সোমবার   ৩০ মার্চ ২০২০   চৈত্র ১৫ ১৪২৬   ০৫ শা'বান ১৪৪১

বরগুনার আলো
ব্রেকিং:
করোনা মোকাবিলায় সরকার জনগণের পাশে আছে -প্রধানমন্ত্রী ছুটিতে কর্মস্থল ছাড়া যাবে না : সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন করোনা সংকটকালে জনগণের পাশে থাকবে আ.লীগ: কাদের আমি করোনায় আক্রান্ত হইনি : স্বাস্থ্যমন্ত্রী বাংলাদেশে ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত নেই : আইইডিসিআর পদ্মা সেতু‌তে বসলো ২৭তম স্প্যান, দৃশ্যমান হলো ৪ হাজার ৫০ মিটার সব পোশাক কারখানা বন্ধের নির্দেশ পবিত্র শবে বরাত ৯ এপ্রিল অতি প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে যাবেন না : প্রধানমন্ত্রী জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী মুক্তি পেলেন খালেদা জিয়া সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী জাতির উদ্দেশে আজ ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী নিষেধাজ্ঞা অক্ষরে অক্ষরে পালন করুন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বরগুনায় সকল প্রকার যানবাহন চলাচল বন্ধ রাখার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশেই খালেদা জিয়াকে মুক্তির সিদ্ধান্ত করোনা ছোঁয়াচে, এক মিটার দূরত্বে থাকার পরামর্শ ২৬ মার্চ থেকে সারাদেশে ১০ দিন গণপরিবহন বন্ধ মাঠে নেমেছে সেনাবাহিনী সকল বেসরকারি প্রতিষ্ঠানও বন্ধের নির্দেশ
২৮০

২৫ বছর পর শেখ হাসিনাকে বহনকারী ট্রেনে হামলা মামলা রায় আজ

বরগুনার আলো

প্রকাশিত: ৩ জুলাই ২০১৯  

পাবনার ঈশ্বরদীতে ১৯৯৪ সালে তৎকালীন বিরোধী দলের নেতা ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বহনকারী ট্রেনে গুলি-বোমা হামলা মামলার রায় আজ। যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে গত সোমবার পাবনার অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালত-১-এর বিচারক রোস্তম আলী রায়ের দিন ধার্য করেন। এদিকে মামলার অন্যতম আসামি বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মকলেছুর রহমান বাবলু ও বিএনপি নেতা আবদুল হাকিম টেনু গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন। পরে আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

১৯৯৪ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেত্রী ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দলীয় কর্মসূচি অনুযায়ী ট্রেনে করে খুলনা থেকে সৈয়দপুর যাচ্ছিলেন। ঈশ্বরদী রেলওয়ে জংশনে তার পথসভা করার কথা ছিল। পাকশী পৌঁছালে ওই ট্রেনবহরে অতর্কিত হামলা চালায় সন্ত্রাসীরা। তারা শেখ হাসিনার কামরা লক্ষ্য করে কয়েক রাউন্ড গুলি করে। এতে কামরাটির জানালার কাচ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এ ঘটনায় ঈশ্বরদী জিআরপি থানার তৎকালীন ওসি নজরুল ইসলাম বাদী হয়ে তৎকালীন ছাত্রদল নেতা ও বর্তমানে ঈশ্বরদী পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাকারিয়া পিন্টুসহ সাতজনকে আসামি করে মামলা করেন। কোনো সাক্ষী না পাওয়ার কথা জানিয়ে একই বছর আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদনও দেয় পুলিশ। কিন্তু আদালত প্রতিবেদন গ্রহণ না করে পুনরায় তদন্তের জন্য সিআইডিকে নির্দেশ দেন।

১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করার পর সিআইডি মামলাটি পুনঃতদন্ত করে ১৯৯৭ সালের ৩ এপ্রিল চার্জশিট জমা দেয়। এতে বিএনপি নেতা মকলেছুর রহমান বাবলুসহ দলের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের ৫২ নেতাকর্মীকে আসামি করা হয়। আসামিদের মধ্যে পাঁচজন এরই মধ্যে মারা গেছেন।

পাবনা জজ কোর্টের পিপি অ্যাডভোকেট আক্তারুজ্জামান মুক্তা বলেন, শেখ হাসিনার প্রাণনাশের মামলাগুলোর মধ্যে এটি অন্যতম। ৩৮ জন সাধারণ সাক্ষী ও ৫৬ জনের সাফাই সাক্ষী শেষ হয়েছে। এতে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ হয়েছে। আশা করছি, আদালত তাদের বিস্ম্ফোরক আইনে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড দেবেন।

বরগুনার আলো
এই বিভাগের আরো খবর