বুধবার   ০১ এপ্রিল ২০২০   চৈত্র ১৭ ১৪২৬   ০৭ শা'বান ১৪৪১

বরগুনার আলো
ব্রেকিং:
করোনায় খাদ্য ঘাটতি হবে না : কৃষিমন্ত্রী ভিডিও কনফারেন্সে বক্তব্য রাখ‌ছেন প্রধানমন্ত্রী আজ সকালে ৬৪ জেলার কর্মকর্তাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর কনফারেন্স পিপিই যেন নষ্ট না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী করোনা মোকাবিলায় সরকার জনগণের পাশে আছে -প্রধানমন্ত্রী ছুটিতে কর্মস্থল ছাড়া যাবে না : সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন করোনা সংকটকালে জনগণের পাশে থাকবে আ.লীগ: কাদের আমি করোনায় আক্রান্ত হইনি : স্বাস্থ্যমন্ত্রী বাংলাদেশে ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত নেই : আইইডিসিআর পদ্মা সেতু‌তে বসলো ২৭তম স্প্যান, দৃশ্যমান হলো ৪ হাজার ৫০ মিটার সব পোশাক কারখানা বন্ধের নির্দেশ পবিত্র শবে বরাত ৯ এপ্রিল অতি প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে যাবেন না : প্রধানমন্ত্রী জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী মুক্তি পেলেন খালেদা জিয়া সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী জাতির উদ্দেশে আজ ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী নিষেধাজ্ঞা অক্ষরে অক্ষরে পালন করুন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বরগুনায় সকল প্রকার যানবাহন চলাচল বন্ধ রাখার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশেই খালেদা জিয়াকে মুক্তির সিদ্ধান্ত
৫২

সংসদে অনুপস্থিত এমপিদের আসন সরিয়ে দেয়ার হুঁশিয়ারি প্রধানমন্ত্রীর

বরগুনার আলো

প্রকাশিত: ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০  

 

মুজিববর্ষ পালন নিয়ে সংসদ সদস্যদের বাড়াবাড়ি না করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মঙ্গলবার রাতে সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের সংসদীয় দলের সভায় বক্তব্যের সময় তিনি এসব বলেন। একাধিক সংসদ সদস্য বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন

বৈঠকে উপস্থিত সংসদ সদস্যদের ভাষ্য অনুযায়ী, বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল ট্রাস্টের অনুমতি না নিয়ে শেখ মুজিবুর রহমানের মুর‌্যাল তৈরি না করার নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

ষষ্ঠ অধিবেশন শেষ হওয়ার পর সংসদ ভবনের সরকারি দলের সভাকক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। একঘণ্টার বেশি সময় ধরে চলা এ বৈঠকে বক্তব্য দেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, সংসদ সদস্য শামীম ওসমান, গাজী শাহনেওয়াজ, মাজহারুল হক প্রধান, আ স ম ফিরোজ, ছোট মনির, মৃনাল কান্তি দাস প্রমুখ।

সূত্র জানায়, বৈঠকে সংসদ নেতা শেখ হাসিনা সংসদ চলাকালে সিনিয়র সংসদ সদস্য ও মন্ত্রী বিশেষ করে তার আশপাশের সংসদ সদস্য অনুপস্থিত থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘তারা সংসদে নিয়মিত না থাকলে তাদের চেয়ারগুলো যেন দূরে সরিয়ে দেয়া হয়’। অধিবেশন চললে তিনি নিয়মিত বৈঠকে উপস্থিত থাকেন। কিন্তু দেখা যায় অনেকেই বৈঠকে থাকেন না। সংসদে বক্তব্য দেয়ার সময় আশপাশের চেয়ারগুলো ফাঁকা দেখা যায়।

টেলিভিশনে এই ফাঁকা চেয়ারগুলো দেখা যায়। এতে সংসদের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়। এ সময় প্রধানমন্ত্রী জরুরি কোনো প্রয়োজন না থাকলে অধিবেশন চলাকালে সকলে যেন উপস্থিত থাকে এই নির্দেশনা দেন। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী মুজিববর্ষ পালন করতে গিয়ে সংসদ সদস্যদের অতিরঞ্জিত কিছু না করার নির্দেশ দেন।


শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমি জানি বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর কী অবস্থায় আমাদের চলতে হয়েছে। ওই সময় অনেকের ভূমিকা আমি জানি। তাই মুজিববর্ষের কর্মসূচি পালনের নামে বেশি লাফঝাঁপ করা যাবে না’।

এ সময় তিনি নিয়মতান্ত্রিকভাবে কর্মসূচি পালনের পরামর্শ দেন। তিনি মুজিববর্ষকে কেন্দ্র করে ঢালাওভাবে বঙ্গবন্ধুর মুর‌্যাল নির্মাণ না করার নির্দেশ দেন। শেখ মুজিবুর রহমানের মুর‌্যাল তৈরিতে বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল ট্রাস্টের অনুমতি দেয়ার বাধ্যবাধকতার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, ‘কেউ মুর‌্যাল করতে চাইলে যেন ট্রাস্টের অনুমতি নিয়ে করেন। অনুমতি ছাড়া যত্রযত্র যেন মুর‌্যাল তৈরি করা না হয়’।

বৈঠকে সংসদ সদস্য মৃনাল কান্তি দাস সংসদ সদস্যদের মুজিববর্ষের কর্মসূচি স্থানীয় সংগঠনকে সাথে নিয়ে পালনের অনুরোধ করে বলেন, ‘মুজিববর্ষ পালন করতে গিয়ে এমপিদের সঙ্গে যেন দলের দূরত্ব সৃষ্টি না হয়। দলকে সঙ্গে নিয়ে কর্মসূচি পালন করতে হবে’।

বরগুনার আলো
এই বিভাগের আরো খবর