• বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ ||

  • ফাল্গুন ১৫ ১৪৩০

  • || ১৭ শা'বান ১৪৪৫

বরগুনার আলো
ব্রেকিং:
বিশ্বের সম্ভাব্য সকল স্থানে রপ্তানি বাজার ছড়িয়ে দেয়ার আহ্বান বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা জরুরি গভীর সমুদ্র থেকে গ্যাস উত্তোলনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার পুলিশ জনগণের বন্ধু, সে কথা মাথায় রেখেই দায়িত্ব পালন করতে হবে অপরাধের ধরন বদলাচ্ছে, পুলিশকেও সেভাবে আধুনিক হতে হবে পুলিশ সপ্তাহ শুরু, উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী আইনশৃঙ্খলা সমুন্নত রাখতে পুলিশ নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে দেশপ্রেম ও পেশাদারিত্বের পরীক্ষায় বারবার উত্তীর্ণ হয়েছে পুলিশ জনগণের আস্থা অর্জন করলে ভোট পাবেন: জনপ্রতিনিধিদের প্রধানমন্ত্রী জনপ্রতিনিধির মাধ্যমে উন্নয়ন কাজের ব্যবস্থাটা আমরা নিয়েছিলাম কেউ যেন ভুয়া ক্লিনিক-চিকিৎসকের দ্বারা প্রতারিত না হন: রাষ্ট্রপতি স্থানীয় সরকার বিভাগে বাজেট বরাদ্দ ৬ গুণ বেড়েছে: প্রধানমন্ত্রী স্থানীয় সরকারকে মাটি-মানুষের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক গড়তে হবে শবে বরাতের মাহাত্ম্যে উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশের কাজে আত্মনিয়োগের আহ্বান সমাজের অসহায়, দরিদ্র মানুষের সহায়তায় এগিয়ে আসতে হবে দেশের মানুষের জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে বিচারকদের ক্ষমতার অপব্যবহার রোধকল্পে খেয়াল রাখার আহ্বান মিউনিখ সফরে বাংলাদেশের অঙ্গীকার বলিষ্ঠরূপে প্রতিফলিত হয়েছে পবিত্র রমজানে নিত্যপণ্যের সংকট হবে না: প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্টের অভিনন্দন

নামিদামি প্রতিষ্ঠান শিক্ষার্থীদের মানসিক নির্যাতন করছে

বরগুনার আলো

প্রকাশিত: ২৩ মে ২০২৩  

‘নামিদামি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সৃজনশীল কাজে নেই। ভালো ফলাফলের শিক্ষার্থীদের তারা মানসিক নির্যাতন করছে। অভিভাবক, শিক্ষক সবাই মিলে বলা যায় এক প্রকার মানসিক নির্যাতন করছে।’ মঙ্গলবার (২৩ মে) রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে জাতীয় দিবসে বিভিন্ন সৃজনশীল কাজে বিজয়ী শিক্ষার্থীদের পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল এ কথা বলেন।

উপমন্ত্রী বলেন, ‘ঢাকা ও চট্টগ্রাম শহরের নামিদামি প্রতিষ্ঠানগুলো সৃজনশীল কাজে নেই। বিদ্যালয়গুলোয় অভিভাবক, শিক্ষক সবাই মিলে বলা যায় এক প্রকার মানসিক নির্যাতন করছে। কারণ, পড়াশোনার বাইরে তাদের কিছু করতে দিচ্ছি না, দেই না। অভিভাবকরাও এখানে বেশি দায়ী। শিক্ষার্থীদের মানসিকভাবে চাপ দেওয়া হয় ফলাফলটা খুব ভালো করতে হবে। ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়ার হতে হবে অথবা সরকারি কর্মকর্তা হতে হবে। বড় বড় বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে হবে। এই প্রেসারে শিক্ষার্থীদের জীবন বিপন্ন করে দেওয়া হচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘কিন্তু এই শহরগুলোর বাইরে আমরা যাচ্ছি, সেখানে কিন্তু শিক্ষার্থীরা উন্মুক্ত চিন্তা করার সুযোগ পাচ্ছে। তারা অনেক সৃষ্টিশীল কাজ করছে। দেখা যাবে এই শিক্ষার্থীরাই দেশের ভবিষ্যৎ উন্নত করবে। আর যাদের মানসিক নির্যাতন করে শুধু ভালো ফলাফল পাওয়ার জন্য তৈরি করা হচ্ছে, তাদের বেশি সংখ্যক একসময় দেশ থেকে পালিয়েই যাবে। বিদেশে পড়তে গেলেও তারা আত্মকেন্দ্রিক হয়ে যাবে। আত্মকেন্দ্রিকতা থেকে বেরিয়ে সমাজের উপকার করার সক্ষমতা তাদের কমে যাবে। কারণ, সমাজ থেকে তাকে কিছু দেওয়া হয়নি, শুধু ফলাফল চাওয়া হয়েছে। এই ফলাফল নির্ভরতা থেকে বেরিয়ে আমাদের সন্তানরা সব কাজে এগিয়ে যাবে, এই হোক আমাদের প্রত্যাশা।’

348360477_933612017721683_8001062355126225208_n

পৃথিবীর কোনও দেশে ১৩ বছর, ১৪ বছর ১৫ বছরে কাউকে মেধাবী শিক্ষার্থী বলে স্বীকৃতি দেওয়া হয় না উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমাদের দেশে ১০ বছর বয়সী শিক্ষার্থীকে বলা হয় আমার ছেলেটা খুব মেধাবী, তাই তাকে এই স্কুলে (নামিদামি) ভর্তি করানো উচিত, তাই সরকারি মাধ্যমিকে আসবে না। যখন শিক্ষা অর্জনের সময় মেধা অর্জনের সময় তখন তাকে মেধাবীর তকমা দিয়ে নির্যাতনের মধ্যে ফেলছি। শিক্ষা নেওয়া এবং মূল্যবোধ শেখার কোনও সুযোগ আমরা করে দিচ্ছি না। তাদের সৃজনশীল কোনও কাজ করতে দিচ্ছি না।’

এই পরিস্থিতি উত্তোরণে গণমাধ্যমের সহযোগিতা চান শিক্ষা উপমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘আমরা গণমাধ্যমের কাছে সহযোগিতা চাই-মাধ্যমিক পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের ফলাফলের ক্রেইজ থেকে বেরিয়ে আসতে আপনাদের সহযোগিতা অবশ্যই প্রয়োজন। ফলাফল নয়, সত্যিকারের শিক্ষার পেতে শিক্ষার্থীরা এগিয়ে যাচ্ছে।’

মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের সংস্কৃতির সঙ্গে সম্পৃক্ত করার আহ্বান

শিক্ষকদের আন্তরিক হওয়ার আহ্বান জানিয়ে শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল বলেছেন, ‘গতানুগতিক শিক্ষার মধ্যে শিক্ষার্থীদের আটকে না রেখে তাদের উন্মুক্ত চিন্তা করার সুযোগ করে দেওয়া, জীবনমুখী করার জন্য তাদের সৃজনশীল করা, সংস্কৃতির সঙ্গে সম্পৃক্ত করা বিদ্যালয় ও মাদ্রাসাগুলোতে যাতে সেটা হয় সেটায় সচেষ্ট থাকতে হবে। আমাদের মাদ্রাসাগুলোতেও ইসলামি সংস্কৃতি ও বাংলাদেশি এবং সব পর্যায়ের সংস্কৃতি চর্চা প্রয়োজন। সৃজনশীল কাজে তাদের সম্পৃক্ততা অবশ্যই প্রয়োজন।’

বরগুনার আলো