• মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ ||

  • শ্রাবণ ১ ১৪৩১

  • || ০৮ মুহররম ১৪৪৬

বরগুনার আলো
ব্রেকিং:
মুসলিম সম্প্রদায়ের উচিত গাজায় গণহত্যার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হওয়া নিজেদের রাজাকার বলতে তাদের লজ্জাও করে না : প্রধানমন্ত্রী দুঃখ লাগছে, রোকেয়া হলের ছাত্রীরাও বলে তারা রাজাকার শেখ হাসিনার কারাবন্দি দিবস আজ ‘চীন কিছু দেয়নি, ভারতের সঙ্গে গোলামি চুক্তি’ বলা মানসিক অসুস্থতা দেশের অর্থনীতি এখন যথেষ্ট শক্তিশালী : প্রধানমন্ত্রী আওয়ামী লীগ সরকার ব্যবসাবান্ধব সরকার ফুটবলের উন্নয়নে সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে সরকার যথাযথ প্রশিক্ষণের মাধ্যমে বিশ্বমানের খেলোয়াড় তৈরি করুন চীন সফর নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে আসছেন প্রধানমন্ত্রী টেকসই উন্নয়নে পরিকল্পিত ও দক্ষ জনসংখ্যার গুরুত্ব অপরিসীম বাংলাদেশে আরো বিনিয়োগ করতে চায় চীন: শি জিনপিং চীন সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী চীন সফর সংক্ষিপ্ত করে আজ দেশে ফিরছেন প্রধানমন্ত্রী ঢাকা-বেইজিং ৭ ঘোষণাপত্র, ২১ চুক্তি সই চীনের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে শেখ হাসিনা রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে চীনের প্রতি সহযোগিতার আহ্বান বাংলাদেশে বিনিয়োগের এখনই উপযুক্ত সময় তিয়েনআনমেন স্কয়ারে চীনা বিপ্লবীদের প্রতি শেখ হাসিনার শ্রদ্ধা চীন-বাংলাদেশ হাত মেলালে বিশাল কিছু অর্জন সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী

সাধারণ জ্বর-সর্দিও হতে পারে মস্তিষ্কখেকো অ্যামিবার লক্ষণ

বরগুনার আলো

প্রকাশিত: ৭ জুলাই ২০২৪  

ব্রেন ইটিং অ্যামিবা বা মস্তিষ্কখেকো অ্যামিবার সংক্রমণে আক্রান্ত হয়েছেন, এমন খুব একটা শোনা যায় না। কারণ চিকিৎসা বিজ্ঞানের ইতিহাস বলছে, খুব বেশি কেউ এই ভাইরাসে আক্রান্ত হননি।

তবে যারা এর শিকার হয়েছেন, তাদের মধ্যে কেউই বাঁচেননি। কারণ কেউ এই ভাইরাসে সংক্রমিত কি না তা বুঝতে বুঝতেই সময় চলে যায়। পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে এরই মধ্যে মস্তিষ্কখেকো অ্যামিবায় আক্রান্ত হয়ে অনেকেরই মৃত্যু হয়েছে।

সাধারণ জ্বর, সর্দি, মাথা ব্যথাই কাল হয়ে দাঁড়ায়। যেহেতু সংক্রমণের সংখ্যা খুবই কম, তাই চিকিৎসকদের ধারণাতেও সহজে ব্রেন ইটিং অ্যামিবার কথা আসে না।

সাধারণ, ডেঙ্গু, ম্যালেরিয়া বা অন্যান্য ধরনের জ্বরের পরীক্ষা করতে করতে সময় চলে যায়। তবে বিজ্ঞান বলছে, সঠিক সময়ে চিকিৎসা শুরু হলে রোগীকে বাঁচানো গেলেও যেতে পারে।

কীভাবে অ্যামিবার সংক্রমণ ছড়ায়?

সাধারণত ট্যাপের পানি, পুকুর বা জলাশয়ের পানি থেকেই অ্যামিবা শরীরে প্রবেশ করে। মূলত পানির মাধ্যমেই নাক দিয়েই সোজা মস্তিষ্কে পৌঁছায় এটি।

সেখানে গিয়ে ব্রেনের স্তর ও কোষ ধীরে ধীরে নষ্ট করতে থাকে। ঠিক সময়ে চিকিৎসা না করানো হলে রোগী দুই সপ্তাহের মধ্যেই মারা যান।

এর লক্ষণ কী কী?

>> প্রচণ্ড মাথাব্যথা
>> প্রচণ্ড জ্বর
>> সর্দি-কাশি
>> শরীরে প্রচণ্ড ব্যথা ইত্যাদি।
এই সংক্রমণ এড়াতে কী কী করবেন?

১. ট্যাপ কলের পানি দিয়ে নাক ধোয়া একেবারেই বন্ধ করতে হবে।

২. পুকুরে গোসল, সাঁতার কাটা বা খেলার মতো ব্যাপারে সতর্ক হতে হবে। নাক দিয়ে পানি যাতে শরীরে না যায়, দেখতে হবে সেটাও।
৩. পানি ক্লোরিন ট্যাবলেট দিয়ে ফিল্টার করে তবেই নাক মুখ ধুতে ব্যবহার করুন। দরকারে ওয়াটার পিউরিফায়ারের পানি ব্যবহার করুন।

বরগুনার আলো