• বৃহস্পতিবার   ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ||

  • মাঘ ২০ ১৪২৯

  • || ১০ রজব ১৪৪৪

বরগুনার আলো
ব্রেকিং:
জনগণের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে আসিনি: প্রধানমন্ত্রী সবাইকে হিসাব করে চলার অনুরোধ প্রধানমন্ত্রীর উন্নত-সমৃদ্ধ দেশ গড়তে কৃষি উন্নয়নের বিকল্প নেই: প্রধানমন্ত্রী ক্রীড়া শিক্ষায় বাস্তবমুখী পদক্ষেপ নিয়েছি: প্রধানমন্ত্রী নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী জনস্বাস্থ্য নিশ্চিতে নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাদ্যের বিকল্প নেই জনগণকে বিশ্বাস করি, তারা যদি চায় আমরা থাকবো: প্রধানমন্ত্রী ২০২২-২৩ অর্থবছরে ১০ বিলিয়ন ডলারের বেশি রেমিট্যান্স এসেছে ভাষা-সাহিত্য চর্চাও ডিজিটাল করার পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ মানহীন শিক্ষায় উচ্চশিক্ষিত বেকার বাড়ছে: রাষ্ট্রপতি মুসলিম উম্মাহকে ফিলিস্তিনের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান দেশের ব্যাপক উন্নয়ন বিবেচনায় নিতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত থাকলেই মানুষের উন্নতি হয়: প্রধানমন্ত্রী আমি জোর করে দেশে ফিরেছিলাম, আ.লীগ পালায় না: শেখ হাসিনা আজ ১১ প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী ১-৭ মার্চ মোবাইলে কল করলেই শোনা যাবে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ সন্ত্রাস রুখে দিতে প্রশংসনীয় ভূমিকা রেখে যাচ্ছে পুলিশ সারদায় কুচকাওয়াজে প্রধানমন্ত্রীকে অভিবাদন বাংলাদেশ পুলিশ শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় নিরলসভাবে কাজ করছে

দিনাজপুরে বাজারে আসছে আগাম ধান, দামে খুশি কৃষক

বরগুনার আলো

প্রকাশিত: ১০ নভেম্বর ২০২২  

দিনাজপুরে বাজারে উঠতে শুরু করেছে আগাম জাতের ধান। এবার বন্যা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ না থাকায় আমনের ভালো ফলন হয়েছে বলে জানিয়েছেন কৃষকরা। এছাড়া বাজারে ধানের দাম নিয়েও খুশি তারা। এই দাম অব্যাহত থাকলে কৃষকদের বাড়তি যে ব্যয় হয়েছে তা পুষিয়ে যাবে।

মৌসুমের শুরুতে বৃষ্টি না হওয়ায় কৃষকদের সম্পূরক সেচ দিয়ে আগাম জাতের ধান চাষ করতে হয়। এছাড়া ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেটের কারণে সার ও কীটনাশক বেশি দামে কিনতে হয়েছে। এতে আগাম জাতের ধান চাষ করতে গিয়ে কৃষকদের একরে দুই থেকে আড়াই হাজার টাকা বেশি খরচ হয়েছে।

জেলার কয়েকটি ধানের বাজার খুরে দেখা গেছে, বিনা-৭, ১৬, ১৭, ৭৫ ও ৭৮ এবং জিরা-৯০, ৯২, ধানিগড় ও কটোরাপারি ধান বাজারে আসতে শুরু করেছে।

কৃষক ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বিনা-১৬, ১৭, ৭৫, ৭৮ আগাম জাতের ধান ৭৭ কেজির বস্তা বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৫০০ থেকে ২ হাজার ৬০০ টাকায়। বিনা-৭ বিক্রি হচ্ছে ৭৭ কেজির বস্তা ২ হাজার ৫০০ থেকে ২ হাজার ৭০০ টাকায়।

এছাড়া জিরা-৯০, ৯২ এবং ধানিগড় ৭৭ কেজির বস্তা বিক্রি হচ্ছে ৩ হাজার ৮০০ থেকে ৩ হাজার ৯০০ টাকায়। কটোরাপারি বিক্রি হচ্ছে ৭৭ কেজির বস্তা দুই হাজার টাকায়।

সদর উপজেলার গোপালগঞ্জ হাটে ধান বিক্রি করতে আসা নুর ইসলাম বলেন, এবার ধানের ভালো ফলন হয়েছে। আমরা আগাম জাতের ধান মাড়াই করে বাজারে বিক্রি করছি। দামও ভালো। এ দাম থাকলে কৃষক লাভবান হবে। তবে আগাম আলু চাষের জন্য সার বেশি দামে কিনতে হচ্ছে। সার ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে দাম বেশি নিচ্ছে।

কাহারোল উপজেলার মুকুন্দপুর গ্রামের কৃষক ললিত চন্দ্র রায় জানান, তিনি এবার তিন একর জমিতে আগাম জাতের ধান আবাদ করে বেশ ভালো ফলন পেয়েছেন। বর্তমানে সেই জমিতে তিনি আগাম জাতের আলু চাষ করে পরবর্তীতে একই জমিতে ভুট্টা চাষ করবেন।

ধান ব্যবসায়ী মো. আজিজুল হক ও মিজানুর রহমান জানান, সীমিতভাবে আগাম জাতের ধান বেচাকেনা শুরু হয়েছে। বাজার বেশ ভালো। বাজারে এই দাম পেলে কৃষকদের লোকসান গুনতে হবে না। তবে সরকার যে দাম ঘোষণা করেছে তাতে ধান-চাল সংগ্রহ অভিযান ভেস্তে যাওয়ার শঙ্কা রয়েছে। কারণ সরকারে দেওয়া ধান-চালের দামের চেয়ে বাজারে দাম অনেক বেশি।

দিনাজপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. নুরুজ্জামান জানান, এবার ২ লাখ ৬০ হাজার ৮৮০ হেক্টর জমিতে আমন চাষ হয়েছে। যার মধ্যে ৪৮ হাজার ৫৯০ হেক্টর জমিতে আগাম জাতের ধান রয়েছে। এই জমিগুলোতে আলু চাষ হয়ে থাকে। এর মধ্যে আগাম জাতের আলু চাষ হবে ১০ হাজার হক্টের জমিতে।

বরগুনার আলো