• সোমবার   ০২ আগস্ট ২০২১ ||

  • শ্রাবণ ১৮ ১৪২৮

  • || ২২ জ্বিলহজ্জ ১৪৪২

বরগুনার আলো
ব্রেকিং:
‘বঙ্গবন্ধু হত্যায় ষড়যন্ত্রকারী কারা, ঠিকই আবিষ্কার হবে’ ‘বঙ্গবন্ধুর খুনিদের পৃষ্ঠপোষকতায় এগিয়ে খালেদা জিয়া’ দেশের নাম বদলে দিতে চেয়েছিল পঁচাত্তরের খুনি চক্র: প্রধানমন্ত্রী এক সময় নিজেই রক্তদান করতাম: প্রধানমন্ত্রী হত্যার বিচার করেছি, ষড়যন্ত্রের পেছনে কারা এখনও আবিষ্কার হয়নি একনেক বৈঠক শুরু, অনুমোদন হতে পারে ১০ প্রকল্প করোনা টেস্টে গ্রামীণ জনগণের ভীতি নিরসনে কাজ করতে হবে মানুষকে ব্যাপকভাবে ভ্যাকসিন দিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী করোনা ভ্যাকসিন উৎপাদন হবে দেশেই: শেখ হাসিনা সজীব ওয়াজেদ জয়ের ৫১তম জন্মদিন আজ করোনা মোকাবিলায় সশস্ত্র বাহিনীসহ সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান ফকির আলমগীরের মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতির শোক সুশৃঙ্খল সেনাবাহিনী গণতন্ত্র সুসংহত করতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে শেখ হাসিনার কারাবন্দি দিবস আজ নভেম্বরে এসএসসি, ডিসেম্বরে এইচএসসি পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী নিম্নআয়ের মানুষের জন্য ৩২০০ কোটি টাকার প্রণোদনা ২৩ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট মানতে হবে যেসব বিধিনিষেধ কঠোর বিধিনিষেধ শিথিল করে প্রজ্ঞাপন জারি টেস্ট ক্রিকেটকে বিদায় বললেন মাহমুদউল্লাহ দারিদ্র্যের সাথে জনসংখ্যা বৃদ্ধির সম্পর্ক রয়েছে: রাষ্ট্রপতি

যে জঙ্গলে নারীদের প্রবেশ করতে হয় নগ্ন হয়ে!

বরগুনার আলো

প্রকাশিত: ৬ জুলাই ২০২১  

ইন্দোনেশিয়ার পাপুয়ায় এক ম্যানগ্রোভ অরণ্যে শুধু মেয়েরাই প্রবেশ করতে পারে। নাম টোনোটিওয়াট। যার অর্থ ‘ফিমেল ফরেস্ট’ বা নারীদের অরণ্য।

নারীদেরও অবশ্য জঙ্গলে প্রবেশের বেশ কিছু নিয়ম আছে।এখানে মেয়েরা সম্পূর্ণ নিরাবরণ হয়ে প্রবেশ করেন।

জঙ্গল, জলাভূমিতে দলবেঁধে ঘোরেন। জঙ্গলে প্রবেশের পর একত্রিত হয়ে শপথ নেন জঙ্গলে থাকাকালীন কেউ কাউকে ছেড়ে যাবেন না।

পাপুয়ার বাসিন্দাদের পছন্দের খাবার ঝিনুক এবং নানারকম ফলের জোগান দেয় এই অরণ্য। সেসব সংগ্রহ করে আনার কাজও মেয়েরাই করে থাকেন। 

প্রদেশটির রাজধানী জয়পুরার ক্যামপাং এনগ্রোসের মাঝামাঝি ওই ম্যানগ্রোভ অরণ্য ছড়িয়ে আছে প্রায় ৮ হেক্টর এলাকাজুড়ে।

তবে এই অরণ্যে পুরুষেরা প্রবেশ করতে পারেন শুধু কাঠ সংগ্রহের জন্য। তবে তার আগে তাদের নিশ্চিত হতে হয় যে জঙ্গলে কোনো নারী নেই।

নারী থাকাকালীন যদি কোনো পুরুষ জঙ্গলে প্রবেশ করে ধরা পড়েন, তবে তাকে নিয়ে যাওয়া হয় উপজাতি আদালতে। অপরাধ প্রমাণ হলে শাস্তির পাশাপাশি দিতে হয় জরিমানাও।

জরিমানার পরিমাণ নেহাৎ কম নয়। জঙ্গলে প্রবেশ করার জন্য ১০ লাখ রুপাইয়া (স্থানীয় মুদ্রা) জরিমানা দিতে হয়, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় পাঁচ হাজার টাকার কাছাকাছি।


এই নিয়ম কবে থেকে চলে আসছে তা কেউ জানেন না। তবে স্থানীয়রা জানিয়েছেন, তারা তাদের মা, দাদিদের কাছেও এই একই কাহিনি শুনেছেন। প্রচলিত কাহিনি থেকেই জেনেছেন— এই জঙ্গলের সঙ্গে স্থানীয়দের সখ্যতা না কি ১৮০৮ সাল থেকে।

সমুদ্র লাগোয়া জঙ্গলের জলাভূমিতে নেমে ঝিনুক সংগ্রহ করেন মেয়েরা। কাদাজলে এবং গাছের শ্বাসমূলে পোশাক নষ্ট হতে পারে ভেবেই হয়তো চালু হয়েছিল পোশাক ছাড়ার নিয়ম।

স্থানীয় নারীরা জানান, যেহেতু মেয়েদের এই জঙ্গলে নগ্ন হতে হয়, তাই হয়তো পুরুষদের দূরে রাখার নিয়ম চালু হয়েছিল।

তবে কারণ যাই হোক, এই জঙ্গল পাপুয়ার নারীদের কাছে একটা খোলা আকাশের মতো। যেখানে তারা নিজেদের মনকেও অনাবৃত করতে পারেন।

৪৫ বছর নারী আগস্টিনা জানান, এখানে তারা চিৎকার করে নিজেদের মনের কথা বলেন। দুঃখের কথা— এমনকি না বলতে পারা যন্ত্রণার কথাও বলেন নিশ্চিন্তে। মনকে হালকা করতে পারেন। একে অপরের কাছে পরামর্শ চাইতে বা দিতে পারেন। এক কথায় জঙ্গল তার ভালো থাকার ঠিকানা।

বরগুনার আলো