• সোমবার   ২৫ অক্টোবর ২০২১ ||

  • কার্তিক ৯ ১৪২৮

  • || ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

বরগুনার আলো
ব্রেকিং:
দেশের ভাবমূর্তি নষ্টকারীদের বিষয়ে সচেতন হতে হবে: প্রধানমন্ত্রী মাঝে মধ্যে কিছু ঘটিয়ে দেশের ভাবমূর্তি নষ্টের অপচেষ্টা হচ্ছে দৃষ্টিনন্দন পায়রা সেতুতে হাঁটতে পারলে ভালো লাগতো: প্রধানমন্ত্রী সিলেট-ঢাকা চার লেনের নির্মাণকাজের উদ্বোধন বাংলাদেশকে কেউ আর পিছিয়ে রাখতে পারবে না: প্রধানমন্ত্রী স্বপ্নের পায়রা সেতু উদ্বোধন ‘বাসযোগ্য গ্রহ থেকে অনেক অনেক দূরে রয়েছে বিশ্ব’ পায়রা সেতুর উদ্বোধন আজ, দক্ষিণাঞ্চলের আরেকটি স্বপ্নপূরণ নেতাকর্মীদের নজরদারি বাড়াতে বললেন শেখ হাসিনা কুমিল্লার ঘটনা দুঃখজনক, অপরাধীর বিচার হবে: প্রধানমন্ত্রী ‘দেশের সবচেয়ে বড় রপ্তানি পণ্য হবে ডিজিটাল ডিভাইস’ সরকারের ধারাবাহিকতা আছে বলেই উন্নয়ন সম্ভব হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী বিদেশে বিনিয়োগের প্রস্তুতি নিচ্ছে বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী পূর্বাচলে প্রদর্শনীকেন্দ্র উদ্বোধন করবেন আজ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে কঠোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রদায়িক অপশক্তির তৎপরতা প্রতিরোধের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ‘এমন বাংলাদেশ গড়তে চাই, যেখানে শিশুরা বড় হবে সুন্দর পরিবেশে’ একটা অসাম্প্রদায়িক চেতনায় বাংলাদেশকে গড়তে চাই: প্রধানমন্ত্রী আমাদের ছোট রাসেল সোনা: শেখ হাসিনা শেখ রাসেলের ৫৮তম জন্মদিন

সাঝের মায়া’য় এসে থামল মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গাড়ীবহর

বরগুনার আলো

প্রকাশিত: ৩১ আগস্ট ২০২১  

এ শুধু শেখ হাসিনার পক্ষেই সম্ভব!  ২৪ মার্চ ১৯৯৮, কবি সুফিয়া কামালের বাসভবন 'সাঝের মায়া’য় এসে থামল প্রধানমন্ত্রীর গাড়ী বহর। 

ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ১৯৯৭ সালের স্বাধীনতা পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে অসুস্থতার জন্য অনুষ্ঠানস্থলে এসে পুরস্কার নিতে পারেননি কবি সুফিয়া কামাল। অনুষ্ঠানের শেষ দিকে পুরস্কারপ্রাপ্তাদের গ্রুপ ছবি তোলার সময় প্রধানমন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিব বাহাউদ্দিন নাছিম ভাই জানালেন, প্রধানমন্ত্রী অসুস্থ কবি সুফিয়া কামলকে দেখতে বাসায় যাবেন।

আমি তখন দৈনিক জনকণ্ঠের সিনিয়র ফটোসাংবাদিক হিসাবে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিদিনের অনুষ্ঠান কভার করি। আমিও প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহরে উঠে পড়ি। এমন দুর্লভ ঘটনার কোনো মুহূর্ত ‘মিস’ করতে চাইনি। তাই ‘সাঝের মায়া’য় গাড়ির বহর থামার সঙ্গে সঙ্গেই তড়িঘড়ি করে প্রধানমন্ত্রীর আগেই ঢুকে পড়ি সুফিয়া খালাম্মার ঘরে।

হতাশ হতে হয়নি । দেখতে পেলাম এক অভূতপুর্ব ঘটনা। প্রধানমন্ত্রী ঘরে ঢুকে খাটে বসা অসুস্থ কবিকে জড়িয়ে ধরলেন।খোঁজ নিলেন কবির শারীরিক অবস্থার।

প্রধানমন্ত্রী বললেন," ‘খালাম্মা’ আমাকে দোয়া করেন ।" কবি সুফিয়া কামাল প্রধানমন্ত্রীর মুখ নিজের দিকে দু’হাতে টেনে নিয়ে পরম মমতায় কপালে চুমু দিলেন।

বর্ষীয়ান কবির অসংখ্য ভাঁজ তার ফুলে ওঠা শিরায় পূর্ণ হাত দিয়েই যেন আর্শীবাদ করলেন ১৯৭৫-এ স্বজন হারানো বঙ্গবন্ধুকন্যাকে। প্রধানমন্ত্রীর আসার খবর জানতেন না কবির পরিবার, তাই কোনা রকম প্রস্তুতিও ছিল না। কবির শয়নকক্ষ ছিল একটু এলোমেলো। প্রধানমন্ত্রী ঘরে ঢোকার পর ব্যস্ত হয়ে পড়েন কবির দ্বিতীয় কন্যা সাঈদা কামাল টুলু আপা। 

সুফিয়া খালাম্মার সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর আলাপচারিতার সময় টুলু আপা খাটের উপর থাকা কাপড়-চোপড় সরিয়ে নিতে ব্যাস্ত হয়ে পরেন। 

প্রধানমন্ত্রী কবিকে বললেন, "খালাম্মা আমি আপনাকে স্বাধীনতা পদক পরাতে এসেছি।" তিনি এডিসির কাছ থেকে পদকটি নিয়ে কবি সুফিয়া কামালকে পরিয়ে দিলেন।

প্রধানমন্ত্রী হয়েও বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা একজন কৃতি মানুষকে সম্মান প্রদর্শনের জন্য তাঁর বাড়িতে গিয়ে হাজির হলেন। যে নজির তিনি তৈরি করলেন, আমি তার সাক্ষী হয়ে রইলাম।

বরগুনার আলো