শুক্রবার   ১৩ ডিসেম্বর ২০১৯   অগ্রাহায়ণ ২৯ ১৪২৬   ১৫ রবিউস সানি ১৪৪১

বরগুনার আলো
ব্রেকিং:
বিশ্বের প্রভাবশালী ১০০ নারীর তালিকায় শেখ হাসিনা আজকের নবীন কর্মকর্তারাই হবেন ৪১ সালের সৈনিক : প্রধানমন্ত্রী ঘুষ-দুর্নীতির বিরুদ্ধে সজাগ থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর বয়স্ক বাবা-মাকে না দেখলে জেল চ্যাম্পিয়নস লিগের শেষ ষোলোতে যারা ফখরুল-রিজভীসহ ১৩৫ জনের বিরুদ্ধে দুই মামলা সবার জন্য উন্মুক্ত থাকছে ‘কনসার্ট ফর ডিজিটাল বাংলাদেশ’ এসক্যাপ অধিবেশনে যোগ দিতে শেখ হা‌সিনা‌কে আমন্ত্রণ রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠির ন্যায়বিচার-নিরাপত্তা দাবি অক্সফামের কৃষি আধুনিক হলেই মাথাপিছু আয় বাড়বে: কৃষিমন্ত্রী মাওলানা ভাসানীর জন্মবার্ষিকী আজ কাল নেতাকর্মীদের সতর্ক থাকতে বললেন ওবায়দুল কাদের ‘ফুড চেইনের মাধ্যমে প্লাস্টিক শরীরে প্রবেশ করছে’ বিশাল জয়ে শুরু কুমিল্লার বঙ্গবন্ধু বিপিএল মিশন টাইম ম্যাগাজিনের ‘পারসন অব দ্য ইয়ার’ গ্রেটা থানবার্গ বিদ্যুৎ খাতের উন্নয়নে ৩০ কোটি ডলার দেবে এডিবি ‘বিদেশগামীদের জন্য চালু হচ্ছে প্রবাসী কর্মী বিমা’ প্রেষণে বদলি রাষ্ট্রীয় ব্যাংকের ৯ জিএম জনতা ব্যাংকের অর্থ আত্মসাৎ: আসামিকে আত্মসমর্পণের নির্দেশ মাদককে দেশ ছাড়া করবো: আইজিপি
১০২

৮ হাজার টাকায় মেলে এক লাখ টাকা!

প্রকাশিত: ২৭ নভেম্বর ২০১৯  

মাত্র ৮ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকার বিনিময়ে পাওয়া যায় ১ লাখ টাকা। নোটগুলোও প্রতিটি এক হাজার টাকার কড়কড়ে। তবে সেই টাকা আসল নয়, জাল নোট। একটি সংঘবদ্ধ চক্র দীর্ঘদিন ধরে এমন জাল টাকার নিখুঁত নোট তৈরি করে বাজারে ছড়িয়ে দিত।

এমনই একটি চক্রের ছয়জনকে রাজধানীর কামরাঙ্গীরচর চর এলাকা থেকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। তারা হলেন, সাইফুল ইসলাম (৩১), গিয়াস উদ্দিন (৩৬), আজহার আলী (৩৯), মো. আসিফ (২৭), জীবন বেপারী (২৯) ও ফোরকান (২৭)।

গতকাল কামরাঙ্গীরচরের নবীনগর প্রধান সড়কে আরকে টাওয়ারের ছয় তলার একটি ফ্ল্যাটে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। ডিবির (উত্তর) সহকারী কমিশনার (এসি) শাহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানের সময় ওই ফ্ল্যাট থেকে বাংলাদেশের ৫০ লাখ টাকার জাল নোট, জাল নোট তৈরির কাজে ব্যবহৃত দুটি ল্যাপটপ, চারটি প্রিন্টারসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।

ডিবির এসি শাহিদুল ইসলাম জানান, জাল নোট তৈরির পর এই চক্রের মূল হোতা সাইফুল ইসলাম প্রথমে পাইকারি বিক্রেতার কাছে প্রতি এক লাখ টাকার জাল নোট আট থেকে ১০ হাজার টাকায় বিক্রি করতেন। পাইকারি বিক্রেতারা প্রতি লাখে তিন থেকে পাঁচ হাজার টাকা লাভে বিক্রি করে দেন। দ্বিতীয় পর্যায়ের বিক্রেতারা প্রতি এক লাখ টাকার জাল নোট ১২ থেকে ১৫ হাজার টাকায় কিনে সেটি খুচরা বিক্রেতাদের কাছে ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকায় বিক্রি করতেন। এভাবে খুচরা বিক্রেতারা জাল নোটের মূল্যমান আসল টাকার সমান করে বাজারে ছড়িয়ে দেন।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সাইফুল ইসলাম ও জীবন বেপারী ডিবিকে জানান, ২০১০ সালে রশিদ নামে এক ব্যক্তির কাছ থেকে জাল নোট তৈরির কৌশল শিখে নেন সাইফুল। সাইফুলের তৈরি জাল নোটের ডিলার হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছেন জীবন বেপারী। ডিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়, গ্রেপ্তার ছয়জনের বিরুদ্ধে কামরাঙ্গীরচর চর থানায় মামলা হয়েছে।

এই বিভাগের আরো খবর