শনিবার   ১৮ জানুয়ারি ২০২০   মাঘ ৪ ১৪২৬   ২২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১

বরগুনার আলো
ব্রেকিং:
বিপিএলে প্রথম শিরোপার স্বাদ পেলো রাজশাহী আদালতে মজনুর স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সাউন্ড সিস্টেমে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা যাবে ১ ফেব্রুয়ারি থেকে এসএসসি শুরু প্রথম আলোর সম্পাদকসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা আমরা ক্রসফায়ারকে সাপোর্ট করতে পারি না : ওবায়দুল কাদের পোশাক রপ্তানিকে ছাড়িয়ে যাবে আইসিটি : জয় বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্ব শুরু কাল বিশ্ব ইজতেমার ২য় পর্বে ময়দানে আসতে শুরু করেছেন মুসল্লিরা অন্ধকার ভেদ করে আলোর পথে বাংলাদেশ: সংসদে প্রধানমন্ত্রী রিফাত হত্যা : দুই আসামি জামিনে মুক্ত দুর্নীতি মামলা : বিএনপি প্রার্থী ইশরাকের বিচার শুরু কাদেরের বাইপাস পরবর্তী স্বাস্থ্যের উন্নতি, দেশে ফিরছেন রাতেই  এসডিজি অর্জনে বাংলাদেশ সঠিক পথে রয়েছে : প্রধানমন্ত্রী আবুধাবি থেকে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী সরকারের জনপ্রিয়তা অনেক বেড়েছে: আইআরআই ওমানের সুলতানের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোকবার্তা আবুধাবি থেকে দেশের পথে প্রধানমন্ত্রী পদ্মাসেতুতে বসলো ২১তম স্প্যান,দৃশ্যমান হলো ৩ হাজার ১৫০ মিটার রিট খারিজ, নির্ধারিত তারিখেই হচ্ছে ঢাকার দুই সিটি নির্বাচন
৪৭

সম্ভাব্য বাসযোগ্য গ্রহে পানির সন্ধান পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা

প্রকাশিত: ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৯  

প্রথমবারের মতো জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা একটি দূরবর্তী নক্ষত্রের সম্ভাব্য বাসযোগ্য অঞ্চলের কক্ষপথের একটি গ্রহে পানি থাকার প্রমাণ পেয়েছেন। কে২-১৮বি নামের গ্রহটিতে পানির সন্ধান পাওয়ার পর তাতে প্রাণের অস্তিত্ব অনুসন্ধানের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত বলে বিবেচনা করা হচ্ছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এখবর জানিয়েছে।

খবরে বলা হয়েছে, গ্রহটিতে পানি আবিষ্কারের বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে বিজ্ঞান জার্নাল ন্যাচার অ্যাস্ট্রনমিতে। এই গবেষণার নেতৃত্ব দেওয়া ইউনিভার্সিটি কলেজ অব লন্ডনের অধ্যাপক জিওভান্না টিনেট্টি এই আবিষ্কারকে অভূতপূর্ব হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নতুন মহাকাশ টেলিস্কোপ আবিষ্কার হওয়ার পর নিশ্চিতভাবে জানা যাবে কে২-১৮বি গ্রহটিতে জীবনের অস্তিত্ব রয়েছে কিনা। বিজ্ঞানীরা ধারণা করছেন আগামী ১০ বছরের মধ্যে বিষয়টি জানা যাবে।

অধ্যাপক টিনেট্টি বলেন, এই প্রথমবারের মতো আমরা একটি নক্ষত্রের সম্ভাব্য বাসযোগ্য এলাকা ঘিরে থাকা গ্রহে পানি আবিষ্কার করেছি। সেখানকার তাপমাত্রা সম্ভবত প্রাণের অস্তিত্বের জন্যের অনুকূল।

কে২-১৮বি পৃথিবী থেকে ১১১ আলোক-বর্ষ অর্থাৎ প্রায় ৬৫০ মিলিয়ন মিলিয়ন মাইলস দূরে। ফলে তদন্তের জন্য কিছু পাঠানো যাচ্ছে না। ২০২০ সালে নতুন প্রজন্মের মহাকাশ টেলিস্কোপ চালু হলে তা দিয়ে বিষয়টি জানা যেতে পারে।

ইউনিভার্সিটি কলেজ অব লন্ডনের ড. ইঙ্গো ওয়াল্ডম্যান বলেন, অন্য গ্রহে প্রাণের অস্তিত্ব থাকার প্রশ্নটি বিজ্ঞানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ। আমরা সব সময়েই ভেবেছি বিশ্বমণ্ডলে কি আমরাই একা। আগামী ১০ বছরের মধ্যে আমরা জানতে পারব সেখানে জীবন থাকার মতো রাসায়নিক পদার্থের অস্তিত্ব রয়েছে কিনা।

এর আগে ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে সৌরজগতে পৃথিবীর আকৃতির সাতটি গ্রহ আবিষ্কার করেছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। সৌরজগতের নিকটবর্তী একটি নক্ষত্রকে ঘিরে এই সাতটি গ্রহ ঘূর্ণায়মান রয়েছে। বিজ্ঞানীরা তখন জানিয়েছিলেন, এ সাতটি গ্রহে প্রাণের অস্তিত্ব থাকতে পারে।