• বুধবার   ০৫ অক্টোবর ২০২২ ||

  • আশ্বিন ২০ ১৪২৯

  • || ০৮ রবিউল আউয়াল ১৪৪৪

বরগুনার আলো
ব্রেকিং:
দেশের বিভিন্ন জেলায় বিদ্যুৎ বিপর্যয় ঢাকেশ্বরী মন্দিরে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন প্রধানমন্ত্রী কন্যাশিশুর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আমাদের কর্তব্য: রাষ্ট্রপতি সমৃদ্ধ দেশ গড়তে কন্যাশিশুদের নিরাপত্তা অপরিহার্য: প্রধানমন্ত্রী দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী দেশে ফেরার পথে লন্ডনে প্রধানমন্ত্রীর যাত্রা বিরতি কৃষিতে বাংলাদেশের সাফল্যের সূচনা বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্ব: রাষ্ট্রপতি সোনার বাংলা গড়তে কৃষিকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী ‘শিশুদের শারীরিক-মানসিক বিকাশে সুস্থ বিনোদনের বিকল্প নেই’ ‘মুজিববর্ষে ১ লাখ ৮৫ হাজার ১২৯টি ঘর নির্মাণ করে দেয়া হয়েছে’ শিশুদের বুকে বড় হওয়ার স্বপ্ন জাগিয়ে দিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী আগামী প্রজন্মের জন্য পরিকল্পিত নগরায়ণের বিকল্প নেই : রাষ্ট্রপতি ‘সেনাবাহিনীর হাজার হাজার অফিসার ও সৈনিক হত্যা করে জিয়া’ যুক্তরাজ্য-যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষে দেশের পথে প্রধানমন্ত্রী জিনপিংকে শুভেচ্ছা জানিয়ে হামিদ-হাসিনার চিঠি প্রতিটি ক্ষেত্রে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি অপরিহার্য: রাষ্ট্রপতি দেশে উৎপাদনশীলতা বাড়াতে একযোগে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুর খুনি রাশেদ চৌধুরীকে দেশে ফেরানোর চেষ্টা চলছে বঙ্গবন্ধুর পলাতক খুনিদের দেশে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চলছে দুর্গাপূজা এখন সার্বজনীন উৎসব: প্রধানমন্ত্রী

সুশীল বাবু মইনুল খুনিদের নিয়ে দল গঠন করে: প্রধানমন্ত্রী

বরগুনার আলো

প্রকাশিত: ১৭ আগস্ট ২০২২  

বঙ্গবন্ধুর খুনিদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দেওয়ার প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন অনেক কথা বলেন। আইনজীবী, সুধীসমাজ, সুশীল বাবু—তিনি কী করেছিলেন? ওই খুনি পাশা ও হুদাকে নিয়ে তিনি একটি রাজনৈতিক দল করেছিলেন—প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক শক্তি (প্রগশ)। জেনারেল এরশাদ এসে ওই খুনি ফারুককে দিয়ে ফ্রিডম পার্টি গঠন করায়। খালেদা জিয়া তো আরও একধাপ ওপরে গিয়ে খুনি ফারুক, রশীদ ও হুদাকে নির্বাচনে প্রার্থী করে। ফারুককে জিতাতে পারেনি।

মঙ্গলবার (১৬ আগস্ট) রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৭তম মৃত্যুবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘১৫ ফেব্রুয়ারির ভোটারবিহীন নির্বাচনে রশীদ ও হুদাকে নির্বাচিত ঘোষণা দিয়ে বিরোধী দলের নেতা বানায়। এরা কী করে অস্বীকার করবে যে এই হত্যাকাণ্ড ও ষড়যন্ত্রের সঙ্গে তারা জড়িত নয়।’

বঙ্গবন্ধুর হত্যার বিচারের প্রসঙ্গ টেনে শেখ হাসিনা বলেন, ‘১৯৯৬ সালে সরকার গঠন করতে পেরেছিলাম বলেই অনেক বাধা পেরিয়ে ইনডেমনিটি অর্ডিন্যান্স বাতিল করেছিলাম। খোঁজ নিয়ে দেখুন, কারা সেদিন ইনডেমনিটি অর্ডিন্যান্স বাতিলের পক্ষে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল। কোন কোন আইনজীবী, সেটা খোঁজ করে দেখুন। আমরা খুনিদের বিচারের আওতায় আনি। যেদিন বিচারের রায় হবে, বিএনপি হরতাল ডেকেছিল খুনিদের বাঁচাতে। কিন্তু সাহসী বিচারক গোলাম রসুল সেদিন কোর্টে গিয়ে বিচারের রায় ঘোষণা করেন। খুনিদের ফাঁসির হুকুম দেন। ২০০১ সালে খালেদা জিয়া ক্ষমতায় এসে আবার সব বিচার কাজ বন্ধ করে দেয়। বিচারপতিরা বিব্রতবোধ করেন। প্রধান বিচারপতি তোফাজ্জল সাহেবের রায়ে খুনিদের ফাঁসি হয়। সেই রায় আমরা কার্যকর করতে সক্ষম হয়েছি।’

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি ইঙ্গিত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকে যেসব দেশ মানবাধিকারের প্রশ্ন তুলে আমাদের ওপর স্যাংশন দেয়, তারা তো খুনিদের আশ্রয় দিয়ে রেখেছে। আমেরিকার সঙ্গে আমরা বারবার কথা বলেছি। কিন্তু এখনও তাকে দিচ্ছে না। তাকে তারা লালন-পালন করে রেখে দিচ্ছে। নূর কানাডায়। এদের থেকে আমাদের মানবাধিকারের ছবক নিতে হয়। তারা আমাদের মানবতার ছবক শেখায়, যারা আমার বাবা-মা-ভাই-নারী-শিশুদের হত্যা করেছে, তাদের রক্ষা করে। রশীদ লিবিয়ায় পড়ে থাকে। মাঝে মধ্যে পাকিস্তানে যায়। ডালিম পাকিস্তানের লাহোরে আছে, এটুকু জানি। কিন্তু খুব বেশি খবর পাওয়া যাচ্ছে না। মোসলেম উদ্দীন ইন্ডিয়ার আসামের কোনও অঞ্চলে ছিল, বহু চেষ্টা করেছি, খুঁজে পাওয়া যায়নি। এরা নামটাম পাল্টে রয়ে গেছে। এই কয়েকজনকে আমরা আনতে পারিনি এখনও। তবু চেষ্টা করে যাচ্ছি। বাকি সব খুনিকে একে একে আমরা নিয়ে এসেছি। যে কয়জনকে আমরা পেয়েছি, রায় কার্যকর করেছি।’

বরগুনার আলো