• বৃহস্পতিবার   ১৮ আগস্ট ২০২২ ||

  • ভাদ্র ২ ১৪২৯

  • || ১৮ মুহররম ১৪৪৪

বরগুনার আলো
ব্রেকিং:
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন জাতিসংঘ মানবাধিকার প্রধান বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর আ. লীগের নেতারা কী করেছিলেন: প্রধানমন্ত্রী সুশীল বাবু মইনুল খুনিদের নিয়ে দল গঠন করে: প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু হত্যায় জড়িতরা আজ মানবাধিকারের কথা বলে: প্রধানমন্ত্রী ভারত পারলে আমরাও রাশিয়া থেকে তেল কিনতে পারবো: প্রধানমন্ত্রী ‘ষড়যন্ত্র প্রতিহত করে বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচারের রায় কার্যকর করেছি’ খবরদার আন্দোলনকারীদের ডিস্টার্ব করবেন না: প্রধানমন্ত্রী জাতির পিতার মৃত্যু নেই প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে বঙ্গবন্ধু আমাদের রোল মডেল শোক দিবসে বঙ্গভবনে বিশেষ দোয়ার আয়োজন রাষ্ট্রপতির টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর বিষয়ে পরিষ্কার ব্যাখ্যার নির্দেশ বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল ট্রাস্টের সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত মানবাধিকার কমিশনকে যথাযথভাবে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ রাষ্ট্রপতির ৪০০তম ওয়ানডে খেলার অপেক্ষায় বাংলাদেশ জ্বালানি নিরাপত্তা: বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনার অবদান রাজনৈতিক সিদ্ধান্তে বঙ্গমাতার মনোভাব প্রতিফলিত হয়েছে বঙ্গমাতার সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা স্বাধীনতার সংগ্রামে বঙ্গবন্ধুর সারথি ছিলেন আমার মা: প্রধানমন্ত্রী বঙ্গমাতা কঠিন দিনগুলোতে ছিলেন দৃঢ় ও অবিচল: রাষ্ট্রপতি

প্রধানমন্ত্রীর বিচক্ষণ পদক্ষেপে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়েছে

বরগুনার আলো

প্রকাশিত: ৪ জুলাই ২০২২  

প্রধানমন্ত্রীর বিচক্ষণ পদক্ষেপের কারণে করোনা মহামারিকালে সকলের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়েছে বলে মনে করেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। তিনি বলেছেন, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সফল বাস্তবায়নে সামাজিক বৈষম্য বিলুপ্ত হচ্ছে। প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে নারীসহ অন্যান্যদের দক্ষ হিসেবে গড়ে তোলা হচ্ছে।

রবিবার স্পিকারের সংসদ ভবনস্থ কার্যালয়ে সামাজিক উন্নয়ন সংস্থা হেকস-ইপার বাংলাদেশ-এর কান্ট্রি ডিরেক্টর মিজ ডোরা চৌধুরী সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এ সব কথা বলেন।

সাক্ষাৎকালে তারা বাংলাদেশের অভূতপূর্ব উন্নয়ন, মানুষের খাদ্য ও জীবনমানের নিরাপত্তার সুব্যবস্থা, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সফল বাস্তবায়ন, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন ইত্যাদি বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।

এ সময় স্পিকার বলেন, সরকার ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী, হিজড়া, পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে বহুমুখী কর্মসূচী বাস্তবায়ন করছে। গভীর নলকূপের মাধ্যমে পানি সরবরাহ, স্যানিটেশন উন্নয়ন, আদিবাসী মেয়েদের বাইসাইকেল সরবরাহ ইত্যাদি কার্যক্রমের মাধ্যমে তাদের মূল স্রোতে সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যে রংপুরের পীরগঞ্জসহ দেশব্যাপী কার্যক্রম চলছে। তিনি আরো বলেন, সামাজিক উন্নয়নে সরকার সামাজিক নিরাপত্তামূলক কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। ইউনিয়ন-উপজেলা-জেলা পর্যায়ে এসকল কার্যক্রমের সফল বাস্তবায়নে সমাজে ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে।

বাংলাদেশের অভূতপূর্ব উন্নয়নের প্রশংসা করে মিজ ডোরা চৌধুরী বলেন, ২০০৬ সাল থেকে রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ, রংপুর, দিনাজপুর প্রভৃতি অঞ্চলে তৃণমূলের সুবিধাবঞ্চিত মানুষকে মূল স্রোতে আনতে হেকস-ইপার কাজ করছে। সরকার আশ্রয়ণ প্রকল্পের মাধ্যমে ভূমিহীন-গৃহহীনদের ঘর নির্মাণ করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। এসময় তিনি আশ্রয়ণ প্রকল্পে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীকে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়টি বিবেচনার অনুরোধ করেন।

বরগুনার আলো