• শুক্রবার   ০৩ জুলাই ২০২০ ||

  • আষাঢ় ১৮ ১৪২৭

  • || ১২ জ্বিলকদ ১৪৪১

বরগুনার আলো
ব্রেকিং:
গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত ৪০১৯, মৃত্যু ৩৮ চালের বাজার অস্থিতিশীল করলে কঠোর ব্যবস্থা : খাদ্যমন্ত্রী গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত ৩৭৭৫, মৃত্যু ৪১ যত্রতত্র পশুরহাটের অনুমতি দেওয়া যাবে না- ওবায়দুল কাদের জঙ্গিবাদ দমনে সফলতা ধরে রাখতে কাজ করে যাচ্ছি: র‌্যাব ডিজি ৩৮তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করোনায় ২৪ ঘণ্টায় ৬৪ মৃত্যু, শনাক্ত ৩৬৮৩ শিগগিরই আরও ৪ হাজার নার্স নিয়োগ: প্রধানমন্ত্রী করোনায় ২৪ ঘণ্টায় ৪৫ মৃত্যু, শনাক্ত ৪০১৪ অর্ধশত যাত্রী নিয়ে বুড়িগঙ্গায় লঞ্চডুবি, উদ্ধার কাজ চলছে করোনায় ২৪ ঘণ্টায় ৪৩ মৃত্যু, শনাক্ত ৩৮০৯ ফ্লাইট পরিচালনার অনুমোদন পাচ্ছে ৪ বিদেশি এয়ারলাইন্স অপরাধী ক্ষমতাবান হলেও ছাড় দেয়া হবে না: কাদের গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন ৩৫০৪ করোনা রোগী শনাক্ত, মৃত্যু ৩৪ গণপরিবহনে বেশি ভাড়া নিলে কঠোর ব্যবস্থার হুমকি সেতুমন্ত্রীর করোনায় ২৪ ঘণ্টায় ৩৯ মৃত্যু, শনাক্ত ৩৯৪৬ মানুষকে বাঁচানোই এখন একমাত্র রাজনীতি : কাদের ঢাকা-বেইজিং বাণিজ্য যোগাযোগ বাড়ানো হবে: চীনা রাষ্ট্রদূত করোনায় ২৪ ঘণ্টায় ৩৭ মৃত্যু, শনাক্ত ৩৪৬২ উপযুক্ত পরিবেশ হলেই এইচএসসি পরীক্ষা নেয়া হবে: শিক্ষামন্ত্রী
৪৯

সবচেয়ে বেশি বিপদে পড়বে বাংলাদেশ: জাতিসংঘ মহাসচিব

বরগুনার আলো

প্রকাশিত: ৫ নভেম্বর ২০১৯  

বৈশ্বিক উষ্ণায়নের প্রভাবে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বাড়ছে দিন দিন। আর সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা যতই বাড়বে, ততই বিভিন্ন দেশের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হবে। পানিতে তলিয়ে নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে সমুদ্র তীরবর্তী অঞ্চলগুলো।

এই ঝুঁকিতে প্রায় শীর্ষে রয়েছে বিশ্বের বৃহত্তম ব-দ্বীপ বাংলাদেশ। ভারত, চীন এবং জাপানের নামও রয়েছে ঝুঁকিপূর্ণ দেশের তালিকায়।

সোমবার থাইল্যান্ডের ব্যাংককে আয়োজিত ৩৫তম আসিয়ান সম্মেলনে এমন তথ্য তুলে ধরেন জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতিয়েরেস।

তিনি বলেন, ২০৫০ সালের মধ্যে অন্তত ৩০ কোটি মানুষ অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুহারা হবেন শুধু জলবায়ু বিপর্যয়ের কারণে। এর দায় কেউ এড়াতে পারে না বলে মন্তব্য করেন মহাসচিব। এসময় সম্ভাব্য ক্ষতিগ্রস্তদের একটি তালিকাও তিনি উপস্থাপন করেন।

এতে বলা হয়, ক্ষতিগ্রস্তদের সিংহভাগ হবে চীনের। যার সংখ্যা অন্তত নয় কোটি ৩০ লাখ। বাংলাদেশে চার কোটি ২০ লাখ মানুষের ক্ষতি হবে। ভারতে তিন কোটি ৬০ লাখ, ইন্দোনেশিয়ায় দুই কোটি ৩০ লাখ মানুষের ক্ষতি হতে পারে। এছাড়া বাকিরা জাপানসহ এশিয়ারই বিভিন্ন দেশের মানুষ। তবে জনসংখ্যা হিসেবে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির মুখে বাংলাদেশই।

গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে গুতিয়েরেস বলেন, এটি সত্যি যে, বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধির সবচেয়ে ক্ষতিকর প্রভাবের শিকার হবে দক্ষিণ এশিয়া। তুলনামূলকভাবে নিচু এলাকাগুলো এই মহাদেশেই পড়েছে। এসব দেশের অন্তত ১০ শতাংশ মানুষ আগামী ৩০ বছরে চরম ক্ষতির সম্মুখীন হতে যাচ্ছেন।

সম্প্রতি বিজ্ঞান বিষয়ক কিছু সাময়িকীতে প্রকাশিত প্রতিবেদনের উদাহরণ টেনে জাতিসংঘ মহাসচিব বলেন, এই শতাব্দীতে কার্বণ নিঃসরণের হার কমিয়ে না নিয়ে আসলে বৈশ্বিক তাপমাত্রা এক দশমিক পাঁচ ডিগ্রি বৃদ্ধি পাবে। এছাড়া আগামী ১০ বছরে এই হার ৪৫ শতাংশ না কমালে বিপর্যয় অবধারিত। এ নিয়ে আসিয়ান সম্মেলনে যোগ দেওয়া নেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করার চেষ্টা করেন তিনি।

কয়লার ওপর নির্ভর না করে প্রযুক্তির উন্নয়নে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সব কাজে জৈব-পদ্ধতি ব্যবহারের পরামর্শ দেন গুতিয়েরেস।

বরগুনার আলো
আন্তর্জাতিক বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর