• বৃহস্পতিবার   ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ||

  • মাঘ ২০ ১৪২৯

  • || ১০ রজব ১৪৪৪

বরগুনার আলো
ব্রেকিং:
জনগণের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে আসিনি: প্রধানমন্ত্রী সবাইকে হিসাব করে চলার অনুরোধ প্রধানমন্ত্রীর উন্নত-সমৃদ্ধ দেশ গড়তে কৃষি উন্নয়নের বিকল্প নেই: প্রধানমন্ত্রী ক্রীড়া শিক্ষায় বাস্তবমুখী পদক্ষেপ নিয়েছি: প্রধানমন্ত্রী নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী জনস্বাস্থ্য নিশ্চিতে নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাদ্যের বিকল্প নেই জনগণকে বিশ্বাস করি, তারা যদি চায় আমরা থাকবো: প্রধানমন্ত্রী ২০২২-২৩ অর্থবছরে ১০ বিলিয়ন ডলারের বেশি রেমিট্যান্স এসেছে ভাষা-সাহিত্য চর্চাও ডিজিটাল করার পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ মানহীন শিক্ষায় উচ্চশিক্ষিত বেকার বাড়ছে: রাষ্ট্রপতি মুসলিম উম্মাহকে ফিলিস্তিনের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান দেশের ব্যাপক উন্নয়ন বিবেচনায় নিতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত থাকলেই মানুষের উন্নতি হয়: প্রধানমন্ত্রী আমি জোর করে দেশে ফিরেছিলাম, আ.লীগ পালায় না: শেখ হাসিনা আজ ১১ প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী ১-৭ মার্চ মোবাইলে কল করলেই শোনা যাবে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ সন্ত্রাস রুখে দিতে প্রশংসনীয় ভূমিকা রেখে যাচ্ছে পুলিশ সারদায় কুচকাওয়াজে প্রধানমন্ত্রীকে অভিবাদন বাংলাদেশ পুলিশ শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় নিরলসভাবে কাজ করছে

আমরা সব সময় শান্তি চাই: প্রধানমন্ত্রী

বরগুনার আলো

প্রকাশিত: ৮ ডিসেম্বর ২০২২  

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন, শিল্পীর আঁচড়ে উঠে আসুক মানুষের কষ্ট, যুদ্ধের ভয়াবহতা। যাতে এ ধরনের যুদ্ধ আর না হয়। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের পরিস্থিতি তুলে ধরে শিল্পীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন এ কথা।

বৃহস্পতিবার (৮ ডিসেম্বর) ১৯তম দ্বি-বার্ষিক এশীয় চারুকলা প্রদর্শনী বাংলাদেশ-২০২২ উদ্বোধন করেন তিনি। শিল্পকলা একাডেমিতে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে তিনি যুক্ত হন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা সব সময় শান্তি চাই। শান্তিতে বিশ্বাস করি। দুর্ভাগ্য, একদিকে করোনা মহামারি, আরেক দিকে ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ। এই পরিস্থিতি মানুষকে খুব কষ্ট দিচ্ছে। আমি জানি, কবি শিল্পী সাহিত্যিকদের দৃষ্টিতে মানুষের এই কষ্ট-যন্ত্রণা এবং যুদ্ধের ভয়াবহতাও উঠে আসবে। যাতে এ ধরনের যুদ্ধ আর না হয়। পৃথিবীর মানুষ শান্তিতে বসবাস করতে পারে। মানুষের জীবনমান যেন উন্নত হয়, এটা আমরা চাই।

শিল্পীদের এই আয়োজনের প্রশংসা করে তিনি বলেন, এই আয়োজনের ফলে বিভিন্ন দেশের সংষ্কৃতির যে সমন্বয়, এতে আমাদের দেশটা আরও সমৃদ্ধশালী হবে। দেশ বিদেশে সৃজনশীলতা সম্পর্কে একে অপরের জানার একটা সুযোগ সৃষ্টি হবে। আমাদের জন্য এবং বিশেষ করে শিল্পমনাদের খোরাক যোগাবে। তাদের এই চর্চায় একটা নতুনত্বের আবির্ভাব হবে।

সরকারপ্রধান বলেন, আমাদের শিল্পীদের তুলির আঁচড়ে বা ভাস্কর্যে উঠে এসেছে বাংলাদেশের সংষ্কৃতি, জীবনযাত্রা, প্রকৃতি ও পরিবেশ। অন্যায় অবিচারের বিরুদ্ধ প্রতিবাদের ভাষাও সমৃদ্ধ করেছে, আরও শাণিত করেছে শিল্পীদের তুলির আঁচড়ে। এমনকি বিশ্বযুদ্ধের পরে শিল্পীদের প্রতিবাদের ভাষাও মানুষকে নাড়া দিয়েছিল। শিল্পীরা আমাদের দেশের বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রাম তাদের কর্মে তুলে এনেছিল। তারাও শিল্পকর্মে অংশ নিয়েছিল আন্দোলনে।

শেখ হাসিনা বলেন, স্বাধীনতার পর জাতির পিতা যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ গড়ে তুলে স্বল্পোন্নত দেশ গঠন করেন। ৭৫ এর ১৫ আগস্ট তাকে হত্যা করে দেশে ফিরিয়ে নিয়ে আসা হয় মার্শাল ল, স্বৈরতান্ত্রিক সরকার। আমরা যখন মিলিটারি ডিক্টেটরদের বিরুদ্ধে আন্দোলন করি, গণতন্ত্র মুক্তি পাক। সেটিও শিল্পীর তুলিতেই ফুটে ওঠে।

অনুষ্ঠানে শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী, সংষ্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কেএম খালিদসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। ১১৪টি দেশের ৪৯৩ শিল্পীর অংশগ্রহণে এই ১৯তম দ্বিবার্ষিক এশীয় চারুকলা প্রদর্শনীর আয়োজন করে বাংলাদেশ।

বরগুনার আলো