• মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ ||

  • শ্রাবণ ১ ১৪৩১

  • || ০৮ মুহররম ১৪৪৬

বরগুনার আলো
ব্রেকিং:
মুসলিম সম্প্রদায়ের উচিত গাজায় গণহত্যার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হওয়া নিজেদের রাজাকার বলতে তাদের লজ্জাও করে না : প্রধানমন্ত্রী দুঃখ লাগছে, রোকেয়া হলের ছাত্রীরাও বলে তারা রাজাকার শেখ হাসিনার কারাবন্দি দিবস আজ ‘চীন কিছু দেয়নি, ভারতের সঙ্গে গোলামি চুক্তি’ বলা মানসিক অসুস্থতা দেশের অর্থনীতি এখন যথেষ্ট শক্তিশালী : প্রধানমন্ত্রী আওয়ামী লীগ সরকার ব্যবসাবান্ধব সরকার ফুটবলের উন্নয়নে সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে সরকার যথাযথ প্রশিক্ষণের মাধ্যমে বিশ্বমানের খেলোয়াড় তৈরি করুন চীন সফর নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে আসছেন প্রধানমন্ত্রী টেকসই উন্নয়নে পরিকল্পিত ও দক্ষ জনসংখ্যার গুরুত্ব অপরিসীম বাংলাদেশে আরো বিনিয়োগ করতে চায় চীন: শি জিনপিং চীন সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী চীন সফর সংক্ষিপ্ত করে আজ দেশে ফিরছেন প্রধানমন্ত্রী ঢাকা-বেইজিং ৭ ঘোষণাপত্র, ২১ চুক্তি সই চীনের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে শেখ হাসিনা রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে চীনের প্রতি সহযোগিতার আহ্বান বাংলাদেশে বিনিয়োগের এখনই উপযুক্ত সময় তিয়েনআনমেন স্কয়ারে চীনা বিপ্লবীদের প্রতি শেখ হাসিনার শ্রদ্ধা চীন-বাংলাদেশ হাত মেলালে বিশাল কিছু অর্জন সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী

জমে উঠেছে ঝালকাঠির বৃহত্তম নৌকার হাট

বরগুনার আলো

প্রকাশিত: ১০ জুলাই ২০২৪  

খাল-বিল,নদী-নালা বেষ্টিত ঝালকাঠি এবং এর আশে পাশের জেলা গুলোতে বর্ষা মৌসুমে নৌকার কদর অন্য যেকোন সময়ের তুলনায় অনেক বেড়ে যায়। বিশেষ করে কৃষকদের কাছে। ধান কাটা, বাগান থেকে পেয়ারা সহ, বিভিন্ন ফসল সংগ্রহ এবং বাজারজাত করার কাজে নৌকার বিকল্প নেই।আর এ বাড়তি চাহিদার যোগান দিতে নৌকা তৈরির কারিগররা দিন রাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। ঝালকাঠির সীমান্তবর্তী দক্ষিনাঞ্চলের বৃহত্তম নৌকারহাট আটঘরসহ আশপাশের বিভিন্ন নৌকা বিক্রির হাটগুলো এখন ক্রেতা বিক্রেতা সমাগমে সরগরম হয়ে উঠেছে।

চলতি মৌসুমের শুরু থেকেই পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত হওয়ায় ঝালকাঠিসহ দক্ষিনাঞ্চলের নদী-নালা খালবিল গুলো পানিতে টৈ-টম্বুর হয়ে হয়ে গেছে। বর্ষা মৌসুম এলেই ঝালকাঠিসহ দক্ষিনাঞ্চলের নদী-নালা খালবিল বেষ্টিত এলাকায় নৌকার কদর বেড়ে যায়। সদর উপজেলার ভীমরুলি ভাসমান পেয়ারা হাট নৌকা নির্ভার। ভাসমান পেয়ারা হাটকে সামনে রেখে জমে উঠেছে নৌকার হাট।আর এ বাড়তি চাহিদার যোগান দিতে জেলার নৌকা তৈরির কারিগররা দিন রাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। ধান কাটা, বাগান থেকে পেয়ারা সহ বিভিন্ন ফল সংগ্রহ এবং বাজারজাত করার কাজে ব্যবহৃত হয় এ সকল নৌকা। তাইতো বর্ষা মৌসুমের শুরু থেকেই দক্ষিনাঞ্চলের বৃহত্তম আটঘরের নৌকারহাট ক্রেতা বিক্রেতা সমাগমে সরগরম হয়ে উঠেছে। দুই শত বছরের পুরানো ঝালকাঠির সীমান্তবর্তী নৌকা কেনা বেচার এ হাটে বিক্রির জন্য বিভিন্ন স্থান থেকে কারিগর এবং মৌসুমী ব্যবসায়ীরা নৌকা নিয়ে হাজির হয়। এখান থেকে নৌকা নেয়া হয় বৃহত্তর বরিশাল এবং ফরিদপুরের প্রত্যন্ত এলাকায়। ক্রেতাদের সুবিধার্তে এই হাটের ইজারা ব্যবস্থা তুলে নেয়া হয়েছে। এর ফলে নৌকা প্রতি ক্রেতার ৪০০-৫০০ টাকা ইজারা মওকুফ হয়েছে। প্রতি মৌসুমে এ হাটে এক থেকে দেড় কোটি টাকার নৌকা বিক্রি হয়। তবে কাঠ,লোহাসহ নৌকা তৈরির উপকরনের দাম বাড়লেও সে তুলনায় নৌকার দাম বাড়েনি বলে জানান বিক্রেতারা।

ঝালকাঠি বিসিক শিল্প সহায়ক কেন্দ্রের উপ-ব্যাবস্থাপক এইচএম ফাইজুর রহমান বলেন, নৌকা তৈরির কারিগরদের পূঁজি সংকটের কথা স্বীকার করে জানান, এ সমস্যা সমাধানে তাদেরকে বিসিক থেকে স্বল্প সুদে মৌসুমী ঋণ দেয়ার একটি প্রকল্প রয়েছে। তারা ঋণের জন্য এলে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের জীবন প্রবাহে মিশে রয়েছে নদী-নালা-খাল ও নৌকা। আর এ কারণেই নৌকার হাটটি যেন সংস্কৃতির এক অবিচ্ছেদ্য অংশে রূপ নিয়েছে।

বরগুনার আলো