শুক্রবার   ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৯   আশ্বিন ৪ ১৪২৬   ২০ মুহররম ১৪৪১

বরগুনার আলো
ব্রেকিং:
ছাত্রলীগের পর যুবলীগকে ধরেছি : প্রধানমন্ত্রী ছাত্রলীগকে সংযমের সঙ্গে চলার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর সাথে যুক্তরাজ্য প্রতিনিধি দলের সাক্ষাত অবৈধ জুয়ার আড্ডা বা ক্যাসিনো চলতে দেওয়া হবে না: ডিএমপি কমিশনার পটুয়াখালীতে ধর্ষণ মামলার বাদীকে পেটানো প্রধান আসামিসহ গ্রেপ্তার-৪ শাহজালালে বিমানের জরুরি অবতরণ শুক্রবার নিউইয়র্ক যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী রাজধানীর তিনটি ক্যাসিনোতে র‌্যাবের অভিযান জিম্বাবুয়েকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে বাংলাদেশ টস হেরে ব্যাটিং এ বাংলাদেশ রিফাত হত্যা : পলাতক ৯ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা রোহিঙ্গা সংকট : ত্রিপক্ষীয় বৈঠকে বসছে চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ আমাদের কাজই হচ্ছে জনগণকে সেবা দেয়া : প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গা ইস্যুতে চীন বাংলাদেশের পক্ষে: মোমেন আজ গাজীপুর যাবেন প্রধানমন্ত্রী পরিবেশ দূষণ: ৪ প্রতিষ্ঠানকে কোটি টাকা জরিমানা স্বর্ণজয়ী রোমান সানার মায়ের চিকিৎসার দায়িত্ব নিলেন প্রধানমন্ত্রী আরো দু’টি বোয়িং বিমান কেনার ইঙ্গিত দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারাবন্দির তথ্য ডাটাবেজে থাকবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অপ্রতিরোধ্য গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে দেশ: প্রধানমন্ত্রী
১৮৪

২৫ বছর পর শেখ হাসিনাকে বহনকারী ট্রেনে হামলা মামলা রায় আজ

প্রকাশিত: ৩ জুলাই ২০১৯  

পাবনার ঈশ্বরদীতে ১৯৯৪ সালে তৎকালীন বিরোধী দলের নেতা ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বহনকারী ট্রেনে গুলি-বোমা হামলা মামলার রায় আজ। যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে গত সোমবার পাবনার অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালত-১-এর বিচারক রোস্তম আলী রায়ের দিন ধার্য করেন। এদিকে মামলার অন্যতম আসামি বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মকলেছুর রহমান বাবলু ও বিএনপি নেতা আবদুল হাকিম টেনু গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন। পরে আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

১৯৯৪ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেত্রী ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দলীয় কর্মসূচি অনুযায়ী ট্রেনে করে খুলনা থেকে সৈয়দপুর যাচ্ছিলেন। ঈশ্বরদী রেলওয়ে জংশনে তার পথসভা করার কথা ছিল। পাকশী পৌঁছালে ওই ট্রেনবহরে অতর্কিত হামলা চালায় সন্ত্রাসীরা। তারা শেখ হাসিনার কামরা লক্ষ্য করে কয়েক রাউন্ড গুলি করে। এতে কামরাটির জানালার কাচ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এ ঘটনায় ঈশ্বরদী জিআরপি থানার তৎকালীন ওসি নজরুল ইসলাম বাদী হয়ে তৎকালীন ছাত্রদল নেতা ও বর্তমানে ঈশ্বরদী পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাকারিয়া পিন্টুসহ সাতজনকে আসামি করে মামলা করেন। কোনো সাক্ষী না পাওয়ার কথা জানিয়ে একই বছর আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদনও দেয় পুলিশ। কিন্তু আদালত প্রতিবেদন গ্রহণ না করে পুনরায় তদন্তের জন্য সিআইডিকে নির্দেশ দেন।

১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করার পর সিআইডি মামলাটি পুনঃতদন্ত করে ১৯৯৭ সালের ৩ এপ্রিল চার্জশিট জমা দেয়। এতে বিএনপি নেতা মকলেছুর রহমান বাবলুসহ দলের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের ৫২ নেতাকর্মীকে আসামি করা হয়। আসামিদের মধ্যে পাঁচজন এরই মধ্যে মারা গেছেন।

পাবনা জজ কোর্টের পিপি অ্যাডভোকেট আক্তারুজ্জামান মুক্তা বলেন, শেখ হাসিনার প্রাণনাশের মামলাগুলোর মধ্যে এটি অন্যতম। ৩৮ জন সাধারণ সাক্ষী ও ৫৬ জনের সাফাই সাক্ষী শেষ হয়েছে। এতে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ হয়েছে। আশা করছি, আদালত তাদের বিস্ম্ফোরক আইনে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড দেবেন।

এই বিভাগের আরো খবর