বুধবার   ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯   আশ্বিন ৩ ১৪২৬   ১৮ মুহররম ১৪৪১

বরগুনার আলো
ব্রেকিং:
রিফাত হত্যা : পলাতক ৯ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা রোহিঙ্গা সংকট : ত্রিপক্ষীয় বৈঠকে বসছে চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ আমাদের কাজই হচ্ছে জনগণকে সেবা দেয়া : প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গা ইস্যুতে চীন বাংলাদেশের পক্ষে: মোমেন আজ গাজীপুর যাবেন প্রধানমন্ত্রী পরিবেশ দূষণ: ৪ প্রতিষ্ঠানকে কোটি টাকা জরিমানা স্বর্ণজয়ী রোমান সানার মায়ের চিকিৎসার দায়িত্ব নিলেন প্রধানমন্ত্রী আরো দু’টি বোয়িং বিমান কেনার ইঙ্গিত দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারাবন্দির তথ্য ডাটাবেজে থাকবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অপ্রতিরোধ্য গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে দেশ: প্রধানমন্ত্রী অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ‘রাজহংস’ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী গরিবের ঘরবাড়ি গ্রাম যেন ভাঙা না হয়: প্রধানমন্ত্রী দুই মাসে এডিপি বাস্তবায়নের হার বেড়েছে ৪.৪৮ শতাংশ উদ্বোধনের দিনেই পদ্মাসেতুতে ট্রেন চলবে: রেলমন্ত্রী ৮ হাজার ৯৬৮ কোটি ৮ লাখ টাকার প্রকল্প একনেকে অনুমোদন ভারতীয় কোস্টগার্ড ডিজির সঙ্গে রীভা গাঙ্গুলির বৈঠক ইসির চুরি যাওয়া ল্যাপটপ উদ্ধার, আটক ৩ আজ মহান শিক্ষা দিবস প্রধানমন্ত্রী ‘রাজহংস’ উদ্বোধন করবেন আজ রোহিঙ্গা ভোটার: ইসি কর্মচারীসহ আটক ৩
৪১

৩০ বছরে সন্তান নিলে বাচ্চা হবে মেধাবী ও স্মার্ট

প্রকাশিত: ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৯  


সবারই স্বপ্ন থাকে পছন্দের মানুষের সঙ্গে নিজের একটি সংসার হবে। সে সংসার আনন্দ আর ভালোবাসায় ভরে থাকবে ছোট্ট একটি শিশুর হাসিতে। প্রথম সন্তান নিয়ে বাবা-মায়ের থাকে হাজারো স্বপ্ন ও প্রত্যাশা। 

আজকাল পড়াশোনা শেষ করে, চাকরি সামলে বিয়ে করতেই বেশ বয়স হচ্ছে মেয়েদের। আর মা হতে কিছুটা দেরিই হয়ে যাচ্ছে। অনেকেরই বয়স ৩০ পেরিয়েছে তবুও সন্তান নেওয়া হয়ে ওঠেনি। এমন সময় অনেকেই ভয় পান বেশি বয়সে সন্তান নিলে কেমন যেন হয়, তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সুস্থ থাকলে ৩০ বছরে সন্তান নিলেও তেমন সমস্যা হয় না। বরং বাচ্চা হবে মেধাবী ও স্মার্ট। 

যারা ৩০ বছরের পরে সন্তান জন্ম দেন তাদের জরায়ু ক্যান্সারের ঝুঁকিও কমে যায়। শিশুর জন্মের সময় মায়ের মানসিক ও শারীরিক উভয়ই সুস্থ থাকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বয়স হলে নারীদের সন্তান জন্ম দেওয়ার মানসিক প্রস্তুতিও থাকে। ফলে গর্ভের সন্তান ও নিজের যত্নে অনেক বেশি সচেতন থাকেন।  

শুধু ত্রিশের পরেই নয়, কোনো বয়সেই মা হওয়ার সময়টায় ফলিক অ্যাসিড, ভিটামিন ডি, ‍আয়রন সমৃদ্ধ পুষ্টিকর খাবার নিয়মিত খেতে হবে। পর্যাপ্ত বিশ্রাম ‍আর একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শমতো চলতে হবে।