাল পর্যন্ত সারাদেশের বিভিন্ন জেলায় কৃষকরা এর সফলতা পেতে শুরু করেছে। কোন ফসল নষ্ট হয়ে গেলে কৃষক পরের ফসল উৎপাদন করে তা পুষিয়ে নিচ্ছেন। ফলে ফসলধারাটি আগামীতে ক্রমহ্রাসমান আবাদি জমি থেকে বর্ধিত জনসংখ্যার জন্য খাদ্য উৎপাদনের একটি অন্যতম প্রযুক্তি হিসেবে কাজ করবে।

গতবছর বাংলাদেশের জিডিপির ১৫% এসেছিল কৃষি খাত থেকে। এতসব সাফল্য একদিনে অর্জন হয়নি, এজন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অনেক বড় পথ পাড়ি দিতে হয়েছে। এদেশে প্রতিবছর মানুষ বেড়েছে অথচ কমেছে ফসলি জমি। পরিসংখ্যান থেকে জানাগেছে, প্রতিবছর বাংলাদেশে ২০ লাখ মানুষ বৃদ্ধি পাচ্ছে। আর প্রতিবছর নানা কারণে ৮ লক্ষ হেক্টর জমি কমছে। তাই বর্তমান সরকারকে কৃষিক্ষেত্রকে আধুনিকায়ন করতে হয়েছে। অল্প জমিতে বেশি ফসল ফলানোর লক্ষ্যে পর্যাপ্ত বীজ, সার, চাষাবাদ পদ্ধতি, সেচ, কৃষকদের প্রশিক্ষণ, দুর্যোগ মোকাবলা, ফসলের নতুন জাত উদ্বাবনে উদ্যোগ নিতে হয়েছে সরকারকে। কৃষিক্ষেত্রে উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহার সহজলভ্য হয়েছে। যন্ত্রপাতির সাহায্যেই এখন জমি চাষ, সার দেয়া, ফসল রোপন, তোলা, মাড়াই করা হচ্ছে। একই সাথে মানুষজনকে কৃষিমুখী করতে এবং কৃষিকাজে উৎসাহিত করতে প্রণোদনা প্রদানের বিভিন্ন উদ্যোগ সফল বাস্তবায়নও করেছে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকার। ফলে মানুষ বাড়ার সাথে সাথে ফসলি জমি কমলেও এখন বাংলাদেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হতে পেরেছে। অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হয়ে কৃষকদের মুখে হাসি ফুটেছে, তাদের সন্তানরা স্কুলে যাচ্ছে। এজন্যেই বাংলাদেশের কৃষকসমাজ জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে। বৃক্ষ মানুষের সবসময়ের উপকারী বন্ধু।  তাই বৃক্ষরোপণের জন্যে তিনি বারবার দেশবাসীকে উদ্বুদ্ধ করেছেন।  আবার ‘একটি বাড়ি একটি খামার’ শেখ হাসিনা সরকারের আরেকটি মাইলফলক। এই প্রকল্পের মাধ্যমে সব জেলার কৃষকরা উপকৃত হচ্ছে আমরাও চাই জননেত্রী শেখ হাসিনা কৃষিক্ষেত্রে উন্নয়ন অব্যাহত রাখুক।

একটি আবেগময় অনুভূতি প্রকাশ না করে পারছি না, গত ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসে শেখ হাসিনা শহিদদের স্মরণে একটি যুগান্তকারী উদ্যোগ গ্রহণ করেন। কৃষিখাতকে সমৃদ্ধ করতে তিনি ৩০ লক্ষ শহিদের স্মরণে ৩০ লক্ষ বৃক্ষরোপণের উদ্যোগ নেন। সবার অংশগ্রহণে যা সফলভাবে বাস্তবায়িত হয়েছে। শহিদদের স্মরণে লাগানো ৩০ লক্ষ গাছ একদিন ফুলে-ফলে ভরে উঠবে ও দেশের  মানুষের উপকারে আসবে। আর সাধারণ মানুষ বৃক্ষরোপণের মধ্যদিকে তাদেরকে স্মরণ করবে। শহীদদের স্মরণে এমন স্বতন্ত্র চিন্তা কি আর কেউ করেছে?

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গণতন্ত্র উন্নয়নের গণতন্ত্র। তাই আসছে একাদশ জাতীয় নির্বাচনে কৃষিখাতসহ সকল খাতে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে জননেত্রী ও দেশরত্ন শেখ হাসিনাকে নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে টানা তৃতীয়বারের মত সরকার গঠন করার সুযোগ করে দিন। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থাকলে বাংলাদেশ ও দেশের মানুষ আরো স্বয়ংসম্পূর্ণ হবে ইনশাল্লাহ্।

জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু, জয় হোক বাংলার কৃষকের।