• বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ ||

  • ফাল্গুন ৮ ১৪৩০

  • || ১০ শা'বান ১৪৪৫

বরগুনার আলো
ব্রেকিং:
অশিক্ষার অন্ধকারে কেউ থাকবে না: প্রধানমন্ত্রী একুশ মাথা নত না করতে শেখায়: প্রধানমন্ত্রী একুশে পদক তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস আগামীকাল মিউনিখ সম্মেলনে শেখ হাসিনাকে নিমন্ত্রণ বাংলাদেশের গুরুত্ব বুঝায় গুণীজনদের সম্মাননা ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে : রাষ্ট্রপতি একুশে পদকপ্রাপ্তদের অনুসরণ করে তরুণরা সোনার বাংলা বিনির্মাণ করবে আজ একুশে পদক তুলে দেবেন প্রধানমন্ত্রী মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনে যোগদান শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী মিউনিখ সফর শেষে ঢাকার পথে প্রধানমন্ত্রী বরই খেয়ে দুই শিশুর মৃত্যু, কারণ অনুসন্ধান করবে আইইডিসিআর দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের উপযুক্ত জবাব দিন: প্রধানমন্ত্রী গাজায় যা ঘটছে তা গণহত্যা: শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাক্ষাৎ নেদারল্যান্ডস, যুক্তরাজ্য, আজারবাইজান থেকে বড় বিনিয়োগ আহ্বান জার্মান চ্যান্সেলরের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক শান্তি ফর্মুলা বাস্তবায়নে শেখ হাসিনার সহযোগিতা চাইলেন জেলেনস্কি কাতারের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেছেন শেখ হাসিনা কিছু খুচরো দল তিড়িং বিড়িং করে লাফাচ্ছে: শেখ হাসিনা মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীকে বিশ্বনেতাদের অভিনন্দন

স্ত্রীকে নিয়ে মিশা সওদাগরের স্ট্যাটাস

বরগুনার আলো

প্রকাশিত: ৫ ডিসেম্বর ২০২৩  

ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় ‘খলনায়ক’ মিশা সওদাগর। পর্দায় ইতিবাচক ও নেতিবাচক দুই চরিত্রেই দেখা গেছে তাকে। তবে বেশির ভাগ সময়ই তাকে নেতিবাচকভাবে দেখা গেছে।

অবশ্য পর্দার নেতিবাচক চরিত্রে অভিনয় করা মিশার বাস্তব জীবন সস্পূর্ণই আলাদা। এ অভিনেতা পর্দায় যতটা নেতিবাচক ও হিংস্র, বাস্তবে ততটাই ইতিবাচক ও মানবিক।

মিশার সম্পর্কে না বললেই নয়, তিনি বাস্তব জীবনে একজন তুখোড় প্রেমিক। তার প্রেমকাহিনি যে কোনো সিনেমার গল্পকেও হার মানায়।

হঠাৎ কেন এমন কথা বলছি, ভাবছেন?
কেননা, ১০ বছর চুটিয়ে প্রেম করে বিয়ে করেছেন মিশা সওদাগর। তার স্ত্রীর নাম মিতা। দেখতে দেখতে এক ছাদের নিচে ৩০ বছর পার করেছেন এ দম্পতি। আজকের এই দিনেই বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন মিশা-মিতা। সেই হিসাবে মঙ্গলবার (৫ ডিসেম্বর) তাদের বিয়ের ৩০ বছর পূর্ণ হলো।

এদিকে স্ত্রী মিতার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে মিশা সওদাগর নিজরে ভেরিফায়েড ফেসবুকে একটি পোস্ট করেছেন।
পোস্টে তিনি লেখেন, ‘৩০ বছর পার করার পর আমার উপলব্ধি হচ্ছে, মানুষের কাছে শ্রেষ্ঠ সম্পদ হচ্ছে তার মা। আর একজন পুরুষের কাছে শ্রেষ্ঠ সম্পত্তি হচ্ছে তার স্ত্রী। জেতার মানসম্মান অর্থ প্রতিপত্তি সুখ-দুঃখ আনন্দ বেদনা সন্তান-সন্ততির আমানত হিসেবে রক্ষা করে। তোমার প্রতি অনেক কৃতজ্ঞতা অনেক ভালোবাসা। আমাকে আজকের দিনে কবুল করার জন্য তোমার কাছে আমি অনেক কৃতজ্ঞ। শুভ হোক বিবাহবার্ষিকী।

বরগুনার আলো