মঙ্গলবার   ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯   আশ্বিন ২ ১৪২৬   ১৭ মুহররম ১৪৪১

বরগুনার আলো
ব্রেকিং:
৮ হাজার ৯৬৮ কোটি ৮ লাখ টাকার প্রকল্প একনেকে অনুমোদন ভারতীয় কোস্টগার্ড ডিজির সঙ্গে রীভা গাঙ্গুলির বৈঠক ইসির চুরি যাওয়া ল্যাপটপ উদ্ধার, আটক ৩ আজ মহান শিক্ষা দিবস প্রধানমন্ত্রী ‘রাজহংস’ উদ্বোধন করবেন আজ রোহিঙ্গা ভোটার: ইসি কর্মচারীসহ আটক ৩ রিফাত-মিন্নির নতুন ভিডিও, বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য ‘বিজ্ঞান-প্রযুক্তির বিকাশ ছাড়া দেশ উন্নয়ন করা সম্ভব নয়’ রোহিঙ্গা ভোটার খতিয়ে দেখতে চট্টগ্রামে কবিতা খানম আগামী ১০মাসের রোডম্যাপ তৈরি ও তার বাস্তবায়ন করবো - জয় ও লেখক ডেঙ্গুতে সরকারি হিসেবে ৬৮ জনের মৃত্যু আ. লীগের সম্পাদকমণ্ডলীর সভা ১৮ সেপ্টেম্বর বঙ্গবন্ধুর নাতনি টিউলিপের জন্মদিন আজ আজ থেকে ট্রাকে পেঁয়াজ বিক্রি করবে টিসিবি বিশ্ব ওজন দিবস আজ শিগগিরই বন্দর-ট্রেনে যুক্ত হচ্ছে ত্রিপুরা-বাংলাদেশ দিল্লিতে শেখ হাসিনা-মোদি বৈঠক ৫ অক্টোবর সারাদেশে ৭৫ প্রতিষ্ঠানকে পাঁচ লক্ষাধিক টাকা জরিমানা প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগের ফল প্রকাশ এ পি জে আব্দুল কালাম স্মৃতি পুরস্কারে ভূষিত শেখ হাসিনা

সম্ভাব্য বাসযোগ্য গ্রহে পানির সন্ধান পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা

প্রকাশিত: ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৯  

প্রথমবারের মতো জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা একটি দূরবর্তী নক্ষত্রের সম্ভাব্য বাসযোগ্য অঞ্চলের কক্ষপথের একটি গ্রহে পানি থাকার প্রমাণ পেয়েছেন। কে২-১৮বি নামের গ্রহটিতে পানির সন্ধান পাওয়ার পর তাতে প্রাণের অস্তিত্ব অনুসন্ধানের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত বলে বিবেচনা করা হচ্ছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এখবর জানিয়েছে।

খবরে বলা হয়েছে, গ্রহটিতে পানি আবিষ্কারের বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে বিজ্ঞান জার্নাল ন্যাচার অ্যাস্ট্রনমিতে। এই গবেষণার নেতৃত্ব দেওয়া ইউনিভার্সিটি কলেজ অব লন্ডনের অধ্যাপক জিওভান্না টিনেট্টি এই আবিষ্কারকে অভূতপূর্ব হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নতুন মহাকাশ টেলিস্কোপ আবিষ্কার হওয়ার পর নিশ্চিতভাবে জানা যাবে কে২-১৮বি গ্রহটিতে জীবনের অস্তিত্ব রয়েছে কিনা। বিজ্ঞানীরা ধারণা করছেন আগামী ১০ বছরের মধ্যে বিষয়টি জানা যাবে।

অধ্যাপক টিনেট্টি বলেন, এই প্রথমবারের মতো আমরা একটি নক্ষত্রের সম্ভাব্য বাসযোগ্য এলাকা ঘিরে থাকা গ্রহে পানি আবিষ্কার করেছি। সেখানকার তাপমাত্রা সম্ভবত প্রাণের অস্তিত্বের জন্যের অনুকূল।

কে২-১৮বি পৃথিবী থেকে ১১১ আলোক-বর্ষ অর্থাৎ প্রায় ৬৫০ মিলিয়ন মিলিয়ন মাইলস দূরে। ফলে তদন্তের জন্য কিছু পাঠানো যাচ্ছে না। ২০২০ সালে নতুন প্রজন্মের মহাকাশ টেলিস্কোপ চালু হলে তা দিয়ে বিষয়টি জানা যেতে পারে।

ইউনিভার্সিটি কলেজ অব লন্ডনের ড. ইঙ্গো ওয়াল্ডম্যান বলেন, অন্য গ্রহে প্রাণের অস্তিত্ব থাকার প্রশ্নটি বিজ্ঞানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ। আমরা সব সময়েই ভেবেছি বিশ্বমণ্ডলে কি আমরাই একা। আগামী ১০ বছরের মধ্যে আমরা জানতে পারব সেখানে জীবন থাকার মতো রাসায়নিক পদার্থের অস্তিত্ব রয়েছে কিনা।

এর আগে ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে সৌরজগতে পৃথিবীর আকৃতির সাতটি গ্রহ আবিষ্কার করেছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। সৌরজগতের নিকটবর্তী একটি নক্ষত্রকে ঘিরে এই সাতটি গ্রহ ঘূর্ণায়মান রয়েছে। বিজ্ঞানীরা তখন জানিয়েছিলেন, এ সাতটি গ্রহে প্রাণের অস্তিত্ব থাকতে পারে।