• বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ ||

  • ফাল্গুন ৮ ১৪৩০

  • || ১০ শা'বান ১৪৪৫

বরগুনার আলো
ব্রেকিং:
অশিক্ষার অন্ধকারে কেউ থাকবে না: প্রধানমন্ত্রী একুশ মাথা নত না করতে শেখায়: প্রধানমন্ত্রী একুশে পদক তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস আগামীকাল মিউনিখ সম্মেলনে শেখ হাসিনাকে নিমন্ত্রণ বাংলাদেশের গুরুত্ব বুঝায় গুণীজনদের সম্মাননা ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে : রাষ্ট্রপতি একুশে পদকপ্রাপ্তদের অনুসরণ করে তরুণরা সোনার বাংলা বিনির্মাণ করবে আজ একুশে পদক তুলে দেবেন প্রধানমন্ত্রী মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনে যোগদান শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী মিউনিখ সফর শেষে ঢাকার পথে প্রধানমন্ত্রী বরই খেয়ে দুই শিশুর মৃত্যু, কারণ অনুসন্ধান করবে আইইডিসিআর দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের উপযুক্ত জবাব দিন: প্রধানমন্ত্রী গাজায় যা ঘটছে তা গণহত্যা: শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাক্ষাৎ নেদারল্যান্ডস, যুক্তরাজ্য, আজারবাইজান থেকে বড় বিনিয়োগ আহ্বান জার্মান চ্যান্সেলরের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক শান্তি ফর্মুলা বাস্তবায়নে শেখ হাসিনার সহযোগিতা চাইলেন জেলেনস্কি কাতারের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেছেন শেখ হাসিনা কিছু খুচরো দল তিড়িং বিড়িং করে লাফাচ্ছে: শেখ হাসিনা মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীকে বিশ্বনেতাদের অভিনন্দন

বিয়েতে ৩ কোটি টাকার বেশি উপহার পেলেন কনে

বরগুনার আলো

প্রকাশিত: ১৮ মার্চ ২০২৩  

বিয়েতে কনের আত্মীয়-স্বজনেরা উপহার দেয় এটা প্রচলিত রীতি। তবে কখনও কি শুনেছেন, কনেকে তার আত্মীয়রা নগদ অর্থসহ কোটি টাকার উপহার দিতে? ভারতের রাজস্থানের একটি বিয়েতে ৮১ লাখ নগদসহ ৩ কোটি টাকার বেশি মূল্যের উপহার নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে রীতিমতো শোরগোল পড়ে গিয়েছে। খবর ইন্ডিয়া টাইমসের।

গত বুধবার (১৫ মার্চ) ঘেবরি দেবী এবং ভানওয়ারলাল পোতালিয়ার কন্যা অনুষ্কা সাত পাকে বাঁধা পড়েন। এই বিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে রাজস্থানের নগৌর জেলায়।

জানা গেছে, বিয়েতে পাত্রীর দাদা এবং মামারা নগদ ৮০ লাখ টাকা নিয়ে আসেন। পাশাপাশি, ২৩ লাখ টাকা মূল্যের গয়না ও জামাকাপড় এবং অন্যান্য সামগ্রী একটি ট্র্যাক্টর-ট্রলিতে করে নিয়ে আসেন তারা। এই দৃশ্য দেখে আমন্ত্রিত অতিথিরা রীতিমতো অবাক হয়ে যান।

পাত্রীর দাদা হলেন বুরডি গ্রামের বাসিন্দা ভানওয়ারলাল গরওয়া। তিনি এবং তার তিন ছেলে হরেন্দ্র, রামেশ্বর এবং রাজেন্দ্র অনুষ্কাকে একাধিক উপহার দেন। বাপের বাড়ির লোকের এই ব্যবহারে উচ্ছ্বসিত হয়েছেন ঘেবরি দেবী ও তার পরিবার।

পাত্রীর দাদা ভানওয়ারলাল বলেন, অনুষ্কা হলেন তাদের পরিবারের একমাত্র মেয়ে। তার কারণেই পরিবারের তিন ছেলের এত প্রতিপত্তি হয়েছে।

তাই তাদের বাড়ির মেয়ের বিয়েতে তাকে উপহার দিয়ে ভরিয়ে দিতে চেয়েছেন তারা। এই বিয়েতে ৮১ লাখ টাকার পাশাপাশি সাড়ে ১৬ বিঘা চাষযোগ্য জমি, নগৌর রিং রোডের কাছে ৩০ লাখ টাকা মূল্যের একটি জমি, ৪১ তোলা সোনা এবং ৩ কিলো রুপোর গয়না দেয়া হয়েছে।

এছাড়াও তিনি অনুষ্কাকে একটি নতুন খাদ্যসামগ্রীর বস্তা ভর্তি ট্রাক্টর-ট্রলি এবং একটি স্কুটি উপহার দিয়েছেন।

এই প্রথার নাম হল মায়রা। পাত্রীর বাপের বাড়ির পক্ষ থেকে এই প্রথা পালন করার রীতি রয়েছে। এটিকে ‘ভাত’ও বলা হয়। এই প্রথায় পাত্রীর মামারা তাকে জামাকাপড়, গয়না, নগদ টাকা এবং অন্যান্য সামগ্রী উপহার হিসেবে দেন। পাত্রীর মায়ের শ্বশুরবাড়ির লোকজনের জন্যেও জামাকাপড় ও গয়নাগাঁটি দেয়ার চল রয়েছে এই প্রথার অধীনে। মারওয়ারে এই প্রথাকে খুবই সম্মানের চোখে দেখা হয়।

বরগুনার আলো