• বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ ||

  • ফাল্গুন ৮ ১৪৩০

  • || ১০ শা'বান ১৪৪৫

বরগুনার আলো
ব্রেকিং:
অশিক্ষার অন্ধকারে কেউ থাকবে না: প্রধানমন্ত্রী একুশ মাথা নত না করতে শেখায়: প্রধানমন্ত্রী একুশে পদক তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস আগামীকাল মিউনিখ সম্মেলনে শেখ হাসিনাকে নিমন্ত্রণ বাংলাদেশের গুরুত্ব বুঝায় গুণীজনদের সম্মাননা ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে : রাষ্ট্রপতি একুশে পদকপ্রাপ্তদের অনুসরণ করে তরুণরা সোনার বাংলা বিনির্মাণ করবে আজ একুশে পদক তুলে দেবেন প্রধানমন্ত্রী মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনে যোগদান শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী মিউনিখ সফর শেষে ঢাকার পথে প্রধানমন্ত্রী বরই খেয়ে দুই শিশুর মৃত্যু, কারণ অনুসন্ধান করবে আইইডিসিআর দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের উপযুক্ত জবাব দিন: প্রধানমন্ত্রী গাজায় যা ঘটছে তা গণহত্যা: শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাক্ষাৎ নেদারল্যান্ডস, যুক্তরাজ্য, আজারবাইজান থেকে বড় বিনিয়োগ আহ্বান জার্মান চ্যান্সেলরের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক শান্তি ফর্মুলা বাস্তবায়নে শেখ হাসিনার সহযোগিতা চাইলেন জেলেনস্কি কাতারের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেছেন শেখ হাসিনা কিছু খুচরো দল তিড়িং বিড়িং করে লাফাচ্ছে: শেখ হাসিনা মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীকে বিশ্বনেতাদের অভিনন্দন

ভবিষ্যতেও বাংলাদেশের পাশে থাকবে ভারত: প্রণয় ভার্মা

বরগুনার আলো

প্রকাশিত: ৮ ডিসেম্বর ২০২৩  

বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা বলেছেন, একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশের পাশে থাকতে পেরে ভারতের জনগণ গর্ববোধ করে। ভারতের জনগণ ১৯৭১ সালে যেভাবে পাশে দাঁড়িয়েছে, ভবিষ্যতেও বাংলাদেশের যে কোনো অগ্রগতিতে সেভাবেই পাশে থাকবে।

রাজধানীর বঙ্গবন্ধু সামরিক জাদুঘর মিলনায়তনে স্বাধীন বাংলাদেশকে ভারতের স্বীকৃতিদানের ঐতিহাসিক দিবস স্মরণে বাংলাদেশ-ভারত ইতিহাস ও ঐতিহ্য পরিষদ আয়োজিত ‘মৈত্রী চেতনায় যেতে হবে বহুদূর’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গর্ভনর আতিউর রহমান। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন স্বাধীনতা পদক জয়ী চিকিৎসক বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক ডা. আমজাদ হোসেন, বিশিষ্ট নিরাপত্তা বিশ্লেষক মেজর জেনারেল (অব.) আব্দুর রশীদ এবং বাংলাদেশ-ভারত ইতিহাস ও ঐতিহ্য পরিষদের সভাপতি তাপস হোড়সহ অন্যরা।

প্রণয় ভার্মা বলেন, ভবিষ্যৎ প্রজন্ম যাতে রক্তের ভাগাভাগি সম্পর্কের ইতিহাসকে ধারণ করতে পারে, তার উদ্যোগ বাড়াতে হবে। তিনি বলেন, গ্লোবাল সাউথের উন্নয়ন এবং সম্ভাবনা সম্পর্কে একসঙ্গে বিশ্বকে নাড়া দিতে পেরেছে বাংলাদেশ ও ভারত। জনগণের মধ্যে যোগোযোগ বাড়াতে এখন অবকাঠামো, ডিজিটাল যোগাযোগ বাড়াচ্ছে দুই দেশ। বাণিজ্যিক সম্পর্কের সম্প্রসারণে সামাজিক-সাংস্কৃতিক সম্পর্কের উন্নয়ন সব ভুল বোঝাবুঝির অবসান ঘটাবে বলেও মনে করেন তিনি।

বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক এ অঞ্চলে সন্ত্রাসবাদ নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছে জানিয়ে নিরাপত্তা বিশ্লেষক অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল আবদুর রশিদ বলেন, ’৭১ সালে বিশ্বের অনেক দেশের চোখরাঙানিকে উপেক্ষা করে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিয়েছিল ভারত।

বরগুনার আলো