• বৃহস্পতিবার ২৩ মে ২০২৪ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ৯ ১৪৩১

  • || ১৪ জ্বিলকদ ১৪৪৫

বরগুনার আলো
ব্রেকিং:
কৃষিতে ফলন বাড়াতে অস্ট্রেলিয়ার প্রযুক্তি সহায়তা চান প্রধানমন্ত্রী বাজার মনিটরিংয়ে জোর দেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ‘বঙ্গবন্ধু শান্তি পদক’ দেবে বাংলাদেশ ইরানের প্রেসিডেন্টের মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শোক রাইসি-আমির আব্দুল্লাহিয়ান মারা গেছেন: ইরানি সংবাদমাধ্যম সকল ক্ষেত্রে সঠিক পরিমাপ নিশ্চিত করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির ওজন ও পরিমাপ নিশ্চিতে কাজ করছে বিএসটিআই: প্রধানমন্ত্রী চাকরির পেছনে না ছুটে যুবকদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান ‘সামান্য কেমিক্যালের পয়সা বাঁচাতে দেশের সর্বনাশ করবেন না’ ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করে আওয়ামী লীগ দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবে শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস আজ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস আগামীকাল ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে বিচারকদের প্রতি আহ্বান রাষ্ট্রপতির আহতদের চিকিৎসায় আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর ভূমিকা চান প্রধানমন্ত্রী টেকসই উন্নয়নের জন্য কার্যকর জনসংখ্যা ব্যবস্থাপনা চান প্রধানমন্ত্রী বিএনপি ক্ষমতায় এসে সব কমিউনিটি ক্লিনিক বন্ধ করে দেয় চমক রেখে বিশ্বকাপের দল ঘোষণা করল বাংলাদেশ শেখ হাসিনার তিন গুরুত্বপূর্ণ সফর: প্রস্তুতি নিচ্ছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় হজযাত্রীদের ভিসা অনুমোদনের সময় বাড়ানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশ এআইকে স্বাগত জানায় তবে অপব্যবহার রোধে পদক্ষেপ নিতে হবে

টাস্কফোর্স আতঙ্কে ব্যবসায়ীরা, ডলারের দাম আরও চড়া

বরগুনার আলো

প্রকাশিত: ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৩  

খোলাবাজারে বেড়েছে চলেছে ডলারের দাম। অতিরিক্ত দরে ডলার লেনদেন বন্ধ করতে ও বাজারে শৃঙ্খলা ফেরাতে টাস্কফোর্স গঠন করে বাংলাদেশ ব্যাংক। খুচরা ডলারের দাম নিয়ন্ত্রণে গঠিত টাস্কফোর্সের বিরুদ্ধেই এখন হয়রানিসহ অপেশাদার আচরণের অভিযোগ তুলেছেন ডলার ব্যবসায়ীরা।

অনেক ব্যবসায়ীর অভিযোগ, টাস্কফোর্সের হয়রানি থেকে রেহাই পেতে তারা ডলার লেনদেন বন্ধ করে দিয়েছেন। এতে ডলারের দাম হয়েছে আরও চড়া। খোলাবাজারে এক ডলারের দাম উঠেছে ১১৮ থেকে ১১৯ টাকা পর্যন্ত। আর এর খেসারত দিচ্ছেন বিদেশগামীরা। বেশি দামে ডলার কিনতে হচ্ছে তাদের।

রোববার (১০ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর পল্টন, মতিঝিল, ফকিরাপুল এলাকার বিভিন্ন মানি চেঞ্জার্স প্রতিষ্ঠান ঘুরে এসব চিত্র উঠে এসেছে।

এসব এলাকায় ডলারের ঘোষিত লেনদেন মূল্য ১১১ টাকা ১০ পয়সা থেকে ১১২ টাকা ৬০ পয়সা হওয়ার কথা। তবে লুকিয়ে প্রতি ডলার বিক্রি হচ্ছে ১১৮ থেকে ১১৯ টাকা। এতে বাড়তি টাকা গুনতে হচ্ছে বিদেশগামীদের।

শ্রমিক ভিসায় দেশের বাইরে যাবেন মোরসালিন। কয়েকটি মানি চেঞ্জার্স প্রতিষ্ঠান ঘুরে ডলার কিনতে পারেননি তিনি। মোরসালিন বলেন, ‘দোকান বন্ধ, অনেক দোকানে ডলার পাইনি। দোকানের বাইরে থেকে ১১৯ টাকা রেটে ৫০০ ডলার কিনেছি।’

রাজধানীর পল্টন, মতিঝিল, ফকিরাপুল এলাকার ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করে বলেন, টাস্কফোর্স হয়রানি ও শারীরিক লাঞ্ছিত করছে। এ কারণে অনেকেই ডলার বেচাকেনা বন্ধ রেখেছেন। এতে ডলারের দাম আরও বেড়েছে।

ডলার ব্যবসায়ীরা জানান, রাজধানীর দিলকুশার নিয়ন মানি চেঞ্জার্সের এক বিক্রয়কর্মী ও গুলশানের আব্দুল্লাহ মানি চেঞ্জার্সের বিক্রয়কর্মীকে মারধর করেছেন টাস্কফোর্সের সঙ্গে থাকা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। এমনকি গ্রাহককে তল্লাশি ও গালিগালাজ করার ঘটনা ঘটেছে বলেও অভিযোগ করেন তারা।

এ বিষয়ে মানি চেঞ্জার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের মহাসচিব শেখ হেলাল সিকদার গণমাধ্যমকে বলেন, ‘টাস্কফোর্সের প্রধান ও বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক নীতি বিভাগের পরিচালক সরওয়ার হোসেনের সঙ্গে আমরা দেখা করেছি। ব্যবসায়ীদের ওপর টাস্কফোর্সের মারধর, গ্রাহকের শরীর তল্লাশি ও গালিগালাজসহ অপেশাদার আচরণের প্রতিকার চেয়েছি আমরা।’

তিনি বলেন, ‘এমন আচরণ করা হলে কারও পক্ষে ব্যবসা করা সম্ভব না। দোষী হলে অবশ্যই প্রচলিত আইন অনুযায়ী বিচার হতে পারে। তবে হয়রানি বন্ধ না করা হলে বাজারে লেনদেন আরও কমে যাবে। এতে বাজারে ডলার পাওয়া আরও কঠিন হবে।’

ব্যবসায়ীদের অভিযোগের বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. মেজবাউল হক গণমাধ্যমকে বলেন, ‘মানি চেঞ্জার্সদের মারধরের বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পাইনি। টাস্কফোর্স ব্যবসায়ীদের ডলার লেনদেনের কাগজপত্র যাচাই করে, এমন আচরণ করার কথা না।’

এর আগে বেশি দামে ডলার বিক্রি করায় গত সপ্তাহে ৭ মানি চেঞ্জার প্রতিষ্ঠানের ব্যবসার লাইসেন্স স্থগিত করে বাংলাদেশ ব্যাংক। একই অভিযোগে আরও ১০ মানি চেঞ্জারের কাছে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছিল।

বরগুনার আলো