শনিবার   ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০   ফাল্গুন ১৬ ১৪২৬   ০৫ রজব ১৪৪১

বরগুনার আলো
ব্রেকিং:
খালেদা জিয়ার জামিন আবেদন খারিজ বঙ্গবন্ধু অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ দিয়েছেন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মশা যেন ভোট খেয়ে না ফেলে, নতুন মেয়রদের প্রধানমন্ত্রী তাপস-আতিককে শপথ পড়ালেন প্রধানমন্ত্রী আমার কাছে রিপোর্ট আসছে, কাউকে ছাড়ব না : প্রধানমন্ত্রী দ্বিতীয় কিস্তির ২৭ কোটি ৬০ লাখ টাকা বিটিআরসিকে দিল রবি মাধ্যমিক পর্যন্ত বিজ্ঞান বাধ্যতামূলকের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ওপর নজরদারি বাড়াতে বললেন প্রধানমন্ত্রী বরগুনায় ওয়ারেন্ট ভুক্ত দুই আসামী গ্রেপ্তার আজকের স্বর্ণপদক প্রাপ্তরা ২০৪১ এর বাংলাদেশ গড়ার কারিগর যে কোন অর্জনের পেছনে দৃঢ় মনোবল এবং আত্মবিশ্বাস গুরুত্বপূর্ণ ‘প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক’ পেলেন ১৭২ শিক্ষার্থী আজ ১৭২ শিক্ষার্থী প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক পাচ্ছেন অশান্ত দিল্লিতে কারফিউ, নিহত ১৭ পিকে হালদারসহ ২০ জনের ব্যাংক হিসাব জব্দের আদেশ বহাল ৭ মার্চ জাতীয় দিবস ঘোষণা করে হাইকোর্টের রায় ১৪ দিনেই ভালো হচ্ছেন করোনা রোগী : আইইডিসিআর মুশফিক-নাঈমে ইনিংস ব্যবধানে দূর্দান্ত জয় টাইগারদের পিলখানা ট্র্যাজেডি দিবস আজ রিফাত হত্যা মামলার আসামি সিফাতের বাবা গ্রেফতার
৬৩

স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীর যাবজ্জীবন

বরগুনার আলো

প্রকাশিত: ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২০  

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলায় মর্জিনা আক্তার নামে এক নারীকে হত্যার দায়ে স্বামী ছমির উদ্দিনকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। পাশাপাশি তাকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও দুই বছর সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (১১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে কিশোরগঞ্জের তৃতীয় অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক প্রদীপ কুমার রায় এ আদেশ দেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত ছমির উদ্দিন পাকুন্দিয়া উপজেলার সৈয়দগাঁও পশ্চিমপাড়া গ্রামের মৃত ইজ্জাত আলীর ছেলে। 

মামলার বিবরণে জানা যায়, উপজেলার সৈয়দগাঁও পশ্চিমপাড়া গ্রামের ছমির উদ্দিনের সঙ্গে সৈয়দগাঁও গ্রামের নূরুল ইসলামের মেয়ে মর্জিনা আক্তারের বিয়ে হয়। বিয়ের পর তাদের একটি কন্যা সন্তানের জন্ম হয়। এরপর মর্জিনা চাকরির উদ্দেশে লেবানন চলে যান। সেখান থেকে প্রতি মাসে স্বামীর কাছে নিয়মিত টাকা পাঠাতেন। কিন্তু ছমির সেই টাকা বেহিসাবি খরচ করতো। বিষয়টি টের পেয়ে মর্জিনা টাকা পাঠানো বন্ধ করে দেন। ২০১৭ সালের ১২ জুলাই মর্জিনা ছুটি নিয়ে বাবার বাড়িতে চলে আসেন। এর দু’দিন পর সকালে মর্জিনা প্রতিবেশির বাড়িতে গেলে সেখানে ছমির তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। কিছুক্ষণ পর মর্জিনা তার বাবার বাড়ির উঠানে দাঁড়িয়ে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলার সময় ছমির এসে ধারালো ছুরি দিয়ে তাকে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যান। এ অবস্থায় তাকে পাকুন্দিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পর চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার পর ছমির হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরিসহ পাকুন্দিয়া থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করেন।

এ ঘটনায় নিহত মর্জিনার বাবা নূরুল ইসলাম বাদী হয়ে ছমিরকে আসামি করে পাকুন্দিয়া থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। ছমির আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। 

একই বছরের ২৪ ডিসেম্বর পাকুন্দিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন মোল্লা তদন্ত শেষে তার বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। শুনানি ও সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় মঙ্গলবার দুপুরে এ রায় দেন বিচারক। 

রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন সহকারী সরকারি কৌঁসুলি (এপিপি) অ্যাডভোকেট দিলীপ কুমার ঘোষ ও আসামিপক্ষে আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট জেসমিন আরা রোজী। 

বরগুনার আলো
এই বিভাগের আরো খবর