• মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ ||

  • শ্রাবণ ১ ১৪৩১

  • || ০৮ মুহররম ১৪৪৬

বরগুনার আলো
ব্রেকিং:
মুসলিম সম্প্রদায়ের উচিত গাজায় গণহত্যার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হওয়া নিজেদের রাজাকার বলতে তাদের লজ্জাও করে না : প্রধানমন্ত্রী দুঃখ লাগছে, রোকেয়া হলের ছাত্রীরাও বলে তারা রাজাকার শেখ হাসিনার কারাবন্দি দিবস আজ ‘চীন কিছু দেয়নি, ভারতের সঙ্গে গোলামি চুক্তি’ বলা মানসিক অসুস্থতা দেশের অর্থনীতি এখন যথেষ্ট শক্তিশালী : প্রধানমন্ত্রী আওয়ামী লীগ সরকার ব্যবসাবান্ধব সরকার ফুটবলের উন্নয়নে সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে সরকার যথাযথ প্রশিক্ষণের মাধ্যমে বিশ্বমানের খেলোয়াড় তৈরি করুন চীন সফর নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে আসছেন প্রধানমন্ত্রী টেকসই উন্নয়নে পরিকল্পিত ও দক্ষ জনসংখ্যার গুরুত্ব অপরিসীম বাংলাদেশে আরো বিনিয়োগ করতে চায় চীন: শি জিনপিং চীন সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী চীন সফর সংক্ষিপ্ত করে আজ দেশে ফিরছেন প্রধানমন্ত্রী ঢাকা-বেইজিং ৭ ঘোষণাপত্র, ২১ চুক্তি সই চীনের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে শেখ হাসিনা রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে চীনের প্রতি সহযোগিতার আহ্বান বাংলাদেশে বিনিয়োগের এখনই উপযুক্ত সময় তিয়েনআনমেন স্কয়ারে চীনা বিপ্লবীদের প্রতি শেখ হাসিনার শ্রদ্ধা চীন-বাংলাদেশ হাত মেলালে বিশাল কিছু অর্জন সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী

পুতিনের উত্তর কোরিয়া সফর: নতুন বহুমুখী বিশ্বের প্রতিশ্রুতি

বরগুনার আলো

প্রকাশিত: ১৯ জুন ২০২৪  

২৪ বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো উত্তর কোরিয়া সফরে গেলেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। বুধবার (১৮ জুন) ভোররাতে পিয়ংইয়ংয়ের বিমানবন্দরে তাকে আলিঙ্গন করে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানিয়েছেন উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন। এ সময় দুই নেতা তাদের ভাব বিনিময় করেন এবং দুই দেশের সম্পর্ক উন্নয়নে একসঙ্গে কাজ করতে সম্মত হন। উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় মিডিয়ার বরাতে ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এই খবর জানিয়েছে।

পুতিনের এই সফরের খবরটি এমন সময় এলো যখন উভয় দেশই আন্তর্জাতিকভাবে প্রায় বিচ্ছিন্ন হওয়ার পথে। এমন সংকটময় একটি পরিস্থিতিতে রাশিয়া-উত্তর কোরিয়ার কয়েক দশকের সম্পর্ক পুনর্নির্মাণ হতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা কেসিএনএ জানিয়েছে, দেশগুলোর এই অংশীদারিত্ব ‘একটি নতুন বহুমুখী বিশ্বকে ত্বরান্বিত করার একটি শক্তি’ হিসেবে কাজ করবে। পুতিনের এই সফর দুই দেশের বন্ধুত্ব, ঐক্য ও স্থায়িত্বের প্রতিনিধিত্ব করছে।

ওয়াশিংটনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর করে চলেছে রাশিয়া। ব্যাপক নিষেধাজ্ঞার শিকার হওয়া উত্তর কোরিয়া মস্কো থেকে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সমর্থন এবং বাণিজ্যের প্রতিশ্রুতি পেয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা আশঙ্কা করছে, উত্তর কোরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র ও পারমাণবিক কর্মসূচির জন্য রাশিয়া সহায়তা প্রদান করতে পারে। এমন পদক্ষেপ জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাবে নিষিদ্ধ। একইসঙ্গে তারা পিয়ংইয়ংয়ের বিরুদ্ধে রাশিয়াকে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও গোলাবারুদ সরবরাহের অভিযোগ এনেছে। তাদের দাবি, সেসব অস্ত্র ইউক্রেন যুদ্ধে ব্যবহার করেছে রাশিয়া।

তবে তাদের এমন দাবি অস্বীকার করেছে মস্কো ও পিয়ংইয়ং।

পুতিনের পররাষ্ট্র নীতি উপদেষ্টা ইউরি উশাকভের বরাতে রাশিয়ার ইন্টারফ্যাক্স বার্তা সংস্থা জানিয়েছে, বুধবারের এজেন্ডায় দুই নেতার মধ্যকার আলোচনার পাশাপাশি একটি গালা কনসার্ট, রাষ্ট্রীয় সংবর্ধনা, গার্ড অব অনার, নথিতে স্বাক্ষর এবং মিডিয়ার কাছে একটি বিবৃতি অন্তর্ভুক্ত ছিল।

জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের ভেটো দেওয়ার ক্ষমতা রাখে রাশিয়া। উত্তর কোরিয়ার প্রতি দেশটি তার দৃষ্টিভঙ্গির পুনর্মূল্যায়ন করার ইঙ্গিত  দিচ্ছে। এদিকে, পুতিনের সফরের আগে মার্কিন অর্থনৈতিক চাপ, ব্ল্যাকমেল ও হুমকি প্রতিহত করায় তার প্রশংসা করেছিল পিয়ংইয়ং।

উত্তর কোরিয়ার প্রধান শাসক দলের সংবাদপত্রের প্রথম পাতায় প্রকাশিত একটি নিবন্ধে বলা হয়, পুতিন ‘পশ্চিমাদের নিয়ন্ত্রিত নয় এমন একটি বিকল্প বাণিজ্য ও পারস্পরিক মীমাংসা পদ্ধতির বিকাশ’ এবং ‘ইউরেশিয়ায় একটি সম ও অবিভাজ্য নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলার’ প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

ওয়াশিংটনে ৩৮ নর্থ প্রোগ্রামের বিশ্লেষক রাচেল মিনিয়ং লি লিখেছেন, পুতিনের নিবন্ধটি থেকে বোঝা যায়, রাশিয়ার নেতৃত্বে একটি পশ্চিম-বিরোধী অর্থনৈতিক ব্লকে উত্তর কোরিয়ার জন্য অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির একটি সুযোগ রয়েছে। আর এই বার্তাটি সম্ভবত কিম জং উনের কাছে আকর্ষণীয় মনে হতে পারে।

সফরের আগে প্রেসিডেন্টের আদেশ জারি করে পুতিন বলেছিলেন, মস্কো উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে একটি ‘বিস্তৃত কৌশলগত অংশীদারিত্ব চুক্তি’ স্বাক্ষর করতে চাইছে। উশাকভ বলেন, এতে নিরাপত্তা সংক্রান্ত জটিলতা থাকবে।

তিনি আরও বলেন, চুক্তিটি অন্য কোনও দেশের বিরুদ্ধে যাবে না। তবে এটি ‘বিস্তৃত সহযোগিতার জন্য একটি সম্ভাবনার রূপরেখা দেবে।’

বরগুনার আলো