• শুক্রবার   ০১ জুলাই ২০২২ ||

  • আষাঢ় ১৭ ১৪২৯

  • || ৩০ জ্বিলকদ ১৪৪৩

বরগুনার আলো
ব্রেকিং:
পদ্মা সেতুতে নাশকতার চেষ্টা: আটক ১ সঞ্চয় বাড়ানোর পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা হচ্ছে নতুন মুদ্রানীতি সব ধরনের অপ্রয়োজনীয় ব্যয় কমাতে হবে: প্রধানমন্ত্রী ৬ লাখ ৭৮ হাজার ৬৪ কোটি টাকার বাজেট পাস হচ্ছে আজ নির্মল রঞ্জন গুহের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক সায়মা ওয়াজেদের মমত্ববোধ রেল ক্রসিংয়ে ওভারপাস করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত সড়কে সেতু-উড়াল সড়ক নির্মাণের নির্দেশ ব্যবসা বৃদ্ধিতে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন করা হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী তিন বাহিনীর সমন্বয়ে নিশ্চিত হবে পদ্মা সেতুর নিরাপত্তা চাকরির একমাত্র বিকল্প শিক্ষিত বেকারদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলা পদ্মা সেতুতে দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন হবে স্বপ্নজয়ের পর অপার সম্ভাবনার হাতছানি পদ্মা সেতু: প্রধানমন্ত্রীকে এশিয়ার পাঁচ দেশের অভিনন্দন ক্ষুদ্র-মাঝারি শিল্পের সুষ্ঠু বিকাশে কাজ করছে সরকার পদ্মা সেতুর সফলতায় প্রধানমন্ত্রীকে কুয়েতের রাষ্ট্রদূতের অভিনন্দন নতুন প্রজন্মকে প্রস্তত হতে বললেন প্রধানমন্ত্রী আমরা বিজয়ী জাতি, মাথা উঁচু করে চলবো: প্রধানমন্ত্রী মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

ডিম ছাড়ছে না হালদার মা মাছ, ভারী বৃষ্টির অপেক্ষা

বরগুনার আলো

প্রকাশিত: ২১ মে ২০২২  

ভারী বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের অপেক্ষায় আছেন চট্টগ্রামের হালদা নদীর ডিম সংগ্রহকারীরা। প্রতি বছর এ সময়ে নদীতে ডিম ছাড়ে রুই, কাতলা, মৃগেল ও কালিবাউস। মূলত এপ্রিল ও মে মাসের ভারী বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে মা মাছ ডিম ছাড়লেও চলতি বছর এখন পর্যন্ত পর্যাপ্ত ডিম ছাড়েনি।

গত সপ্তাহে দুই দফায় নদীতে ডিম দিয়েছিল মা মাছ। এর মধ্যে শনি ও রবিবার (১৪ ও ১৫ মে) দুই দফায় সাড়ে তিন হাজার কেজি ডিম সংগ্রহ হয়। এসব ডিম থেকে রেণু ফোটানোর কাজ চলছে হ্যাচারিগুলোতে।

এ প্রসঙ্গে হালদা বিষয়ক গবেষক ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক মনজুরুল কিবরিয়া বলেন, ‘পার্বত্য চট্টগ্রামে এখন পর্যন্ত ভারী বৃষ্টি হয়নি। এই কারণে মা মাছ ডিম ছাড়েনি বলে মনে হচ্ছে। প্রতি বছর এপ্রিল থেকে জুন মাস পর্যন্ত কার্প জাতীয় মাছ পূর্ণিমা তিথিতে ভারী বৃষ্টিসহ বজ্রপাত হলে নদীতে ডিম ছাড়ে। এ বছর ডিম ছাড়ার জন্য ছয়টি জো ছিল। এর মধ্যে তিনটি চলে গেছে। তিনটির মধ্যে দুটিতে ডিম দিয়েছে। যেগুলোকে আমরা নমুনা ডিম বলছি। এর পরিমাণ প্রায় সাড়ে তিন হাজার কেজি। আরও তিনটি জো আছে। ২৫ মে থেকে শুরু হওয়া জো থাকবে সাত দিন। এ সময় ভারী বৃষ্টি হলে ডিম ছাড়তে পারে মা মাছ।’

 

halda2

তিনি আরও জানান, এবার যে দুই দফা ডিম দিয়েছে এর মধ্যে নদীতে ডিম সংগ্রহ করা হয় ৩১৫টি নৌকায়। এতে অংশ নিয়েছিলেন ৬৫০ জন ডিম সংগ্রহকারী। তবে সংগ্রহকারীরা পর্যাপ্ত ডিম না পেয়ে হতাশ। কোনও নৌকা এক কেজি, কেউ পেয়েছে ৫০০ গ্রাম কিংবা ২০০ গ্রাম করে ডিম।

রাউজান উপজেলার উরখিরচর ইউনিয়নের খলিফার ঘোনা এলাকার ডিম সংগ্রহকারী নিজাম উদ্দিন বলেন, ‘আমরা ডিম সংগ্রহের জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়ে বসে আছি। এখন পর্যন্ত মা মাছ ভালোভাবে ডিম ছাড়েনি। আশা করছি, সামনের জোতে ভারী বৃষ্টির পাশাপাশি পাহাড়ি ঢল নামলে ডিম ছাড়বে মা মাছ।’

halda3

 

এদিকে, গত এক সপ্তাহে দুই দফায় সংগ্রহ করা ডিম থেকে রেণু ফোটানোর কাজ চলছে হালদা পাড়ের দুই উপজেলা রাউজান ও হাটাহাজারীতে। হাটহাজারীর তিনটি এবং রাউজানের একটি সরকারি হ্যাচারি ছাড়াও আইডিএফের একটি হ্যাচারি ছাড়াও ১৭৬টি মাটির কোয়াতে ডিম থেকে রেণু ফোটানোর কাজ চলছে। হ্যাচারিগুলোতে শুক্রবার চার দিন বয়সী হালদার রেণুর কেজি বিক্রি হচ্ছে এক লাখ ৯০ হাজার টাকা থেকে দুই লাখ ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত।

আহমেদ ছফা নামে এক ডিম সংগ্রহকারী জানান, দিন যতই যাবে রেণুর সাইজ তত বেশি বড় হবে। রেণুর সাইজ বাড়লে দাম কমবে। এবার ডিম কম পাওয়ায় রেণুর দাম অন্যান্য বছরের তুলনায় বেশি।

এ বছর দুই দফায় সাড়ে তিন হাজার কেজি ডিম সংগ্রহ হয়। এর আগের ডিম সংগ্রহ হয়েছিল আট হাজার কেজি। ২০২০ সালে হয়েছিল ২৫ হাজার ৫৩৬ কেজি।

বরগুনার আলো