সোমবার   ২০ জানুয়ারি ২০২০   মাঘ ৭ ১৪২৬   ২৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১

বরগুনার আলো
ব্রেকিং:
সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় এমপি মান্নানের প্রথম জানাজা সম্পন্ন সিপিবি’র সমাবেশে বোমা হামলা : ১০ জঙ্গির ফাঁসি এমপি মান্নানের মরদেহে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা আদালতে সিপিবির সমাবেশে বোমা হামলা মামলার ৪ আসামি চীনের জিনজিয়াং প্রদেশে শক্তিশালী ভূমিকম্প শহীদ আসাদ দিবস আজ বৈষম্য বিলোপ আইনের খসড়া তৈরির কাজ চলছে: আইনমন্ত্রী মানবতার কল্যাণ কামনায় শেষ হলো বিশ্ব ইজতেমা আখেরি মোনাজাতে অংশ নিতে লাখো মুসল্লি তুরাগতীরে আমতলীতে কন্যা সন্তান হওয়ায় হত্যা,পাষন্ড বাবা গ্রেফতার পুরো পরীক্ষাই পেছাবে, নতুন সূচি আজ : শিক্ষামন্ত্রী ফাইভজির স্বপ্ন বাস্তবে পরিণত হবে শিগগির: অর্থমন্ত্রী ঢাকা সিটি ভোট পিছিয়ে ১ ফেব্রুয়ারি করার সিদ্ধান্ত ইসির এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা পিছিয়ে ৩ ফেব্রুয়ারি সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় সোমবার মান্নানের জানাজা এমপি আব্দুল মান্নানের মৃত্যুতে গভীর শোক রাষ্ট্রপতির পদ্মা সেতুর ২২তম স্প্যান বসছে এ মাসেই আব্দুল মান্নানের মৃত্যুতে ওবায়দুল কাদেরের শোক এমপি মান্নানের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক বয়ানে চলছে দ্বিতীয় দিনের ইজতেমা,কাল আখেরী মোনাজাত
১৩৭

হুট করে ফেসবুকে জনপ্রিয় কাঠমিস্ত্রী রিপন !

প্রকাশিত: ৪ অক্টোবর ২০১৯  

'আমি তো মোবাইল বন্ধ রাখি। সারাদিন মোবাইলে ফোন আসে। সবাই শুধু কথা বলতে চায়। জানতে চায় আমি কী করি, কোথায় থাকি এসব। আমার সাথে গল্প করতে চায়। এইজন্য মোবাইল বন্ধ রাখি। না হলে কাজ করতে পারি না।' 

কথাগুলো নেত্রকোনার রিপন নামের এক যুবকের। ফেসবুকে হুট করে জনপ্রিয় হয়ে গেছেন এই রিপন। এখন আর সেই ধকল সামলাতে পারছেন না। নামের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ভিডিও। অর্থাৎ রিপন সোশ্যাল মিডিয়ায় 'রিপন ভিডিও' নামে পরিচিত  হয়েছে গেছেন। মাত্র ক'দিনে ফেসবুক অনুসরণকারীর সংখ্যা পৌনে ৩ লাখ।

আকস্মিক এই জনপ্রিয়তার উৎস কী? তাকে ফেসবুক অ্যাকাউন্ট খুলে দিয়েছিলেন এক বন্ধু। সেখানে ভুল উচ্চারণে নিজে ছন্দ মিলিয়ে মিলিয়ে ভিডিও বানিয়ে পোস্ট করতেন। এই ভিডিও ক্রমাগত ছড়াতে থাকে।  রিপনের ভিডিওগুলো মজা করে দেখে নেটিজেনরা শেয়ার দিচ্ছেন যার কারণে এগুলো ক্রমাগত ছড়াচ্ছে। এই হাসি ঠাট্টার কারণেই রিপন এখন নেত্রকোনা সদরে আলোচিত। 

রিপন পেশায় কাঠমিস্ত্রী। আসবাবপত্র তৈরির দোকানে কাজ করেন। এর ফাঁকে মোবাইলে ফেসবুক দেখতেন। বুঝে উঠতে পারতেন যে আসলে ফেসবুকে কী লেখা রয়েছে। পড়েছেন তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত। স্বাভাবিকভাবেই সবকিছু পড়তে পারেন না। 
অকপটে সবকিছু স্বীকার নিয়ে রিপন বলেন, 'আমি ফেসবুকে কিছু পড়তে পারি না। আমার বন্ধুরা ফেসবুক খুলে দিয়েছে। যখন কাজ থাকে না, তখন আমি ছন্দ বানাই। মাস দুইয়েক আগের ঘটনা, একদিন মনে হলো ছন্দগুলো ভিডিও করি। ভিডিও করেছিলাম। পরে মনে হলো ফেসবুকে দেই। ফেসবুকে দেওয়ার পরে মানুষ সেগুলো নিয়ে কথা বলতে শুরু করে।'

গত ঈদে একটি ভিডিও ছেড়েছিলেন। সেই ভিডিওতে নিজের বাসায় ঈদের দাওয়াত দিয়েছিলেন বন্ধুদের। ভিডিওটি হাসি ঠাট্টায় সোশ্যাল মিডিও ছড়িয়ে পড়ে। এরপরই তাকে গ্রামের কয়েকজন পেইজ খুলে দেন। পেইজটাও নাকি তারাই চালান। আর রিপন মাঝেমধ্যে নিজের ভিডিও আপলোড করেন। 

জনপ্রিয়তার যে ধকল রয়েছে সেটা হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছেন। বললেন, 'দিন নাই রাত নাই সবসময় আমার মোবাইলে ফোন আসে, কোনো কাজ করতে পারি না। তাই এখন মোবাইল বন্ধ করে রাখি। কিন্তু রেহাই নেই। মানুষজন দেখা করতে চলে আসে। ঢাকা থেকে অনেকজন  ইন্টারভিউ করে নিয়ে গেছেন। ইউটিউবে সেসব প্রকাশ হয়েছে। এখনও আসছে।'

 

এই বিভাগের আরো খবর