• শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ ||

  • আষাঢ় ৭ ১৪৩১

  • || ১৩ জ্বিলহজ্জ ১৪৪৫

বরগুনার আলো
ব্রেকিং:
বঙ্গবন্ধুর চার নীতি এবং বাংলাদেশের চার স্তম্ভ সুফিয়া কামালের সাহিত্যকর্ম নতুন প্রজন্মের প্রেরণার উৎস শুক্রবার ভারত যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফর: আঞ্চলিক ভূ-রাজনীতি নিয়ে আলোচনা হতে পারে ফিলিস্তিনসহ দেশের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান আসুন ত্যাগের মহিমায় দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করি: প্রধানমন্ত্রী তারেকসহ পলাতক আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে কোরবানির পশু বেচাকেনা এবং ঘরমুখো মানুষের নিরাপত্তার নির্দেশ তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে চীনের কাছে ঋণ চেয়েছি গ্লোবাল ফান্ড, স্টপ টিবি পার্টনারশিপ শেখ হাসিনাকে বিশ্বনেতৃবৃন্দের জোটে চায় শিশুর যথাযথ বিকাশ নিশ্চিতে সকল খাতকে শিশুশ্রমমুক্ত করতে হবে শিশুশ্রম নিরসনে প্রত্যেককে আরো সচেতন হতে হবে : প্রধানমন্ত্রী ব্যবসায়িদের প্রতি নিয়ম নীতি মেনে কার্যক্রম পরিচালনার আহ্বান বিনামূল্যে সরকারি বাড়ি গৃহহীনদের আত্মমর্যাদা এনে দিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর জিসিএ লোকাল অ্যাডাপটেশন চ্যাম্পিয়নস অ্যাওয়ার্ড গ্রহণ আশ্রয়ণের ঘর মানুষের জীবন বদলে দিয়েছে: প্রধানমন্ত্রী ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত ঘরবাড়ি তৈরি করে দেব : প্রধানমন্ত্রী নতুন সেনাপ্রধান ওয়াকার-উজ-জামান প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর পাচ্ছে সাড়ে ১৮ হাজার পরিবার শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস আজ

আমি তো সরাসরি গুলি করেছি, পালাবো কেন? - আদালতে কাওসার

বরগুনার আলো

প্রকাশিত: ১০ জুন ২০২৪  

রাজধানীর কূটনীতিক এলাকায় দায়িত্ব পালনকালে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে পুলিশ কনস্টেবল মনিরুল হককে খুব কাছ থেকে গুলি করেন আরেক কনস্টেবল মো. কাওসার আলী। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যান মনিরুল। এ ঘটনায় করা হত্যা মামলায় আসামি কাওসারের সাতদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। রিমান্ড শুনানিতে আসামিকে বিচারক প্রশ্ন করেন, আপনি পালিয়ে গেলেন না কেন? উত্তরে কাওসার বলেন, আমি তো ডিরেক্ট (সরাসরি) গুলি করেছি, পালাবো কেন?

রোববার (৯ জুন) কাওসারকে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. শাকিল আহাম্মদের আদালতে হাজির করে পুলিশ। মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য তাকে দশদিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা গুলশান থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আব্দুল মান্নাফ।

আদালতে দেখা যায়, কাওসারকে আদালতের কাঠগড়ায় রাখা হয়। এমতাবস্থায় এক সহপাঠী তাকে দেখতে আসেন। কাওসারকে তার বন্ধু প্রশ্ন করেন, বন্ধু এ কাজটা কেন করলি। মাথা ঠান্ডা রাখতে পারলি না। উত্তরে কিছু বলেনি কাওসার। এমন সময় শুনানির জন্য এ মামলায় ডাকেন গুলশান থানার আদালতের সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা এসআই শাহ আলম।

শুনানির একপর্যায়ে বিচারক কাওসারকে বলেন, আপনি পালালেন না কেন? উত্তরে কাওসার বলেন, আমি তো সরাসরি গুলি করেছি, পালাবো কেন? এসময় বিচারক তার সাতদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। কাওসারের পক্ষে কোনো আইনজীবী আদালতে ছিলেন না। কাঠগড়ায় থাকা অবস্থায় কাওসার এলোমেলো কথা বলতে থাকেন। অনেকে বলছিলেন, সে এখন মানসিকভাবে অসুস্থ।

রিমান্ড আবেদনে তদন্তকারী কর্মকর্তা উল্লেখ করেন, আসামি মো. কাওসার আলীর সঙ্গে বারিধারা ডিপ্লোম্যাটিক জোনে অবস্থিত ফিলিস্তিন দূতাবাসের সামনে রাত ১১টায় ডিউটিরত ছিলেন কনস্টেবল মনিরুল ইসলাম। রাত পৌনে ১২টার দিকে তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে আসামি উত্তেজিত হয়ে মনিরুলকে এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়েন। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। এসময় পথচারী মো. সাজ্জাদ হোসেনের হাতে একটি ও পেটে দুটি গুলি লাগে। বর্তমানে আশঙ্কাজনক অবস্থায় গুলশান ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তিনি। তাই মামলার সুষ্ঠু  তদন্তের জন্য আসামিকে ১০ দিনের রিমান্ডে নেওয়া প্রয়োজন। রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদে মামলার রহস্য উদঘাটনের সম্ভব রয়েছে।

কনস্টেবল মো. কাওসার আলীর বিরুদ্ধে করা হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৫ জুলাই দিন ধার্য করেছেন আদালত। ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. শাকিল আহাম্মদ মামলার এজাহার গ্রহণ করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য এ দিন ধার্য করেন।

এর আগে শনিবার (৮ জুন) রাত সাড়ে ১১টার দিকে রাজধানীর কূটনীতিক এলাকায় দায়িত্ব পালনকালে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে পুলিশ কনস্টেবল মনিরুল হককে খুব কাছ থেকে গুলি করেন আরেক কনস্টেবল মো. কাওসার আলী। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যান মনিরুল। মনিরুল কূটনীতিক এলাকায় সিকিউরিটি ডিভিশনে কর্মরত ছিলেন।

এ ঘটনায় রোববার গুলশান থানায় মামলা করেন নিহত মনিরুল হকের ভাই মো. মাহবুবুল হক। এতে কনস্টেবল কাওসার আলীকে আসামি করা হয়েছে।

এ বিষয়ে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা গুলশান থানার এসআই আব্দুল মান্নাফ বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামি কিছু বলেননি। তাকে সাতদিনের রিমান্ডে নেওয়ার জন্য আদালত অনুমতি দিয়েছেন। আশা করছি, রিমান্ডে প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে।

গুলশান থানার আদালতের সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা পুলিশের এসআই শাহ আলম বলেন, আসামি কাওসারকে ১০ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করে পুলিশ। শুনানি শেষে বিচারক সাতদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

কাওসারের সহপাঠী বলেন, আমি যতটুকু জানি কাওসারের মাথায় সমস্যা রয়েছে। তার সার্টিফিকেটও রয়েছে। তাকে কেন এত গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় দায়িত্ব দেওয়া হলো, বুঝতে পারছি না।

 

বরগুনার আলো