• সোমবার   ২৪ জানুয়ারি ২০২২ ||

  • মাঘ ১০ ১৪২৮

  • || ১৯ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

বরগুনার আলো
ব্রেকিং:
গণঅভ্যুত্থানের চেতনায় সমৃদ্ধ দেশ গঠনের আহ্বান রাষ্ট্রপতির করোনায় ভয়াবহ কিছু হবে না: অর্থমন্ত্রী শহীদ আসাদ গণতন্ত্রপ্রেমী মানুষের মাঝে স্মরণীয় হয়ে থাকবেন গণতন্ত্রের ইতিহাসে শহীদ আসাদ দিবস একটি অবিস্মরণীয় দিন শহীদ আসাদ দিবস আজ ‘বাংলাদেশকে আর কেউ অবহেলা করতে পারবে না’ সার্বভৌমত্বের ওপর আঘাত এলে চুপ থাকবে না বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সংস্কৃতি গড়তে ডিসিদের প্রতি নির্দেশ ভয়-লোভের ঊর্ধ্বে থাকুন, ডিসিদের প্রধানমন্ত্রী ডিসিদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর ২৪ দফা নির্দেশনা ‘শহিদ ও মুক্তিযোদ্ধা পরিবার ভিক্ষা করবে আমি দেখতে চাই না’ ওমিক্রনে মৃত্যু বাড়ছে, সচেতন থাকার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর সেবা নিতে এসে মানুষ যেন হয়রানির শিকার না হন: প্রধানমন্ত্রী তৃণমূলের মানুষের জীবনমান উন্নত করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী ইসির সক্ষমতা বাড়ানোর প্রস্তাব আওয়ামী লীগের সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন গঠনে গুরুত্ব আরোপ রাষ্ট্রপতির ইসি গঠনে আইনের খসড়া অনুমোদন মন্ত্রিসভায় জঙ্গিবাদ নির্মূলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির নৌকায় ভোট দিয়েই রংপুর মঙ্গামুক্ত: প্রধানমন্ত্রী আর যেন কখনও মঙ্গা দেখা না দেয়: প্রধানমন্ত্রী

জাপানে রপ্তানি বাড়ছে বাংলাদেশ-ভারতের, হতাশ পাকিস্তান

বরগুনার আলো

প্রকাশিত: ১২ জানুয়ারি ২০২২  

বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ জাপানে ধারাবাহিকভাবে রপ্তানি বাড়ছে বাংলাদেশের। ভালো করছে ভারত-শ্রীলঙ্কার মতো প্রতিবেশীরাও। সেই তুলনায় প্রায় প্রতি বছরই জাপানের বাজার হারাচ্ছে পাকিস্তান। পাকিস্তানি সরকার বিষয়টিতে যথেষ্ট গুরুত্ব না দেওয়ায় এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা। মঙ্গলবার (১১ জানুয়ারি) পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম দ্য নিউজ ইন্টারন্যাশনালের এক প্রতিবেদনে এসব কথা বলা হয়েছে।

ট্রেডিং ইকোনমিকসের হিসাবে, টানা চার বছর জাপানে ১০০ কোটি ডলারের বেশি মূল্যের পণ্য রপ্তানি করেছে বাংলাদেশ। ভারত করেছে ৪০০ কোটি ডলারের বেশি। কিন্তু, পাকিস্তান ২০১৮ সালের পর আর ২০ কোটি ডলারের সীমাও পার করতে পারেনি। এমনকি তুলনামূলক ছোট অর্থনীতির দেশ শ্রীলঙ্কাও পাকিস্তানের তুলনায় জাপানে বেশি পণ্য রপ্তানি করেছে।

১৯৬টি দেশের অর্থনৈতিক তথ্যসমৃদ্ধ ওয়েবসাইটটি জানিয়েছে, ২০১৮ সালে জাপানে ৪৭৩ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছিল ভারত। একই বছরে জাপানে বাংলাদেশের রপ্তানি ১৪৩ কোটি ডলারের ও শ্রীলঙ্কার ছিল ২২ কোটি ৫০ লাখ ডলারের। সেই তুলনায় পাকিস্তানের রপ্তানি ছিল সবার চেয়ে কম, মাত্র ২১ কোটি ৬০ লাখ ডলারের।

২০১৯ সালে ভারত জাপানে পণ্য রপ্তানি করে ৪৮৬ কোটি ডলারের, বাংলাদেশ ১৫০ কোটি ডলারের মাইলফলক পার হয়, শ্রীলঙ্কা পায় ২৮ কোটি ১০ লাখ ডলার। বিপরীতে, পাকিস্তানের পণ্য রপ্তানি কমে দাঁড়ায় ১৮ কোটি ৬০ লাখ ডলারে।

২০২০ সালে করোনাভাইরাস মহামারির মধ্যেও ভারত জাপানে ৪০৪ কোটি ডলারের বেশি মূল্যের পণ্য রপ্তানি করেছে। ওই বছর বাংলাদেশ রপ্তানি করেছে ১৩১ কোটি ডলারের, শ্রীলঙ্কা ২৪ কোটি ৫০ লাখ ডলারের। সেসময় পাকিস্তানের পণ্য রপ্তানি আরও কমে দাঁড়ায় মাত্র ১৬ কেটি ৬০ লাখ ডলারে।

২০২১ সালের নভেম্বর মাস পর্যন্ত ভারত জাপানে ৫২৩ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে। বিপরীতে, পাকিস্তান করেছে ১৯ কোটি ৭০ লাখ ডলারের। বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার তথ্য এখনো প্রকাশ করা হয়নি।

অর্থনীতিবিদদের মতে, পাকিস্তানের হতাশাজনক পরিসংখ্যান থেকে স্পষ্ট যে, দেশটির সরকার জাপানের বাজারের দিকে যথাযথ মনোযোগ দেয়নি। তার ওপর, জাপানে পাকিস্তানি দূতাবাসে অনেক বছর ধরেই অর্থনীতি বিষয়ক কর্মকর্তার পদ শূন্য, এখন পর্যন্ত সেখানে কাউকে নিয়োগ দেওয়া হয়নি। এতে জাপানের অর্থনৈতিক গুরুত্বের প্রতি পাকিস্তান সরকারের আন্তরিকতার অভাব ফুটে উঠেছে বলে মনে করছেন তারা।

বরগুনার আলো