• বৃহস্পতিবার   ১৮ আগস্ট ২০২২ ||

  • ভাদ্র ২ ১৪২৯

  • || ১৮ মুহররম ১৪৪৪

বরগুনার আলো
ব্রেকিং:
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন জাতিসংঘ মানবাধিকার প্রধান বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর আ. লীগের নেতারা কী করেছিলেন: প্রধানমন্ত্রী সুশীল বাবু মইনুল খুনিদের নিয়ে দল গঠন করে: প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু হত্যায় জড়িতরা আজ মানবাধিকারের কথা বলে: প্রধানমন্ত্রী ভারত পারলে আমরাও রাশিয়া থেকে তেল কিনতে পারবো: প্রধানমন্ত্রী ‘ষড়যন্ত্র প্রতিহত করে বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচারের রায় কার্যকর করেছি’ খবরদার আন্দোলনকারীদের ডিস্টার্ব করবেন না: প্রধানমন্ত্রী জাতির পিতার মৃত্যু নেই প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে বঙ্গবন্ধু আমাদের রোল মডেল শোক দিবসে বঙ্গভবনে বিশেষ দোয়ার আয়োজন রাষ্ট্রপতির টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর বিষয়ে পরিষ্কার ব্যাখ্যার নির্দেশ বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল ট্রাস্টের সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত মানবাধিকার কমিশনকে যথাযথভাবে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ রাষ্ট্রপতির ৪০০তম ওয়ানডে খেলার অপেক্ষায় বাংলাদেশ জ্বালানি নিরাপত্তা: বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনার অবদান রাজনৈতিক সিদ্ধান্তে বঙ্গমাতার মনোভাব প্রতিফলিত হয়েছে বঙ্গমাতার সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা স্বাধীনতার সংগ্রামে বঙ্গবন্ধুর সারথি ছিলেন আমার মা: প্রধানমন্ত্রী বঙ্গমাতা কঠিন দিনগুলোতে ছিলেন দৃঢ় ও অবিচল: রাষ্ট্রপতি

আমরা বিজয়ী জাতি, মাথা উঁচু করে চলবো: প্রধানমন্ত্রী

বরগুনার আলো

প্রকাশিত: ২৬ জুন ২০২২  

সবাইকে উচ্চশিক্ষার সুযোগ দেয়ার লক্ষ্য নিয়ে সরকার এগিয়ে যেতে চায় বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সরকারপ্রধান বলেন, পদ্মা সেতুর চ্যালেঞ্জ বাস্তবায়ন করে বাংলাদেশ দেখিয়েছে: আমরাও পারি।

রোববার (২৬ জুন) রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে বঙ্গবন্ধু সৃজনশীল মেধা অন্বেষণ ২০২২-এ সেরা মেধাবীদের পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘স্বাধীনতার পর একটা যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ গড়ে তোলার সময় শিক্ষাক্ষেত্রে যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়েছিলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ১৯৭৩ সালে তিনি মঞ্জুরি কমিশন গঠন করেন। কৃষি, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি গবেষণায় অনেক উদ্যোগ গ্রহণ করেন। ১৯৭৪ সালে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি গবেষণা এবং আণবিক শক্তি গবেষণা কমিশনও গঠন করেন। তিনি বিজ্ঞান শিক্ষা ও কারিগরি শিক্ষার ওপর বিশেষ জোর দিয়েছিলেন। বঙ্গবন্ধু আমাদের দেশের ‍উপযুক্ত একটি শিক্ষা কমিশন, কুদরাত-এ-খুদাকে প্রধান করে একটি কমিশন গঠন করেন। কিন্তু ’৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতাকে নির্মমভাবে হত্যার পর সেই কমিশনের রিপোর্ট আর আলোর মুখ দেখেনি।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘দীর্ঘ ২১ বছর পর ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করে। সরকার গঠনের পর আমাদের প্রচেষ্টা ছিল, সব ক্যাম্পাসে শিক্ষার একটা পরিবেশ সৃষ্টি করা। শিক্ষাকে আধুনিকায়ন করাসহ বিভিন্ন বিষয়ে আমরা পদক্ষেপ নিই। এর পাশাপাশি গবেষণার ওপর আমি গুরুত্ব দিই।’

তিনি বলেন, ‘সাফল্য অর্জন করতে হলে একটা সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য স্থির করেই অগ্রসর হতে হবে। লক্ষ্য স্থির ছাড়া উন্নতি করা যায় না। ২০১০ সালে আমরা সমন্বিত শিক্ষা নীতি প্রণয়োন করে বাস্তবায়ন করি।’

এ সময় বঙ্গবন্ধুকন্যা আরও বলেন, ‘মেধা অন্বেষণ একটি চমৎকার ব্যবস্থা। এর মধ্য থেকে অনেক সুপ্ত জ্ঞান বেরিয়ে আসবে, যা আমাদের দেশের আগামী দিনের উন্নয়নে কাজে লাগবে। বিজ্ঞানচর্চা ও প্রযুক্তি জ্ঞানের মাধ্যমে আমরা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারব।’

বরগুনার আলো