• বৃহস্পতিবার   ১৯ মে ২০২২ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ৪ ১৪২৯

  • || ১৬ শাওয়াল ১৪৪৩

বরগুনার আলো
ব্রেকিং:
কক্সবাজার হবে আন্তর্জাতিক বিমান চলাচলের রিফুয়েলিং পয়েন্ট কক্সবাজারে যত্রতত্র স্থাপনা নির্মাণ না করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রী কক্সবাজারে কউক’র নতুন ভবনের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী পদ্মা সেতুর টোল নির্ধারণ করে প্রজ্ঞাপন জারি আওয়ামী লীগ সরকার আছে বলেই সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে- প্রধানমন্ত্রী ওপেনিংয়ে চতুর্থ সেরা জুটি গড়ে ফিরলেন জয়, তামিমের সেঞ্চুরি নিত্যপণ্যের দাম কেন চড়া, জানালেন প্রধানমন্ত্রী স্বদেশ প্রত্যাবর্তন: শেখ হাসিনা দেশের মানুষের শেষ ভরসাস্থল শেখ হাসিনা বাঙালি জাতির নিরাপদ আশ্রয়স্থল শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন ইতিহাসে মাইলফলক: রাষ্ট্রপতি চার দশকেরও বেশি সময় শেখ হাসিনার সফল নেতৃত্বে আ.লীগ উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি খাদ্য সাশ্রয় করুন: প্রধানমন্ত্রী সবাই স্বাধীনভাবে সরকারের সমালোচনা করতে পারে: প্রধানমন্ত্রী টাকা অপচয় করা যাবে না: প্রধানমন্ত্রী ‌ঢাকায় বসে সমালোচনা না করে গ্রামে ঘুরে আসুন বঙ্গবন্ধুর নাম কেউ মুছে ফেলতে পারবে না: প্রধানমন্ত্রী আমিরাতের নতুন প্রেসিডেন্টকে রাষ্ট্রপতির অভিনন্দন শেখ হাসিনাকে স্পেনের সরকার প্রধানের শুভেচ্ছা পি কে হালদার গ্রেফতার নানামুখী ষড়যন্ত্র হচ্ছে, সতর্ক থাকতে বললেন প্রধানমন্ত্রী

‘শহিদ ও মুক্তিযোদ্ধা পরিবার ভিক্ষা করবে আমি দেখতে চাই না’

বরগুনার আলো

প্রকাশিত: ১৮ জানুয়ারি ২০২২  

স্বাধীন দেশে কোনো শহিদ পরিবার কিংবা মুক্তিযোদ্ধা পরিবার ভিক্ষা করবে সেটি দেখতে চান না বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

মঙ্গলবার জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) সম্মেলনের উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, শহিদ পরিবার কিংবা মুক্তিযোদ্ধা পরিবার অথবা গণহত্যার শিকার পরিবার ভিক্ষা করে জীবন নির্বাহ করবে, তা আমি দেখতে চাই না। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের যথাযথ ভূমিকা রাখতে হবে। 

তিনি বলেন, এ দেশে একটি মানুষও দরিদ্র থাকবে না। জাতির পিতা আমাদের স্বাধীন দেশ দিয়ে গেছেন। আমরা সেই দেশকে সমৃদ্ধির দিকে নিয়ে যাচ্ছি।  জাতির পিতা স্বপ্ন দেখেছিলেন— এ দেশে কোনো মানুষ ভিক্ষাবৃত্তি করবে না। আমরা সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে কাজ করছি।  মাঠ প্রশাসনকে এসব বিষয়ে ভূমিকা রাখতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারে আসার পর সরকারি চাকুরেদের সুযোগ-সুবিধা বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। তাদের দায়িত্বও বেড়েছে। 

মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে তিন দিনব্যাপী ডিসি সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সম্মেলনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন শেষে ডিসিদের উদ্দেশে বক্তৃতা করছেন সরকারপ্রধান।  

এর মধ্যে প্রথম দিন ৭, দ্বিতীয় দিন ৮ এবং তৃতীয় দিন থাকবে ১০টি অধিবেশন।  করোনা সংক্রমণ ঊর্ধ্বমুখী হওয়ায় রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ, জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী এবং প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর সঙ্গে ডিসিদের অধিবেশনগুলোও ভার্চুয়ালি হবে।

অন্যান্য বছর জেলা প্রশাসকদের নিয়ে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে এ সম্মেলন হলেও করোনার কারণে এবার জেলা প্রশাসক সম্মেলন হচ্ছে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে।

করোনাভাইরাস মহামারির কারণে দুই বছর পর এ সম্মেলন হচ্ছে। এবার ডিসি সম্মেলন শেষ হবে ২০ জানুয়ারি।

বরগুনার আলো