রোববার   ১৭ নভেম্বর ২০১৯   অগ্রাহায়ণ ৩ ১৪২৬   ১৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪১

বরগুনার আলো
ব্রেকিং:
প্রশ্নপত্র ফাঁসের কোনো অভিযোগ নেই- গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী এফআর টাওয়ারের নকশা জালিয়াতি : বিএনপি নেতা ফারুকসহ ৩জন কারাগারে ছয় দিনের রিমান্ডে সম্রাট প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা শুরু: প্রস্তুত ২৯ লাখ শিক্ষার্থী ১৮ বছর বয়সী বাংলাদেশি পেসারের ৮ উইকেট আজ মজলুম জননেতা হামিদ খান ভাসানীর প্রয়াণ দিবস আমিরাতে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা শুরু আজ আমার বাসায় সমস্ত রান্না হয়েছে পেঁয়াজ ছাড়া- প্রধানমন্ত্রী দুর্নীতির টাকা দিয়ে ফুটানি চলবে না : প্রধানমন্ত্রী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি নির্মল সম্পাদক বাবু বরগুনায় আয়কর মেলা উদ্বোধন পেঁয়াজ বিমানে উঠে গেছে কাল-পরশু এলেই দাম কমবে- প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে মূল বক্তা মোদি প্রধানমন্ত্রী দুবাই যাচ্ছেন আজ স্বেচ্ছাসেবকলীগের সম্মেলন আজ মেসির জাদুতে ব্রাজিলকে হারাল আর্জেন্টিনা আয়কর দিলেন অর্থমন্ত্রী, রিটার্ন দাখিল প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার নির্দেশনায় পুলিশ এখন দক্ষ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কলকাতা টেস্ট দেখতে আমন্ত্রণ জানিয়ে শেখ হাসিনাকে মোদীর চিঠি
২১৬

সুরা বাকারার শেষ দুই আয়াতের বিশেষ ফজিলত

প্রকাশিত: ১৫ অক্টোবর ২০১৯  


 
একদিন জিবরাঈল (আ.) নবিজির কাছে বসা ছিলেন। হঠাৎ প্রচন্ড একটি শব্দ শোনা গেলো। জিবরাঈল (আ.) নিজের মাথা উচু করে বললেন, এটা আকাশের সেই দরজা খোলার শব্দ যা আজকের পূর্বে আর কখনও খোলা হয়নি। সেই দরজা দিয়ে একজন ফিরিশতা পৃথিবীতে অবতরণ করেছেন, যিনি ইতোপূর্বে আর কখনও পৃথিবীতে আগমন করেননি। সে ফিরিশতা নবিজির কাছে এসে বললেন, ‘আপনার জন্যে দুটো নুরের সুসংবাদ রয়েছে। ১. সুরাতুল ফাতিহা এবং ২. সুরা বাকারার শেষ দুটো আয়াত। যা আপনার পূর্বে অন্য কোনো নবিকে প্রদান করা হয়নি। সুরা ফাতিহা এবং সুরা বাকারার শেষ দুটো আয়াত থেকে একটি অক্ষরও পড়ে আল্লাহ তায়ালার কাছে আপনি যা কিছু প্রার্থনা করবেন তা প্রদান করা হবে।’ [সহিহ মুসলিম, হাদিস নং- ৮০৬]

নু‘মান ইবনু বাশীর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবিজি (সা.) বলেছেন, ‘আল্লাহ তায়ালা আসমান-জমিন সৃষ্টির দুই হাজার বছর পূর্বে একটি কিতাব লিখেছেন। সেই কিতাব হতে তিনি দু‘টি আয়াত নাযিল করছেন। সেই দু‘টি আয়াতের মাধ্যমেই সুরা আল-বাকারা সমাপ্ত করেছেন। যে ঘরে তিন রাত এ দু‘টি আয়াত তিলাওয়াত করা হয় শয়তান সেই ঘরের নিকটেও আসতে পারে না।’ [সুনানুত তিরমিযি : ২৮৮২] 

এক ব্যক্তি আরয করল, ‘হে আল্লাহর নবি! কুরআনের কোন্ আয়াত এমন, যার বরকত আপনার ও আপনার উম্মাতের কাছে পৌঁছতে আপনি ভালবাসেন?’ নবিজি (সা.) বললেন, সুরা আল-বাকারার শেষাংশ। কেননা আল্লাহ তায়ালা তাঁর আরশের নীচের ভাণ্ডার হতে তা এ উম্মতকে দান করেছেন। দুনিয়া ও আখিরাতের এমন কোন কল্যাণ নেই যা এতে নেই। [মিশকাতুল মাসাবিহ : ২১৬৯] 

জুবাইর ইবনু নুফাইর (রা.) থেকে বর্ণিত। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, সুরা আল-বাকারাকে আল্লাহ তায়ালা এমন দু’টি আয়াত দ্বারা শেষ করেছেন, যা আমাকে আল্লাহর আরশের নীচের ভাণ্ডার হতে দান করা হয়েছে। তাই তোমরা এ আয়াতগুলো শিখবে। তোমাদের স্ত্রীদেরকেও শিখাবে। কারণ এ আয়াতগুলো হচ্ছে রহমত, (আল্লাহর) নৈকট্য লাভের উপায়। (দীন দুনিয়ার সকল) কল্যাণলাভের দুয়া। [মিশকাতুল মাসাবিহ : ২১৭৩]

সাইয়িদুনা আলি (রা.) বলেছেন, ‘এটা আমার জানা নেই, উপযুক্ত বয়সের এবং জ্ঞান-বিবেক বুদ্ধি সম্পন্ন কোনো মুসলমানদের মধ্যে এমন কেউ রয়েছে যে, রাতে ঘুমানোর পূর্বে আয়াতুল কুরসি এবং সুরা বাকারার শেষ দুটো আয়াত তিলাওয়াত করে না।’ [তাফসির ইবনু কাসির, ১ম খন্ড, পৃষ্ঠা-৭৩৫]

বদরি সাহাবি আবু মাসউদ (রা.) থেকে বর্ণিত। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘সুরা বাকারার শেষে এমন দু’টি আয়াত রয়েছে, যে ব্যক্তি রাতের বেলা আয়াত দু’টি তিলাওয়াত করবে তার জন্য এ আয়াত দু’টোই যথেষ্ট। অর্থাৎ রাতে কুরআন মাজিদ তিলাওয়াত করার যে হক রয়েছে, কমপক্ষে সুরা বাকারার শেষ দু’টি আয়াত তিলাওয়াত করলে তার জন্য তা যথেষ্ট।’ [সহিহ বুখারি : ৪০০৮] 

এই বিভাগের আরো খবর