• রোববার ২৬ মে ২০২৪ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ১২ ১৪৩১

  • || ১৭ জ্বিলকদ ১৪৪৫

বরগুনার আলো
ব্রেকিং:
ঢাকাবাসীকে সুন্দর জীবন উপহার দিতে কাজ করছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী ঘূর্ণিঝড় রেমাল : ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত জারি ধর্মনিরপেক্ষতা মানে ধর্মহীনতা নয়: প্রধানমন্ত্রী সকালেই প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেবে রেমাল, আছড়ে পড়বে মধ্যরাতে ঘূর্ণিঝড় রেমাল : পায়রা ও মোংলা বন্দরে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত ঢাকায় কোনো বস্তি থাকবে না, দিনমজুররাও ফ্ল্যাটে থাকবে অগ্নিসংযোগকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের হুঁশিয়ারি বঙ্গবাজারে বিপণী বিতানসহ চারটি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন নজরুলের বলিষ্ঠ লেখনী মানুষকে মুক্তি সংগ্রামে উদ্দীপ্ত করেছে জোটের শরিক দলগুলোকে সংগঠিত ও জনপ্রিয় করতে নির্দেশ সন্ধ্যায় ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে রেমাল বঙ্গবাজার বিপনী বিতানসহ ৪ প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী কৃষিতে ফলন বাড়াতে অস্ট্রেলিয়ার প্রযুক্তি সহায়তা চান প্রধানমন্ত্রী বাজার মনিটরিংয়ে জোর দেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ‘বঙ্গবন্ধু শান্তি পদক’ দেবে বাংলাদেশ ইরানের প্রেসিডেন্টের মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শোক রাইসি-আমির আব্দুল্লাহিয়ান মারা গেছেন: ইরানি সংবাদমাধ্যম সকল ক্ষেত্রে সঠিক পরিমাপ নিশ্চিত করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির ওজন ও পরিমাপ নিশ্চিতে কাজ করছে বিএসটিআই: প্রধানমন্ত্রী চাকরির পেছনে না ছুটে যুবকদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান

ট্রেনে মাত্র ৩ মিনিটে পদ্মা সেতু পাড়ি

বরগুনার আলো

প্রকাশিত: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৩  

ফরিদপুরের ভাঙ্গা থেকে মাদারীপুরের শিবচরের ২টি স্টেশন হয়ে মুন্সীগঞ্জের মাওয়া স্টেশন পর্যন্ত ৪ ধাপে ৪ স্তরের গতিতে ট্রায়াল ট্রেন দিয়ে সফলভাবে পরীক্ষা চালানো হয়েছে। এসময় মাত্র ৩ মিনিটে পদ্মা সেতু পাড়ি দেয় ট্রায়াল ট্রেনটি। সর্বনিম্ন ৬০ কিলোমিটার গতিতে ট্রেনটি ও সর্বোচ্চ ৩০ মিনিটে ট্রেনটি উভয় প্রান্তে পৌছায়। পরীক্ষা সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ায় প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের মাঝে সন্তোষ বিরাজ করছে।
জানা যায়, ১০ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উদ্বোধন করবেন  ঢাকা ভাঙ্গা রেলপথের। সেই উপলক্ষ্যে গত ৭ সেপ্টেম্বর রেল মন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন,চীফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরীসহ অসংখ্য সংসদ সদস্যর উপস্থিতিতে ঢাকার কমলাপুর থেকে ফরিদপুরের ভাঙ্গা পর্যন্ত ৬০ কিলোমিটার গতিতে রেলের ট্রায়াল সফলভাবে সম্পন্ন হয়। প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনকে ঘিরে শুক্রবার সকাল ৭ টা ৩৫ মিনিটে ফরিদপুরের ভাঙ্গা স্টেশন থেকে ৫টি বগি সম্মিলিত যাত্রীবাহী ট্রেনটি মাদারীপুরের শিবচরের ২টি স্টেশন,পদ্মা সেতু হয়ে মুন্সীগঞ্জের মাওয়া স্টেশন পর্যন্ত যায়। এসময় ট্রেনটির গতিবেগ ছিল ৬০-৬৫ কিলোমিটার আর পদ্মা সেতু পার হয় ৭ মিনিটে। ট্রেনটি পৌছায় ৫১ মিনিটে। সকাল ৮ টা ৫৯ মিনিটে পুনরায় ট্রেনটি মাওয়া থেকে ভাঙ্গার উদ্দ্যেশে ছেড়ে আসে। এসময় ট্রেনের গতিবেগ ছিল ৮০ কিলোমিটার। পৌছায় ৪০ মিনিটে। সকাল ১০ টা ১১ মিনিটে ট্রেনটি পুনরায় ভাঙ্গা স্টেশন থেকে ছেড়ে যায়। এসময় ট্রেনটির গতিবেগ ছিল ১শ কিলোমটিার। ট্রেনটি মাওয়া পৌছায় ৩৪ মিনিটে। পুনরায় ট্রেনটি মাওয়া থেকে ১১ টা ১৭ মিনিটে ছেড়ে আসে । ভাঙ্গা পৌছায় মাত্র ৩০ মিনিটে। এসময় পদ্মা সেতুসহ গন্তব্যে পৌছাতে ১শ২৫ কিলোমিটার পর্যন্ত গতিবেগ উঠানো হয়। ট্রেনের দূর্বার গতিতে মাত্র ৩ মিনিটে পদ্মা সেতু পাড়ি দেয় । ট্রেনটি চোখের পলকেই পাড়ি দেয় বিভিন্ন স্টেশন হাট বাজার জনপদ। ট্রায়াল চলাকালে মধ্যকার কোন স্টেশনেই থামেনি ট্রেনটি। দূর্ঘটনা এড়াতে রেলপথজুড়ে ছিল পুলিশি নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
এ প্রকল্পের রেল লাইন(ট্রাক) ইনচার্জ সৈয়দ শওকত হোসেন বলেন, পরীক্ষামূলকভাবে ৪টি ট্রীপ দেয়া হয়েছে। প্রথমটি ৬০ কিলোমিটারে , দ্বিতীয়টি ৮০ কিলোমিটারে ,তৃতীয়টি ১শ কিলোমিটারে ,চতুর্থটি ১শ ২০ কিলোমিটারের উপরে চালিয়ে এ রেল লাইনের সক্ষমতা প্রমান হলো। পদ্মা সেতু পার হতে আজ সর্বনিম্ন ৩ মিনিট সময় লেগেছে।
মাওয়া ভাঙ্গা সেকশনের প্রকল্প ব্যবস্থাপক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সাঈদ আহমেদ জানান,  এ রেলপথে যাত্রীবাহী ট্রেনে ডিজাইন স্পীড ছিল ১শ২০ কিলোমিটার। আমরা আজ সর্বোচ্চ গতি পেয়েছি ১শ২৫ কিলোমিটার। এসময় মাত্র ৩ মিনিটে পদ্মা সেতু পাড়ি দেয় ট্রেন।  এ জন্য আমরা ৪ ধাপে এগিয়েছি। এ যাত্রাপথ ছিল খুবই আরামদায়ক, বিদেশের মতো।

বরগুনার আলো