• মঙ্গলবার ২৩ এপ্রিল ২০২৪ ||

  • বৈশাখ ৯ ১৪৩১

  • || ১৩ শাওয়াল ১৪৪৫

বরগুনার আলো
ব্রেকিং:
দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বাংলাদেশ সর্বদা প্রস্তুত : প্রধানমন্ত্রী দেশীয় খেলাকে সমান সুযোগ দিন: প্রধানমন্ত্রী খেলাধুলার মধ্য দিয়ে আমরা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারি বঙ্গবন্ধুর আদর্শ নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে হবে: রাষ্ট্রপতি শারীরিক ও মানসিক বিকাশে খেলাধুলা গুরুত্বপূর্ণ: প্রধানমন্ত্রী বিএনপির বিরুদ্ধে কোনো রাজনৈতিক মামলা নেই: প্রধানমন্ত্রী স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে পশুপালন ও মাংস প্রক্রিয়াকরণের তাগিদ জাতির পিতা বেঁচে থাকলে বহু আগেই বাংলাদেশ আরও উন্নত হতো মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতার প্রতি নজর রাখার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রী আজ প্রাণিসম্পদ সেবা সপ্তাহ উদ্বোধন করবেন মন্ত্রী-এমপিদের প্রভাব না খাটানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর দলের নেতাদের নিয়ে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানায় শেখ হাসিনা মুজিবনগর দিবসে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা বর্তমান প্রজন্ম মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস জানতে পারবে মুজিবনগর দিবস বাঙালির ইতিহাসে অবিস্মরণীয় দিন: প্রধানমন্ত্রী ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস আজ নতুন বছর মুক্তিযুদ্ধবিরোধী অপশক্তির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে প্রেরণা জোগাবে : প্রধানমন্ত্রী আ.লীগ ক্ষমতায় আসে জনগণকে দিতে, আর বিএনপি আসে নিতে: প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীকে বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রীর ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা রাষ্ট্রপতির

ভাষার দাবিতে নারীদের ছিল সমান অংশগ্রহণ

বরগুনার আলো

প্রকাশিত: ২ ফেব্রুয়ারি ২০২৩  

‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি’। ৫২’র ভাষা আন্দোলন তথা রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে রঞ্জিত হয় রাজপথ। বিশ্বের বুকে যা এক বিরল দৃষ্টান্ত।

ভাষার মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় তৎকালীন সময়ে পারিবারিক, সামাজিক প্রতিবন্ধকতাকে পাশ কাটিয়ে পাকিস্তানি আর্মির বন্দুকের নল উপেক্ষা করে এগিয়ে এসেছিলেন নারীরাও। ভাষার দাবিতে পুরুষের পাশে নারীদের ছিল সমান অংশগ্রহণ।

২১ ফেব্রুয়ারি আমতলার সমাবেশ থেকে ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে মেয়েদের যে দলটি প্রথম বের হয় তার অগ্রভাগে ছিলেন রওশন আরা বাচ্চু ও ড. সুফিয়া আহম্মদ। ব্যারিকেড ভাঙে ভাষা কন্যারা; পুলিশের টিয়ারশেল ও লাঠিচার্জে আহত হন রওশন আরা বাচ্চুসহ সুফিয়া ইব্রাহিম, সুরাইয়া ডলি, সারা তৈফুরসহ অনেক ভাষাকন্যা।

কথা সাহিত্যিক সেলিনা হোসেন এ প্রসঙ্গে বলেছেন, “রওশন আরা বাচ্চু ও ড. সুফিয়া ইব্রাহিমসহ অনেকে সেইদিন কারফিউ ভেঙে মিছিল নিয়ে এগিয়েছিলেন। তারা দ্রুত একটি শহীদ মিনার করেছিলেন, যা এখনো আমার মনে পড়ে। পরে জানতে পেরেছি প্রফেসর আনিসুজ্জামানের মা সেই শহীদ মিনারে দেখেছিলেন পুলিশ সেই শহীদ মিনার ভেঙে দিয়েছে। পরে তিনি তার গলার সোনার  চেইন খুলে ওখানে রেখে এসেছিলেন এবং বলেছিলেন তোমরা এটা বিক্রি করে ইট, বালু কিনে আবার শহীদ মিনার বানাও।”

ঢাকার বাইরে যেসব ভাষা সৈনিক আন্দোলনে সরব ছিলেন তাদের মধ্যে অন্যতম নারায়রগঞ্জের মমতাজ বেগম ও চট্টগ্রামের প্রতিভা মুৎসুদ্দি।

ভাষা আন্দোলনের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত প্রতিটি বাঁকেই ছিল নারীর সক্রিয় অংশগ্রহণ। আন্দোলনে কতটা গভীরভাবে জড়িয়ে ছিলেন নারীরা- তা ইতিহাসে ঠিকভাবে প্রকাশ পায়নি বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।

বরগুনার আলো